টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনটি রেচন গ্ৰন্থি নয়?

A. কক্সাল
B. অ্যান্টেনাল
C. ম্যাক্সিলারি
D. পিনিয়াল
সঠিক উত্তরঃ D. পিনিয়াল
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: রেচন গ্রন্থি গুলি শরীরের বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থকে নির্গত করে, কিন্তু পিনিয়াল গ্রন্থি রেচন গ্রন্থি নয়।\nঅপশন বিশ্লেষণ:\nA. কক্সাল: ভুল, এটি রেচন গ্রন্থি হি??েবে কাজ করে।\nB. অ্যান্টেনাল: ভুল, এটি রেচন গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে।\nC. ম্যাক্সিলারি: ভুল, এটি রেচন গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে।\nD. পিনিয়াল: সঠিক, এটি রেচন গ্রন্থি নয়, বরং এটি মস্তিষ্কের একটি গ্রন্থি যা ঘুমের জন্য মেলাটোনিন হরমোন উৎপাদন করে।\nনোট: রেচন গ্রন্থির মূল কাজ হল শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ।
Another Explanation (5):

রেচন গ্রন্থি নয়: পিনিয়াল গ্রন্থি 🧠

মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের গ্রন্থি রয়েছে, যাদের মধ্যে কিছু রেচন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে, আবার কিছু হরমোন নিঃসরণের সাথে জড়িত। পিনিয়াল গ্রন্থি তাদের মধ্যে অন্যতম, তবে এটি রেচন গ্রন্থি নয়। 🤔

রেচন গ্রন্থি এবং পিনিয়াল গ্রন্থির মধ্যে পার্থক্য:

বৈশিষ্ট্য রেচন গ্রন্থি 🚽 পিনিয়াল গ্রন্থি 🛌
প্রধান কাজ ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে অপসারণ করা। মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণের মাধ্যমে ঘুম নিয়ন্ত্রণ করা।
উদাহরণ কিডনি, ত্বক, ফুসফুস, লিভার। -
উৎপাদন মূত্র, ঘাম, কার্বন ডাই অক্সাইড, ইত্যাদি। মেলাটোনিন।
গুরুত্ব দেহের অভ্যন্তরীণ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। শারীরিক চক্র (circadian rhythm) নিয়ন্ত্রণ করে।

রেচন গ্রন্থিগুলোর তালিকা:

  1. কিডনি (বৃক্ক): এটি প্রধান রেচন অঙ্গ। রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে মূত্র তৈরি করে। 🩸➡️🚽
  2. ত্বক: ঘামের মাধ্যমে লবণ ও ইউরিয়া জাতীয় পদার্থ বের করে দেয়। 땀💦
  3. ফুসফুস: কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। 💨
  4. লিভার (যকৃত): এটি ইউরিয়া তৈরি করে এবং অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ নিষ্ক্রিয় করে। 肝臓🌱

পিনিয়াল গ্রন্থি সম্পর্কে কিছু তথ্য:

  • পিনিয়াল গ্রন্থি মস্তিষ্কের কেন্দ্রে অবস্থিত একটি ছোট গ্রন্থি। 📍
  • এটি মেলাটোনিন নামক হরমোন তৈরি করে, যা ঘুম এবং জৈবিক ছন্দ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 🌃
  • আলোর প্রভাবে এই গ্রন্থির কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়। 💡
  • পিনিয়াল গ্রন্থি "তৃতীয় চক্ষু" নামেও পরিচিত। 👁️

সুতরাং, পিনিয়াল গ্রন্থি রেচন কার্যের সাথে জড়িত নয়। এটি একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা হরমোন নিঃসরণের মাধ্যমে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। ✅

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি পিনিয়াল গ্রন্থি কেন রেচন গ্রন্থি নয়, তা বুঝতে সাহায্য করবে। 😊

Option A Explanation:
  • কক্সাল: এটি একটি হাড়ের অংশ, যা মাথার খুলি বা কপালের অংশের এক ধরনের হাড়।
  • এটি রেচন গ্রন্থি নয়, বরং শরীরের কাঠামোগত উপাদান হিসেবে কাজ করে।
  • কক্সাল সাধারণত মাথার উপরের অংশে অবস্থিত এবং মস্তিষ্কের আশেপাশে থাকে।
Option B Explanation:
  1. অ্যান্টেনাল: এটি একটি রেচন গ্রন্থি নয়।
  2. অ্যান্টেনাল গ্রন্থি সাধারণত অপ্রয়োজনীয় বা অপসারিত হয় এবং শরীরের রেচন প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করে না।
  3. এই গ্রন্থির মূল কাজ বা কার্যক্রম অন্য রেচন গ্রন্থিগুলির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
  4. অ্যান্টেনাল বা অন্ত্রের এলাকা মূলত অঙ্গপ্রতঙ্গ, যা পেটের অন্তর্বর্তী অংশের সাথে সম্পর্কিত।
Option C Explanation:
  • ম্যাক্সিলারি স্নায়ু (Maxillary nerve): এটি ভেরভা (trigeminal nerve) এর তৃতীয় শাখা, যা মূলত মুখের মধ্যবর্তী অংশের সংবেদনশীল স্নায়ু হিসেবে কাজ করে।
  • উপস্থাপনা: এটি মুখের উপরের অংশ, নাকের পাশে, ঠোঁটের উপরে, গাল, জিহ্বার উপরে এবং মুখের ভিতরের কিছু অংশের সংবেদনশীলতা প্রদান করে।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গসমূহ: এই স্নায়ু চোখের নিচে, গাল, নাকের উপরের অংশ, জিহ্বার উপরের অংশ, এবং শ্বাসনালীর কিছু অংশের জন্য সংবেদনশীলতা সরবরাহ করে।
  • অন্তঃস্নায়ু: এই স্নায়ুটি মূলত সংবেদনশীল, কোনও মাসল বা মোটর কাজের জন্য কাজ করে না।
Option D Explanation:
  • পিনিয়াল গ্রন্থি (Pineal Gland): এটি একটি ছোট আকারের গ্রন্থি যা মস্তিষ্কের মধ্যে অবস্থিত।
  • মূল কাজ: এটি শরীরের ঘুম ও জাগরণের চক্র নিয়ন্ত্রণ করে, বিশেষ করে সৌরচন্দ্রের আলো অনুসারে দেহের সেরটোনিন এবং মেলাটো???িন নিঃসরণে সহায়তা করে।
  • অবস্থান: মস্তিষ্কের মাঝামাঝি অংশে, থ্যালামাসের উপর এবং হাইপোথ্যালামাসের কাছাকাছি অবস্থিত।
  • আকার: সাধারণত ছোট, গোলাকার বা ডিম্বাকার আকারের।
  • অন্য নাম: এটি কখনো কখনো "উৎসপিণ্ড" (Third Eye) হিসেবেও পরিচিত।