টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নাহিদা বর্ষাকালে ফরিদপুর থেকে ঢাকা আসার পথে দেখলো একটি প্রাণী হঠাৎ করে পানির উপরে উঠে আবার ডুবে গেলো। নাহিদার বাবা বললেন ওটা শুশুক।


উদ্দীপকের প্রাণীটি কোন প্রাণী ভৌগোলিক অঞ্চলের?


A.

অস্ট্রেলিয়ান 

B.

নিউট্রফিক

C.

ইথিওপিয়ান 

D.

ওরিয়েন্টাল 

সঠিক উত্তরঃ D.

ওরিয়েন্টাল 

Explanation:

Another Explanation (5):

শুশুক: ওরিয়েন্টাল অঞ্চলের প্রাণী 🐬

নাহিদার দেখা শুশুক (Platanista gangetica) মূলত ওরিয়েন্টাল প্রাণী ভৌগোলিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এই অঞ্চলটি ভারতীয় উপমহাদেশ এবং এর आसपासের এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। নিচে এর ভৌগোলিক অবস্থান এবং বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো:

ওরিয়েন্টাল অঞ্চল পরিচিতি 🌏

  • অবস্থান: এশিয়া মহাদেশের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উপ-গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অংশ।
  • বিস্তৃতি:
    • ভারত 🇮🇳
    • বাংলাদেশ 🇧🇩
    • মায়ানমার 🇲🇲
    • শ্রীলঙ্কা 🇱🇰
    • ইন্দোনেশিয়া (কিছু অংশ) 🇮🇩
    • মালয়েশিয়া 🇲🇾
    • থাইল্যান্ড 🇹🇭
    • দক্ষিণ চীন 🇨🇳
  • জলবায়ু: উষ্ণ এবং আর্দ্র। বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। 🌧️
  • বৈশিষ্ট্য: বিভিন্ন ধরনের বনভূমি, নদী, হ্রদ এবং জলাভূমি বিদ্যমান। 🏞️

শুশুকের ওরিয়েন্টাল অঞ্চলে বসবাসের কারণ 🤔

  1. নদীর প্রাচুর্যতা: শুশুক মিঠা পানির প্রাণী এবং এই অঞ্চলে গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনার মতো বৃহৎ নদী রয়েছে। 🌊
  2. উপযুক্ত পরিবেশ: নদীর গভীরতা, পানির গুণাগুণ এবং খাদ্য उपलब्धता শুশুকের বসবাসের জন্য অনুকূল।
  3. আশ্রয়স্থল: নদীর পাড়ের কাছাকাছি শান্ত এবং অগভীর জল শুশুকের প্রজনন এবং বাচ্চার সুরক্ষার জন্য উপযুক্ত।

শুশুকের বৈশিষ্ট্য 🧐

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
বৈজ্ঞানিক নাম Platanista gangetica
আকার ২-২.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।📏
খাদ্য ছোট মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণী। 🐠
সংরক্ষণ অবস্থা বিপন্ন (Endangered)। ⚠️
চোখ প্রায় অন্ধ, শব্দ করে পথ চলে।🔊

সংরক্ষণ প্রয়োজন ⚠️

শুশুক বর্তমানে বিপন্ন প্রাণী। এদের সংরক্ষণের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেয়া উচিত। দূষণ কমানো, নদীর নাব্যতা ঠিক রাখা এবং শিকার বন্ধ করা প্রয়োজন। 🙏

আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে নাহিদার দেখা প্রাণী শুশুক সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে এবং এটি কেন ওরিয়েন্টাল অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, তা বোঝা গেছে। 😊

Option A Explanation:

অস্ট্রেলিয়ান

  • অস্ট্রেলিয়ান প্রানীভূমি বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে প্রাচীন এবং অনন্য প্রাণীদের জন্য পরিচিত।
  • এটি পৃথিবীর একমাত্র মহাদেশ যেখানে অনেক প্রকারের এন্ডেমিক প্রাণী পাওয়া যায়, যার মধ্যে অনেকগুলোই এই মহাদেশের বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
  • অস্ট্রেলিয়ান এন্ডেমিক প্রাণীদের মধ্যে ঘড়িয়াল ও মিঠাপানির কুমির অন্যতম, যেগুলি মূলত এই অঞ্চলের জলাভূমি ও নদীসমূহে দেখা যায়।
  • এই প্রাণীরা অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় পরিবেশের অংশ, এবং তাদের বাসস্থান ও জীবনযাত্রা এই মহাদেশের জলজ পরিবেশের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত।
Option B Explanation:
  • নিউট্রফিক অঞ্চল: এই অঞ্চলটি উত্তর আমেরিকার পশ্চিম উপকূলের সাথে সম্পর্কিত।
  • প্রাণীর বৈচিত্র্য: নিউট্রফিক অঞ্চলে বিভিন্ন জলজ প্রাণী দেখা যায়, যার মধ্যে শুশুক (অরকাস) অন্যতম।
  • প্রাকৃতিক বাসস্থান: এই অঞ্চলটি মূলত হ্রদ, নদী, উপসাগর ও উপকূলীয় অঞ্চলে বিস্তৃত।
  • শুশুকের উপস্থিতি: নিউট্রফিক অঞ্চলে শুশুকের প্রজাতি পাওয়া যায়, যা তাদের জলজ পরিবেশের সাথে মানানসই।
Option C Explanation:
  • ইথিওপিয়ান প্রজাতি: ইথিওপিয়ান প্রজাতি হলো সেই প্রজাতিগুলি যা শুধুমাত্র ইথিওপিয়া ভূখণ্ডে পাওয়া যায়।
  • প্রাকৃতিক পরিবেশ: এই প্রজাতিগুলি সাধারণত উষ্ণ এবং শুষ্ক আবহাওয়া সম্পন্ন অঞ্চলে বাস করে, যেমন মরুভূমি এবং শ্যামলক্ষেত্র।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এদের শারীরিক গঠন ও জীবনযাত্রার ধরণ অন্য প্রজাতিগুলির থেকে আলাদা, যা তাদের স্থানীয় পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়া।
  • প্রজনন ও খাদ্যাভ্যাস: ইথিওপিয়ান প্রজাতিগুলি নির্দিষ্ট ধরনের খাদ্য গ্রহণ করে এবং নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে প্রজনন করে, যা তাদের অনন্য বৈশিষ্ট্য।
Option D Explanation:
  • অঞ্চল: ওরিয়েন্টাল অঞ্চল, যা এশিয়া মহাদেশের একটি বৃহৎ অংশকে নির্দেশ করে।
  • অবস্থান: এই অঞ্চলটি ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, এবং পূর্ব এশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ ও প্রদেশের মধ্যে বিস্তৃত।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলটির জলবায়ু সাধারণত উষ্ণ, আর্দ্র ও মৌসুমি।
  • প্রাণী: এই অঞ্চলে অনেক প্রজাতির জীবজন্তু দেখা যায়, যার মধ্যে কিছু বিশেষ প্রজাতি এই অঞ্চলের জন্মভূমি।
  • প্রকৃতি ও বাসস্থান: এই অঞ্চলের বিভিন্ন জলপ্রপাত, নদী, জলাভূমি ও বনভূমি এই অঞ্চলের বিভিন্ন প্রাণীর আবাসস্থল।