লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার এই ইমেইলে একাধিক একাউন্ট রয়েছে। যেকোনো একটি নির্বাচন করুন:
ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করার জন্য আপনার একাউন্টের সাথে একটি গুগল ইমেইল যুক্ত করা বাধ্যতামূলক।
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
আয়নিক ব্যাসার্ধ কোনো মৌলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। একই গ্রুপে আয়নিক ব্যাসার্ধের পরিবর্তন একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে। নিচে এর কারণ ব্যাখ্যা করা হলো:
আয়নিক ব্যাসার্ধ হলো কোনো আয়নের নিউক্লিয়াস থেকে তার সর্ববহিস্থ ইলেকট্রন স্তরের গড় দূরত্ব। ক্যাটায়ন (ধনাত্মক আয়ন) তৈরি হলে পরমাণুর আকার ছোট হয়ে যায় এবং অ্যানায়ন (ঋণাত্মক আয়ন) তৈরি হলে পরমাণুর আকার বড় হয়ে যায়।
গ্রুপ ২ এর মৌলগুলো হলো: Be (বেরিলিয়াম), Mg (ম্যাগনেসিয়াম), Ca (ক্যালসিয়াম), Sr (স্ট্রনসিয়াম), Ba (বেরিয়াম) এবং Ra (রেডিয়াম)। এদের ২+ আয়নগুলোর আকার নিচের কারণগুলোর জন্য পরিবর্তিত হয়:
সুতরাং, আয়নিক ব্যাসার্ধের ক্রম হবে: Ba2+ > Ca2+ > Mg2+ > Be2+ 🚀
| আয়ন | আয়নিক ব্যাসার্ধ (pm) | মন্তব্য |
|---|---|---|
| Be2+ | 45 | সবচেয়ে ছোট |
| Mg2+ | 72 | বেরিলিয়ামের চেয়ে বড় |
| Ca2+ | 100 | ম্যাগনেসিয়ামের চেয়ে বড় |
| Ba2+ | 135 | সবচেয়ে বড় 🌟 |
একটি সহজ কৌশল হলো পর্যায় সারণীতে মৌলের অবস্থান মনে রাখা। একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে নামলে আয়নিক ব্যাসার্ধ সাধারণত বাড়ে। 😃
"বেরিলিয়াম < ম্যাগনেসিয়াম < ক্যালসিয়াম < বেরিয়াম" এভাবে মনে রাখতে পারেন।
আশা করি, এই ব্যাখ্যা আপনার বুঝতে সাহায্য করেছে! 👍