Another Explanation (5): নিম্নের কোনটির ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম, সেটি নির্ণয় করতে হলে মূলত ইলেকট্রন ক্ষরণ বা ইলেকট্রন সংখ্যা অনুযায়ী আয়ন বা পরমাণুর আকারের পরিবর্তন বিবেচনা করতে হবে। সাধারণত:
- পরমাণুর আকার: পরমাণুর ব্যাসার্ধ তার কেন্দ্রীয় নিউক্লিয়াসের চারপাশে ইলেকট্রনের অবস্থান দ্বারা নির্ধারিত। পরমাণুর ইলেকট্রন সংখ্যা কম হলে তার আকার ছোট হয়।
- আয়নের আকার: আয়ন তৈরির সময় ইলেকট্রন হারানোর ফলে আয়নের ব্যাসার্ধ সাধারণত পরমাণুর তুলনায় ছোট হয়ে যায়।
এখন, উদাহরণস্বরূপ, \(^{12}\mathrm{Mg}^{2+}\) আয়নটির ক্ষেত্রে:
- এটি ম্যাগনেসিয়ামের (Mg) আয়ন, যেখানে দুটি ইলেকট্রন হারানো হয়েছে।
- ম্যাগনেসিয়াম পরমাণুর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, তার পরমাণুর ইলেকট্রন সংখ্যা ১২ (অর্থাৎ \(^{12}\mathrm{Mg}\))।
চালাকভাবে বলতে গেলে, একই ধরনের মৌলিক উপাদানের জন্য, ইলেকট্রন সংখ্যা কম হলে আয়নের ব্যাসার্ধ ছোট হয়। কারণ, ইলেকট্রনের সংখ্যা কমে গেলে কেন্দ্রের নিউক্লিয়াসের প্রতি ইলেকট্রনের আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়, ফলে ইলেকট্রন বেশি কাছাকাছি হয়।
অতএব, **\(^{12}\mathrm{Mg}^{2+}\)** এর ইলেকট্রন সংখ্যা (10 ইলেকট্রন, কারণ ১২ থেকে ২টি হারানো হয়েছে) পরমাণুর তুলনায় কম, ফলে এর ব্যাসার্ধ পরমাণুর থেকে ছোট।
**উপসংহার:**
- \(^{12}\mathrm{Mg}^{2+}\) আয়নের ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম, কারণ এটি একটি দ্বিগুণ চার্জযুক্ত আয়ন যার ইলেকট্রন সংখ্যা পরমাণুর তুলনায় কম, ফলে এর আকার সংকুচিত।