টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ভূমিকম্প মাপার যন্ত্রের নাম কি? 

A. স্পিডোমিটার 
B. হাইড্রোমিটার 
C. থার্মোমিটার 
D. সিসমোগ্রাফ 
সঠিক উত্তরঃ D. সিসমোগ্রাফ 
Explanation:

Another Explanation (5):

ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র: সিসমোগ্রাফ seismograph 震度計 ভূমিকম্পমাপকযন্ত্র

ভূমিকম্প (Earthquake 🌎) একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ভূমিকম্পের তীব্রতা এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য পরিমাপ করার জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, তার নাম সিসমোগ্রাফ (Seismograph)। এটি সিসমোমিটার (Seismometer) নামক একটি সেন্সর এবং একটি রেকর্ডিং সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত। ভূমিকম্পের সময় ভূ-পৃষ্ঠে হওয়া কম্পন এই যন্ত্র ধারণ করে এবং তা গ্রাফ আকারে প্রকাশ করে।

সিসমোগ্রাফের মূল অংশসমূহ 🛠️:

  • সিসমোমিটার (Seismometer): এটি ভূকম্পন অনুভব করে এবং বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত ???রে।
  • অ্যামপ্লিফায়ার (Amplifier): দুর্বল সংকেতকে শক্তিশালী করে।
  • রেকর্ডার (Recorder): সংকেতকে গ্রাফ আকারে লিপিবদ্ধ করে। বর্তমানে ডিজিটাল সিসমোগ্রাফ ডেটাকে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে।
  • টাইমিং সিস্টেম (Timing System): সঠিক সময় নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নির্ণয়ে সাহায্য করে।

সিসমোগ্রাফ কিভাবে কাজ করে? 🤔

  1. ভূমিকম্পের ফলে মাটিতে কম্পন সৃষ্টি হয়।
  2. সিসমোমিটার এই কম্পন অনুভব করে।
  3. সিসমোমিটারের মধ্যে থাকা একটি ভর (mass) কম্পনের কারণে স্থানচ্যুত হয়।
  4. এই স্থানচ্যুতি একটি সংকেত তৈরি করে, যা বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত হয়।
  5. অ্যামপ্লিফায়ার এই সংকেতকে বিবর্ধিত করে।
  6. রেকর্ডার এই বিবর্ধিত সংকেতকে গ্রাফ আকারে লিপিবদ্ধ করে। এই গ্রাফকে সিসমোগ্রাম (Seismogram) বলে।

সিসমোগ্রামের বৈশিষ্ট্য 📊:

সিসমোগ্রাম থেকে ভূমিকম্পের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য জানা যায়, যেমন:

  • ভূমিকম্পের তীব্রতা (Magnitude): রিখটার স্কেল (Richter scale) বা মোমেন্ট ম্যাগনিটিউড স্কেল (Moment magnitude scale) ব্যবহার করে ভূমিকম্পের তীব্রতা নির্ণয় করা হয়।
  • ভূমিকম্পের কেন্দ্র (Epicenter): ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভূপৃষ্ঠের ঠিক উপরে অবস্থিত বিন্দু।
  • ভূমিকম্পের গভীরতা (Focal depth): ভূগর্ভ??র কত গভীরে ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয়েছে।

বিভিন্ন প্রকার সিসমোগ্রাফ ⚙️:

  • অনুভূমিক সিসমোগ্রাফ (Horizontal Seismograph): অনুভূমিক কম্পন পরিমাপ করে।
  • উল্লম্ব সিসমোগ্রাফ (Vertical Seismograph): উল্লম্ব কম্পন পরিমাপ করে।
  • ব্রডব্যান্ড সিসমোগ্রাফ (Broadband Seismograph): বিস্তৃত পরিসরের কম্পন পরিমাপ করতে পারে।

ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপের স্কেল 📏:

স্কেল তীব্রতা বৈশিষ্ট্য
রিখটার স্কেল (Richter Scale) ১-১০ ভূমিকম্পের স্থানীয় তীব্রতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
মোমেন্ট ম্যাগনিটিউড স্কেল (Moment Magnitude Scale) কোনো সীমা নেই বৃহৎ ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
মার্কেল্লি ইনটেনসিটি স্কেল (Mercalli Intensity Scale) I-XII ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ওপর ভিত্তি করে তীব্রতা নির্ধারণ করা হয়।

সিসমোগ্রাফের ব্যবহার 🏢:

  • ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য। ⚠️
  • ভূ-গর্ভের গঠন এবং কাঠামো জানার জন্য।
  • ভূ-কম্পন অঞ্চলের ঝুঁকি মূল্যায়ন করার জন্য।
  • পারমাণবিক বিস্ফোরণের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণের জন্য। ☢️

সিসমোগ্রাফ ভূমিকম্প বিজ্ঞান (Seismology) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই যন্ত্রের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটা বিশ্লেষণ করে ভূমিকম্পের কারণ ও প্রভাব সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য পাওয়া যায়।