টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মানবদেহের অক্ষীয় কঙ্কালতন্ত্র গঠিত-

A. করোটি ও মেরুদণ্ড দিয়ে
B. মেরুদণ্ড ও বক্ষ অস্থিচক্র দিয়ে
C. করোটি ও দুই জোড়া উপাঙ্গিক কঙ্কাল দিয়ে
D. মেরুদণ্ড ও স্নায়ুরজ্জু দিয়ে
সঠিক উত্তরঃ A. করোটি ও মেরুদণ্ড দিয়ে
Explanation:

Another Explanation (5):

মানবদেহের অক্ষীয় কঙ্কালতন্ত্র: একটি বিস্তারিত আলোচনা 🦴

মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধানত দুইটি অংশে ভাগ করা যায়: অক্ষীয় কঙ্কালতন্ত্র (Axial Skeleton) এবং উপাঙ্গীয় কঙ্কালতন্ত্র (Appendicular Skeleton)। এখানে আমরা অক্ষীয় কঙ্কালতন্ত্র নিয়ে আলোচনা করব।

অক্ষীয় কঙ্কালতন্ত্রের মূল উপাদান 🧱

অক্ষীয় কঙ্কালতন্ত্র মানবদেহের উল্লম্ব অক্ষ বরাবর বিস্তৃত এবং প্রধানত নিম্নলিখিত অংশগুলো নিয়ে গঠিত:

  • করোটি (Skull): এটি মস্তিষ্ককে সুরক্ষা দেয়। করোটিতে মোট ২৯টি হাড় থাকে। 🧠
  • মেরুদণ্ড (Vertebral Column): এটি দেহকে সোজা রাখতে এবং স্নায়ুরজ্জুকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। মেরুদণ্ডে ৩৩টি কশেরুকা থাকে। 척추
  • বক্ষপিঞ্জর (Thoracic Cage): এটি হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসকে রক্ষা করে। বক্ষপিঞ্জরে ১২ জোড়া পঞ্জর এবং স্টারনাম (Sternum) থাকে। 🫁❤️

করোটি: বিস্তারিত 💀

করোটিকে আরও দুইটি অংশে ভাগ করা যায়:

  1. করোটিকা (Cranium): যা মস্তিষ্ককে আবৃত রাখে।
  2. মুখমণ্ডলীয় অস্থি (Facial Bones): যা মুখের গঠন তৈরি করে।

করোটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ হাড়:

  • ফ্রন্টাল (Frontal)
  • প্যারাইটাল (Parietal)
  • টেম্পোরাল (Temporal)
  • অক্সিপিটাল (Occipital)
  • ম্যাক্সিলা (Maxilla)
  • ম্যান্ডিবল (Mandible)

মেরুদণ্ড: গঠন ও কাজ 🦴

মেরুদণ্ড কশেরুকা নামক ছোট ছোট হাড় দিয়ে গঠিত। কশেরুকাগুলো একটির উপর আরেকটি সজ্জিত হয়ে মেরুদণ্ড তৈরি করে। মেরুদণ্ডের প্রধান কাজগুলো হলো:

  • দেহের কাঠামো গঠন করা
  • স্নায়ুরজ্জুকে রক্ষা করা
  • দেহের নড়াচড়ায় সাহায্য করা

মেরুদণ্ডের বিভিন্ন অঞ্চলের কশেরুকা সংখ্যা:

অঞ্চল কশেরুকার সংখ্যা
সার্ভিক্যাল (Cervical) ৭
থোরাসিক (Thoracic) ১২
লাম্বার (Lumbar) ৫
স্যাক্রাল (Sacral) ৫ (সংযুক্ত)
কক্কিজিয়াল (Coccygeal) ৪ (সংযুক্ত)

বক্ষপিঞ্জর: সুরক্ষা ও শ্বাস-প্রশ্বাস 🛡️

বক্ষপিঞ্জর হৃদপিণ্ড, ফুসফুস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে সুরক্ষা দেয়। এটি শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। বক্ষপিঞ্জরের অংশগুলো হলো:

  • পঞ্জর (Ribs): ১২ জোড়া পঞ্জর মেরুদণ্ড থেকে শুরু হয়ে সামনের দিকে স্টারনামের সাথে যুক্ত থাকে।
  • স্টারনাম (Sternum): এটি একটি লম্বা, চ্যাপ্টা হাড় যা পঞ্জরগুলোকে বুকের সামনে ধরে রাখে।

অক্ষীয় কঙ্কালতন্ত্রের গুরুত্ব 💯

অক্ষীয় কঙ্কালতন্ত্র মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু দেহের কাঠামো তৈরি করে না, বরং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে এবং নড়াচড়ায় সহায়তা করে। সুস্থ জীবন ধারণের জন্য অক্ষীয় কঙ্কালতন্ত্রের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। 💪

Option A Explanation:
  • করোটি: করোটি হলো মানবদেহের সামনে ও পেছনের অংশের অংশ, যা মাথার খুলি ও হাড়ের গঠন দ্বারা গঠিত। এটি মূলত মাথার খুলি ও মুখের হাড়ের সমন্বয়ে তৈরি।
  • মেরুদণ্ড: মেরুদণ্ড বা কচ্ছপের কলাম হলো একটি দীর্ঘ, ধারাবাহিক হাড়ের সারি যা শরীরের মূল কাঠামো গঠন করে। এটি মাথা থেকে শুরু করে কুঁজ পর্যন্ত বিস্তৃত, এবং শরীরের স্থিতিশীলতা ও অঙ্গসংস্থান রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
  • মেরুদণ্ড: এটি মানবদেহের কেন্দ্রীয় অক্ষীয় কঙ্কালের মূল অংশ, যা মাথা থেকে শুরু করে কোমর পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি শরীরের সাপোর্ট দেয় এবং আঘাতের থেকে আঞ্চলিক অঙ্গে রক্ষা করে।
  • বক্ষ অস্থিচক্র: এটি মূলত বুকের অংশ, যা হাঁটু থেকে উপরে অবস্থিত। এতে থাকা কংকালীয় অস্থিগুলি অন্তঃসত্ত্বা অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যেমন হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস সংরক্ষণ করে।
Option C Explanation:
  1. করোটি: এটি হলো মানবদেহের মাথার খণ্ড, যা মাথার হাড় দ্বারা গঠিত। করোটি মূলত মস্তিষ্ক, চোখ, কান, নাক ও মুখের গঠন সমূহের জন্য দায়ী।
  2. দুই জোড়া উপাঙ্গিক কঙ্কাল: এই অংশে শরীরের দুই জোড়া উপাঙ্গ (অর্থাৎ দুই হাত ও দুই পা) অন্তর্ভুক্ত।
  3. বর্ণনা: এই উপাঙ্গিক কঙ্কাল মানবদেহের চলাচল, হাতের কার্যক্রম ও অবাধ গমনাগমন সম্ভব করে।
  4. উপসংহার: এই কাঠামো মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও তাদের কার্যাবলী সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option D Explanation:
  • মেরুদণ্ড: মানবদেহের মূল অক্ষীয় কঙ্কালতন্ত্রের অংশ যা শরীরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এটি বিভিন্ন সংযোগস্থলের মাধ্যমে একসাথে যুক্ত থাকে এবং শরীরের উপরের ও নিচের অংশকে সংযুক্ত করে থাকে।
  • স্নায়ুরজ্জু: এটি Nervous System এর অংশ, যা দেহের বিভিন্ন অংশে সংকেত পাঠায় এবং গ্রহণ করে। স্নায়ুরজ্জুগুলির মাধ্যমে দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন হয়, যা শারীরিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।