টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

উপকূল হতে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা?

A. ১২ নটিক্যাল মাইল
B. ২০০ নটিক্যাল মাইল
C. ২২০ নটিক্যাল মাইল
D. ১২০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তরঃ B. ২০০ নটিক্যাল মাইল
Explanation:

Another Explanation (5):

উপকূল থেকে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা: একটি বিস্তারিত আলোচনা 🌊

ভূমিকা

বাংলাদেশ একটি উপকূলীয় রাষ্ট্র। বঙ্গোপসাগরের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা কৌশলগত এবং অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সমুদ্রসীমা নির্ধারণের আন্তর্জাতিক আইন 📜

জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশন (UNCLOS) অনুযায়ী, একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের সমুদ্রসীমা কয়েকটি ভাগে বিভক্ত, যা নিম্নরূপ:
  1. টেরিটোরিয়াল সমুদ্র (Territorial Sea): ভিত্তি রেখা থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত। এই অঞ্চলে বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার বিদ্যমান। 🇧🇩
  2. সংলগ্ন অঞ্চল (Contiguous Zone): ভিত্তি রেখা থেকে ২৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত। এখানে বাংলাদেশ কাস্টমস, ইমিগ্রেশন, স্বাস্থ্যবিধি ইত্যাদি বিষয়ে আইন প্রয়োগ করতে পারে।👮
  3. এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন (Exclusive Economic Zone - EEZ): ভিত্তি রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত। এই অঞ্চলে বাংলাদেশ মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ সহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান ও আহরণ করতে পারে। 🎣💎
  4. কন্টিনেন্টাল শেলফ (Continental Shelf): এটি EEZ-এর বাইরেও বিস্তৃত হতে পারে, তবে UNCLOS অনুযায়ী এর সীমা নির্ধারিত আছে। কন্টিনেন্টাল শেলফে বাংলাদেশ সমুদ্র তলদেশের খনিজ সম্পদ উত্তোলনের অধিকার রাখে। ⛏️

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা: ২০০ নটিক্যাল মাইল 📏

* বাংলাদেশের EEZ হলো উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত। এই অঞ্চলে বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অধিকার রয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ

* মৎস্য সম্পদ: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য সম্পদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। EEZ-এর মধ্যে মৎস্য আহরণের অধিকার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক। 🐟🦀 * খনিজ সম্পদ: সমুদ্রের তলদেশে তেল, গ্যাস সহ মূল্যবান খনিজ সম্পদ বিদ্যমান। এই সম্পদ আহরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। ⛽ * জাহাজ চলাচল: বঙ্গোপসাগর একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। সমুদ্রসীমা ব্যবহার করে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অংশগ্রহণ করে। 🚢 * নিরাপত্তা: সমুদ্রসীমা দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 🛡️

সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ ⚔️

মায়ানমার ও ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ ছিল, যা আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে। 🤝

সমুদ্রসীমার ব্যবহার 📊

ক্ষেত্র গুরুত্ব
মৎস্য আহরণ খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে অবদান রাখে।
খনিজ সম্পদ উত্তোলন জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
বন্দর ও জাহাজ চলাচল বাণিজ্য এবং যোগাযোগ বৃদ্ধি করে।
পর্যটন অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। 🏖️

উপসংহার

উপকূল থেকে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত। এই অঞ্চলের যথাযথ ব্যবহার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে।🌊🇧🇩🎉