টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদে বিশেষ এক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জননকোষ সৃষ্টি হয়। এই প্রক্রিয়ার কোনো এক ধাপে ক্রোমোজমের মধ্যে ক্রস চিহ্নের সৃষ্টি হয়ে থাকে। 

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রক্রিয়াটি হলো


A.

অ্যামাইটোসিস

B.

দ্বিবিভাজন 

C.

মিয়োসিস 

D.

মাইটোসিস 

সঠিক উত্তরঃ C.

মিয়োসিস 

Explanation:

Another Explanation (5):

উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদে জননকোষ সৃষ্টি প্রক্রিয়া: মিয়োসিস

উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদে জননকোষ (স্পোর বা গ্যামেট) তৈরির জন্য একটি বিশেষ প্রক্রিয়া ঘটে, যা হলো মিয়োসিস। এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে ক্রোমোজমের মধ্যে বিশেষ ধরণের পরিবর্তন ও বিন্যাস ঘটে। নিচে এই প্রক্রিয়ার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

মিয়োসিসের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদে জননকোষ সৃষ্টি করে মাইটোসিস এর মাধ্যমে।
  • প্রক্রিয়াটি মূলত মিয়োসিস নামে পরিচিত।
  • এই প্রক্রিয়ায় ক্রোমোজমের মধ্যে ক্রসিং ওভার বা ক্রস চিহ্নের সৃষ্টি হয়।
  • ক্রসিং ওভারের ফলে জেনেটিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়।

মিয়োসিসের ধাপসমূহ:

ধাপ বর্ণনা নোট
প্রারম্ভিক ডিপ্লয়েড (Prophase I) ক্রোমোজমের সঙ্গে ক্রসিং ওভার হয়, যেখানে ক্রস চিহ্নের সৃষ্টি ঘটে। এখানে জেনেটিক রকমের পরিবর্তন হয়।
মেটাফেজ I ক্রোমোসোম জোড়া সরাসরি মঞ্চে আসে। ক্রসিং ওভার এর ফলে নতুন সংমিশ্রণ ঘটে।
অ্যানাফেজ I ক্রোমোসোমের যুগ্ম জোড়া পৃথক হয়। জেনেটিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়।
টেলোফেজ I ও মাইটোসিস দুটি নিউক্লিয়াস গঠিত হয়। প্রথম ধাপের সমাপ্তি।
মিয়োসিস II প্রতিটি নিউক্লিয়াসে আবার মাইটোসিসের মতো বিভাজন ঘটে। ক্রসিং ওভার পুনরায় ঘটে না।
শেষ ধাপ চারটি হাফ সাইজের গ্যামেট তৈরি হয়। প্রতিটি গ্যামেটের ক্রোমোজমের সংখ্যা ডিপ্লয়েডের অর্ধেক।

উপসংহার:

এভাবে মিয়োসিস এর সময় ক্রসিং ওভার বা ক্রস চিহ্নের সৃষ্টি হয়, যা জেনেটিক বৈচিত্র্য বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি উদ্ভিদের উচ্চ শ্রেণিতে জননকোষের উৎপাদনে অপরিহার্য প্রক্রিয়া। 🌱✨

Option A Explanation:
  • অ্যামাইটোসিস হলো একটি কোষের বিভাজনের প্রক্রিয়া যেখানে নিউক্লিয়াসের বিভাজন ঘটে, কিন্তু সেলুলার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিভাজন হয় না।
  • এটি মূলতঃ কোষের নিউক্লিয়াসের ডিএনএ কপি করে নতুন নিউক্লিয়াস গঠন করে, যা সাধারণতঃ কোষের বৃদ্ধি, মেরামত বা পুনঃপ্রজননের জন্য হয়।
  • অ্যামাইটোসিসের ফলে দুটি identical নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়, যা মূল কোষের জিনগত তথ্যের অখণ্ডতা বজায় রাখে।
  • এই প্রক্রিয়াটি সাধারণতঃ সহজ, দ্রুত এবং কম জটিল, এবং এটি বিশেষ করে নিউক্লিয়াসের বিভাজনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:

দ্বিবিভাজন (Binary Fission)

  • দ্বিবিভাজন হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে একক জীবের কোষ বা অঙ্গপ্রতঙ্গ দুটি সমান ভাগে বিভক্ত হয়।
  • এটি মূলত অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সরল বিভাজন প্রক্রিয়া, যা সাধারণত এককোষী অণুজীব যেমন ব্যাকটেরিয়া, আক্রমণকারী অণুজীব ও কিছু অর্ধ-সুদৃঢ় উদ্ভিদে দেখা যায়।
  • প্রক্রিয়াটি সাধারণত নিম্নলিখিত ধাপে সম্পন্ন হয়:
    • কোষের ডিএনএ প্রতিলিপি করে ডাবল করে।
    • কোষের পর্দা বা সাইটোপ্লাজম বিভাজিত হয়।
    • দুটি নতুন কোষ গঠিত হয়, যা মূল কোষের সমান।
  • প্রক্রিয়াটি দ্রুত ঘটে এবং সাধারণত এককোষী অণুজীবের বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • এটি একটি সরল ও সরাসরি বিভাজন প্রক্রিয়া, যেখানে ক্রস চিহ্ন বা ক্রসিং ওভার ধরণের জটিলতা দেখা যায় না।
Option C Explanation:
  • মিয়োসিস হলো একটি বিশেষ ধরণের বিভাজন প্রক্রিয়া যা মূলত গুণনীয় কোষের জন্য ঘটে।
  • এটি মূলত যৌনাঙ্গের উদ্ভিদ, প্রাণী ও উদ্ভিদে জননকোষ (যেমন অণ্ডকোষ ও ডিম্বাণু) তৈরির জন্য জরুরি।
  • মিয়োসিসের মাধ্যমে জেনেটিক উপাদানের সংখ্যা অর্ধেক হয়, অর্থাৎ দ্বিগুণ হয় না।
  • এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দুটি পর্ব থাকে: মিয়োসিস I ও মিয়োসিস II।
  • প্রথম ধাপে ক্রসিং ওভার বা ক্রস চিহ্নের সৃষ্টি হয়, যা জেনেটিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে।
  • প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ, চারটি সন্তানকোষ উৎপন্ন হয়, যেগুলি ডিম্বাণু বা শুক্রাণু হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • মাইটোসিস: এটি একটি কোষের বিভাজনের প্রক্রিয়া, যেখানে একটি মূল কোষ থেকে দুটি ডিএনএ সমানভাবে বিভক্ত হয়ে দুইটি নতুন কোষ তৈরি হয়।
  • প্রক্রিয়াটির ধাপসমূহ অন্তর্ভুক্ত: প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ, এবং সাইটোকাইনেসিস।
  • মাইটোসিস সাধারণত শরীরের কোষের বৃদ্ধির জন্য এবং ক্ষত সারানোর জন্য ঘটে।
  • এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জেনেটিক উপাদান বা ডিএনএ সমানভাবে বিতরণ হয়, যাতে নতুন কোষগুলো মূল কোষের মতো একই জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।