টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মানবদেহে গ্লিনয়েড গহ্বর কোথায় থাকে?

A.

অগ্ৰপদে

B.

পশ্চাৎপদে

C.

বক্ষাস্থি চক্রে

D.

শ্রোণিচক্রে

সঠিক উত্তরঃ C.

বক্ষাস্থি চক্রে

Explanation:

Another Explanation (5):

মানবদেহে গ্লেনয়েড গহ্বর: একটি বিস্তারিত আলোচনা

গ্লেনয়েড গহ্বর মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা কাঁধের জয়েন্ট গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এটি কোথায় অবস্থিত এবং এর কাজ কী, তা নিচে আলোচনা করা হলো:

গ্লেনয়েড গহ্বরের অবস্থান 📍

গ্লেনয়েড গহ্বর বক্ষাস্থি চক্রের স্ক্যাপুলা নামক হাড়ের (shoulder blade) ল্যাটারাল অ্যাংগেলের(lateral angle)উপরে অবস্থিত। এটি অনেকটা নাশপাতির আকৃতির মতো দেখতে।

বক্ষাস্থি চক্র (Pectoral Girdle) 🦴

বক্ষাস্থি চক্র চারটি হাড় দিয়ে গঠিত:
  1. দুটি স্ক্যাপুলা (Scapula)
  2. দুটি ক্লাভিকল (Clavicle)

এই চক্রটি কাঁধের জয়েন্ট এবং বাহুর মুভমেন্টের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 💪

গ্লেনয়েড গহ্বরের গঠন এবং কাজ ⚙️

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
আকৃতি নাশপাতি🍐 আকৃতির অবতল গহ্বর
অবস্থান স্ক্যাপুলার ল্যাটারাল অ্যাংগেলে
কাজ হিউমেরাসের ( humerus) সাথে যুক্ত হয়ে কাঁধের জয়েন্ট তৈরি করা এবং বাহুকে বিভিন্ন দিকে নড়াচড়া করতে সাহায্য করা।

কাঁধের জয়েন্ট (Shoulder Joint) 🤝

গ্লেনয়েড গহ্বর হিউমেরাসের মাথা(head of humerus ) সাথে মিলিত হয়ে কাঁধের জয়েন্ট তৈরি করে। এই জয়েন্টটি মানবদেহের সবচেয়ে নমনীয় জয়েন্টগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর মাধ্যমেই হাত ঘোরানো, উপরে তোলা বা অন্য যেকোনো দিকে নাড়ানো সম্ভব হয়।🤸‍♀️

গুরুত্ব 🤔

* নড়াচড়া : হাত ও কাঁধের স্বাভাবিক নড়াচড়ার জন্য এই গহ্বর অপরিহার্য। * ভারসাম্য : এটি কাঁধের জয়েন্টকে স্থিতিশীল রাখে। * ক্ষতি : গ্লেনয়েড গহ্বরে আঘাত পেলে কাঁধের জয়েন্টে সমস্যা হতে পারে। 🤕

অতিরিক্ত তথ্য ➕

গ্লেনয়েড ল্যাব্রাম (Glenoid Labrum) নামে একটি কার্টিলেজ(cartilage) গ্লেনয়েড গহ্বরের গভীরতা বাড়ায় এবং জয়েন্টকে আরও স্থিতিশীল করে। 🛡️

আশা করি, গ্লেনয়েড গহ্বর সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊

Option A Explanation:

অগ্ৰপদে

  • অগ্ৰপদে মানে শারীরিক দেহের সামনের অংশ বা অগ্রভাগে অবস্থিত।
  • এখানে সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ও গঠনসমূহ থাকে, যেমন মাথা, মুখ, হাতের উপরের অংশ।
  • অগ্ৰপদে গ্লিনয়েড গহ্বর বা গহ্বরের অবস্থান মূলত হাড়ের গঠন ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত।
  • এটি শরীরের সামনের দিকের অংশে থাকা গহ্বর বা খোলা স্থান বোঝায়।
Option B Explanation:
  • পশ্চাৎপদে: এটি শরীরের পেছনের অংশকে নির্দেশ করে।
  • শরীরের মধ্যবর্তী বা সামনের অংশের বিপরীতে অবস্থান করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, পিঠের অংশ বা পেছনের দিকের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোকে পশ্চাৎপদে বলা হয়।
Option C Explanation:
  • বক্ষাস্থি চক্রে: এটি শরীরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মূলত শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই চক্রের মধ্যে থাকা গ্লিনয়েড গহ্বরটি ফুসফুসের অঙ্গসংস্থান অংশ, যেখানে গ্যাসের বিনিময় ঘটে। এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে শ্বাসপ্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।
Option D Explanation:
  • শ্রোণিচক্রে (Cochlear) হলো অঙ্গ যা কানের অভ্যন্তরে অবস্থিত।
  • এটি মূলত একটি স্নায়ুবিশেষ্য অঙ্গ যা শ্রবণশক্তির জন্য দায়ী।
  • শ্রোণিচক্রের মধ্যে মূলত তিনটি অংশ থাকে:
    • অ্যাম্বুলা (Cochlear duct)
    • স্পিরাল অঙ্গ (Spiral organ বা Corti)
    • প্রাচীন স্নায়ুবিশেষ্য অঙ্গ (Auditory nerve)
  • এটি কানের কংকালীয় অংশের অভ্যন্তরে অবস্থিত এবং শ্রবণ সংবেদনপ্রাপ্ত স্নায়ুতে সংযোগ স্থাপন করে।
  • শ্রোণিচক্রের কার্যক্রমের মাধ্যমে শব্দের তরঙ্গ স্পন্দনকে বিদ্যুত্‍সংকেত হিসেবে রূপান্তরিত করে ব্রেইনে পাঠানো হয়।