লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
টিস্যু কালচার পদ্ধতি হলো এক ধরনের শারীরবিজ্ঞান ও উদ্ভিদবিদ্যার পদ্ধতি, যার মাধ্যমে উদ্ভিদের কোষ বা টিস্যুগুলিকে পৃথক করে ল্যাবরেটরিতে বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এটি উদ্ভিদ শারীরবিজ্ঞান, জেনেটিক্স, এবং উন্নত গবেষণার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি।
উত্তর: হাবারল্যান্ডট (Haberlandt)
হাবারল্যান্ডট (Gottlieb Haberlandt) ১৯০২ সালে প্রথমবারের মতো টিস্যু কালচার পদ্ধতি প্রয়োগ করেন। তিনি উদ্ভিদ কোষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা টিস্যুগুলিকে পৃথক করে ল্যাবরেটরিতে বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ স্থাপন করেন। এই গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভিদের দ্রুত বৃদ্ধি ও উন্নয়নের নতুন দিক উন্মোচিত হয়।
| বিশেষত্ব | বিবরণ |
|---|---|
| প্রথম প্রয়োগ | ১৯০২ |
| মূল গবেষক | গট্লিব হাবারল্যান্ডট |
| গবেষণার উদ্দেশ্য | উদ্ভিদের কোষের বিভাজন ও বিকাশ বোঝা |
| প্রভাব | উদ্ভিদ বিজ্ঞান ও জেনেটিক্সে বিপ্লব |
🌱🌿🌸 এই প্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ভিদ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।