টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ভিনেগার প্রস্তুতকরণে দায়ী অণুজীব হলো-

A. Lactobasillus
B. Acetobacter xylinum
C. Bacillus subtilis
D. Bacillus megaterium
E. Aspergillus niger
সঠিক উত্তরঃ B. Acetobacter xylinum
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ভিনেগার প্রস্তুতকরণে দায়ী অণুজীব হলো Acetobacter xylinum, যা এসিটিক অ্যাসিড উৎপন্ন করে। অপশন বিশ্লেষণ: A. Lactobacillus: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. Acetobacter xylinum: সঠিক, এটি সঠিক উত্তর। C. Bacillus subtilis: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. Bacillus megaterium: ভুল, এটি সঠিক নয়। E. Aspergillus niger: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: ভিনেগার তৈরিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে Acetobacter xylinum, যা এসিটিক অ্যাসিড তৈরি করে।
Another Explanation (5):

প্রশ্নঃ ভিনেগার প্রস্তুতকরণে দায়ী অণুজীব হলো-

উত্তর: Acetobacter xylinum

বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

ভিনেগার প্রস্তুতকরণের জন্য মূলত অ্যাকটোব্যাকটারিয়া (Acetobacter) শ্রেণীর অণুজীবগুলো দায়ী। এই অণুজীবগুলো ব্যাকটেরিয়া যা অক্সিজেনের উপস্থিতিতে শর্কর??কে অ্যাসিটিক অ্যাসিডে রূপান্তর করে।

প্রক্রিয়া:

  • শর্করা (যেমন গমের রুটি বা ফলের রস) অণুজীবের সাথে মিশ্রিত হয়।
  • অ্যাকটোব্যাকটারিয়া শর্করাকে অ্যাসিটিক অ্যাসিডে রূপান্তর করে।
  • এটি ভিনেগার তৈরির মূল প্রক্রিয়া।

তালিকা: অণুজীবের বৈশিষ্ট্য

অণুজীবের নাম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রধান কাজ
Acetobacter xylinum ব্যাকটেরিয়া শর্করাকে অ্যাসিটিক অ্যাসিডে রূপান্তর

🧪🧫 এই অণুজীবের মাধ্যমে আমরা স্বাভাবিকভাবে ভিনেগার তৈরি করি, যা রেস্তোরাঁ, বাসা বা শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

Option A Explanation:

Lactobasillus

  • একটি গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত দুধের দই ও দইজাত পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
  • প্রধানত ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপাদনে সক্ষম, যা খাবারে টক স্বাদ প্রদান করে।
  • অণুজীব হিসেবে এটি খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এছাড়া, এটি কিছু প্রকারের অপ্রচলিত খাদ্য ও পানীয় প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়।
  • অন্য অণুজীবের সাথে মিলিতভাবে, এটি খাদ্য সংরক্ষণে সহায়ক হয়ে থাকে।
Option B Explanation:

Acetobacter xylinum এর ব্যাখ্যা

  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়া (ব্যাকটেরিয়া গ্রুপের এক প্রকার)
  • অস্তিত্বের স্থান: সাধারণত ফল, শাকসবজি, ও অন্যান্য জৈব উপাদানে পাওয়া যায়
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই ব্যাকটেরিয়া সোডিয়াম অ্যাসিটেট (সাধারণত ভিনেগার) উৎপাদনে সাহায্য করে এবং অ্যালগি বা ব্যাকটেরিয়াল ফিল্ম গঠন করতে সক্ষম
  • অর্থনৈতিক ও ব্যবহারিক গুরুত্ব: ভিনেগার উৎপাদনে সহায়ক, জৈব চামড়া উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, এবং জৈববস্তু ভাণ্ডার তৈরিতে সহায়ক
  • নির্মাণ প্রক্রিয়া: এই ব্যাকটেরিয়া অ্যাসিটিক অ্যাসিডের মাধ্যমে N₂ সংবন্ধনে সরাসরি অংশগ্রহণ করে না, তবে বিভিন্ন জৈব প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।
Option C Explanation:
  • Bacillus subtilis একটি গ্রাম-পজিটিভ, অ্যানারোবিক ব্যাকটেরিয়া যা প্রকৃতিতে ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়।
  • এটি মূলত ভূমি ও উদ্ভিদের উপর পাওয়া যায় এবং অনেক ধরনের ফসলের জন্য একটি প্রাকৃতিক উপকারী ব্যাকটেরিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়।
  • বাকটেরিয়ার এই প্রজাতিটি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে, বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে।
  • বাংলাদেশে বেগুনের মতো জিএম ফসলের জন্য ব্যবহৃত হয় যাতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
  • এটি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসের বৃদ্ধি রোধ করতে সক্ষম, ফলে উদ্ভিদের স্বাস্থ্য উন্নত হয়।
Option D Explanation:
  • নাম: Bacillus megaterium
  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়া
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি বৃহৎ আকারের ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত মাটিতে পাওয়া যায়।
  • ব্যবহার: বিভিন্ন জৈবপ্রযুক্তি প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে অণুজীব প্রক্রিয়ায়, যেখানে এটি বিভিন্ন ধরণের এনজাইম ও ভেষজ উৎপাদনে সহায়ক।
  • প্রভাব: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, Bacillus megaterium কফি প্রক্রিয়াজাতকরণে সহায়ক হতে পারে, যেমন গুণমান উন্নত করা বা স্বাদ পরিবর্তনে।
Option E Explanation:
  1. অ্যস্পারজিলাস নাইগার (Aspergillus niger): এটি একটি ছত্রাক (ফাঙ্গাস) যা বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে প্রসেসিং শিল্পে। এটি সাধারণত খাবারে ছত্রাক হিসেবে দেখা যায় এবং কিছু ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিকর হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি পণ্য গুণমান উন্নত করতে সাহায্য করে।
  2. অ্যস্পারজিলাস নাইগার মূলত পচন ও ছত্রাকের জন্য দায়ী, তবে এর গন্ধ বা সুগন্ধের জন্য সরাসরি দায়ী বলে মনে হয় না।