টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে কোন জাতের ধান হতে সুপার রাইস উদ্ভাবিত হয়েছে?

A. আউশ
B. আমন
C. বোরো
D. জ্যাপনিকা
সঠিক উত্তরঃ D. জ্যাপনিকা
Explanation: জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে জ্যাপনিকা জাতের ধান হতে সুপার রাইস উদ্ভাবিত হয়েছে। সঠিক উত্তর Option D। ব্যাখ্যা: জ্যাপনিকা জাত উচ্চ ফলনশীল ধানের উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Another Explanation (5):

জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে কোন জাতের ধান হতে সুপার রাইস উদ্ভাবিত হয়েছে?

জীবপ্রযুক্তি বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধানের জাতের বৈশিষ্ট্য উন্নত করা সম্ভব। এর মাধ্যমে ধানের উৎপাদনশীলতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, এবং খাদ্য গুণমান বৃদ্ধি করা হয়। এ ধরনের উন্নত ধানের মধ্যে এক উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো "জ্যাপনিকা"।

জ্যাপনিকা ধানের বৈশিষ্ট্য

  • উচ্চ উৎপাদন ক্ষমতা 💹
  • রোগ প্রতিরোধী 🌱
  • খাদ্যমানের উন্নতি 🍚
  • অতিরিক্ত পুষ্টিমান 💪
  • দ্রুত বৃদ্ধি 🕒

উপকারিতা

জ্যাপনিকা ধানের মাধ্যমে কৃষকরা কম খরচে অধিক ফলন পেতে সক্ষম হন। এটি খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক।

তালিকা: জ্যাপনিকা ধানের বৈশিষ্ট্যসমূহ

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
উৎপাদন ক্ষমতা উচ্চ ফলন দেয় 🏆
রোগ প্রতিরোধ বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে সক্ষম 🛡️
খাদ্য মান উন্নত পুষ্টিমান 🍚
প্রজনন ও বৃদ্ধি দ্রুত বৃদ্ধি ও উন্নত প্রজনন 🚀

সুতরাং, জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ভাবিত ধানের মধ্যে জ্যাপনিকা অন্যতম উল্লেখযোগ্য সফলতা। এটি খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে। 🌾🌟

Option A Explanation:
  • আউশ: আউশ ধান মূলত বাংলাদেশের একটি মৌসুমি ধান প্রজাতি। এটি মূলত বর্ষাকালীন সময়ে চাষ করা হয় এবং সাধারণত দ্বিগুণ বা তিনগুণ ফলনশীল ধানের জাত হিসেবে পরিচিত।
  • প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া ও জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে এর ফলন বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করার জন্য বিভিন্ন গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম চালানো হয়।
  • আউশ ধানের উন্নত জাত উদ্ভাবনের জন্য জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি ব্যবহৃত হয়, যা ধানের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং উৎপাদন বাড়ায়।
Option B Explanation:
  • প্রকার: অল্প পরিমাণে জলসেচন প্রয়োজন হয় এমন ধান প্রজাতি।
  • উৎপত্তি: বাংলাদেশে মূলতঃ আমনের আবাদ হয়।
  • বিশেষত্ব: এটি সাধারণতঃ মৌসুমী ধান, যা মূলতঃ বর্ষাকালে চাষ হয়।
  • উৎপাদন: প্রচুর ফসল উৎপাদনে সক্ষম, যা খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ।
  • সুপার রাইস উদ্ভাবনে: জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে আমনের উন্নত জাতের ধান উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা উচ্চ ফলনশীল ও রোগপ্রতিরোধী।
Option C Explanation:
  • বোরো: এটি একটি ধানের প্রকার যা মূলত দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে চাষ হয়, বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত, এবং নেপালে।
  • উৎপত্তি: বোরো ধান মূলত গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে চাষ হয় এবং এর আবাদ সাধারণত বসন্তের শেষে বা গ্রীষ্মের শুরুতে হয়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: বোরো ধান দ্রুত উন্নত হয়, এর ফলন বেশি হয় এবং এটি উচ্চতর খাদ্য গুণগত মানসম্পন্ন।
  • উন্নয়ন: আধুনিক জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে বোরো ধানের বিভিন্ন উচ্চ ফলনশীল, রোগ প্রতিরোধী এবং সুপার রাইস জাত উদ্ভাবিত হয়েছে।
Option D Explanation:
  • জ্যাপনিকা: এটি একটি বিশেষ ধরণের ধান জাত, যা মূলত বাংলাদেশের মরুকরণপ্রবণ এলাকার জন্য উন্নত করা হয়েছে।
  • এই ধান জাতটি উচ্চ ফলনশীল, ক্ষতিকর জলবায়ু সহনশীল এবং কম পানির প্রয়োজন হয়।
  • জ্যাপনিকা ধান দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এর ভর্তা ও চালের গুণগত মান উন্নত।
  • এটি সাধারণত অপ্রচলিত ধানের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয় যেখানে জলসংকট বা মরুকরণ বেশি।