টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

প্লাটিপাস কোন ভৌগলিক অঞ্চলের প্রানী-

A. ওরিয়েন্টাল
B. নিউট্রপিক্যাল
C. অস্ট্রেলিয়ান
D. ইথিওপিয়ান
সঠিক উত্তরঃ C. অস্ট্রেলিয়ান
Explanation:

Another Explanation (5):

প্লাটিপাস: এক অস্ট্রেলীয়Iconic প্রাণী 🇦🇺

প্লাটিপাস (Ornithorhynchus anatinus) একটি খুবইUncommon স্তন্যপায়ী প্রাণী। এটি তার অদ্ভুত বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্য পরিচিত, যা একে পৃথিবীর অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণী থেকে আলাদা করেছে। এটি মূলত অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় প্রজাতি। 🤔

ভৌগলিক বিস্তার 🗺️

প্লাটিপাস প্রধানত নিম্নলিখিত অঞ্চলে পাওয়া যায়:

  • পূর্ব অস্ট্রেলিয়া: নিউ সাউথ ওয়েলস, ভিক্টোরিয়া এবং কুইন্সল্যান্ডের কিছু অংশে এদের দেখা যায়।
  • তাসমানিয়া: এই দ্বীপ রাজ্যেও প্লাটিপাসের বসবাস আছে।
  • নদী এবং হ্রদ : মিঠা পানির নদী ও হ্রদ এদের প্রধান আবাসস্থল।🌊

প্লাটিপাসের বৈশিষ্ট্য 🧬

প্লাটিপাসের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. ডিম পাড়া: প্লাটিপাস ডিম পাড়ে, যা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে বিরল।🥚
  2. বিদ্যুৎ সংবেদীতা: এদের ঠোঁট ব্যবহার করে শিকারের সন্ধান করতে পারে। এটি জলের মধ্যে থাকা ছোট প্রাণীদের দ্বারা উত্পন্ন বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রগুলি সনাক্ত করতে পারে।⚡
  3. বিষাক্ততা: পুরুষ প্লাটিপাসের পায়ের গোড়ালিতে বিষাক্ত গ্রন্থি থাকে, যা তারা আত্মরক্ষার জন্য ব্যবহার করে। venomous spurs🛡️
  4. অর্ধ-জলজ জীবন: প্লাটিপাস চমৎকার সাঁতার কাটে এবং জলের নিচে খাবার খুঁজতে পারে। 🏊

প্লাটিপাসের আবাসস্থল 🏞️

প্লাটিপাস সাধারণত পরিষ্কার জলের নদী, হ্রদ এবং পুকুরে বাস করে। তারা নদীর তীরে গর্ত তৈরি করে, যেখানে তারা বিশ্রাম নেয় এবং ডিম পাড়ে।

সংরক্ষণ স্থিতি 🐾

প্লাটিপাস বর্তমানে বিপন্ন না হলেও, এদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। আবাসস্থল ধ্বংস, দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন এদের জন্য হুমকি। এদের সংরক্ষণে মনোযোগ দেওয়া উচিত। 🙏

প্লাটিপাস সম্পর্কে কিছুInteresting তথ্য 💡

বিষয় তথ্য
বৈজ্ঞানিক নাম Ornithorhynchus anatinus
গড় আয়ু 10-15 বছর
খাদ্য কীটপতঙ্গ, লার্ভা, শামুক, এবং ছোট চিংড়ি🐌

আশা করি, এই তথ্যের মাধ্যমে প্লাটিপাস সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 😊

Option A Explanation:
  • অঞ্চল: ওরিয়েন্টাল অঞ্চল, যা এশিয়া মহাদেশের একটি বৃহৎ অংশকে নির্দেশ করে।
  • অবস্থান: এই অঞ্চলটি ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, এবং পূর্ব এশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ ও প্রদেশের মধ্যে বিস্তৃত।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলটির জলবায়ু সাধারণত উষ্ণ, আর্দ্র ও মৌসুমি।
  • প্রাণী: এই অঞ্চলে অনেক প্রজাতির জীবজন্তু দেখা যায়, যার মধ্যে কিছু বিশেষ প্রজাতি এই অঞ্চলের জন্মভূমি।
  • প্রকৃতি ও বাসস্থান: এই অঞ্চলের বিভিন্ন জলপ্রপাত, নদী, জলাভূমি ও বনভূমি এই অঞ্চলের বিভিন্ন প্রাণীর আবাসস্থল।
Option B Explanation:
  • নিউট্রপিক্যাল অঞ্চল: এই অঞ্চলটি পৃথিবীর উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশবিশিষ্ট অঞ্চলসমূহের একটি।
  • এটি সাধারণত মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা, এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার কিছু অংশে বিস্তৃত।
  • নিউট্রপিক্যাল অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের উষ্ণমণ্ডলীয় বন, ঝোপজঙ্গল ও মরুভূমি পাওয়া যায়।
  • প্রাণী ও উদ্ভিদসমূহের বৈচিত্র্য খুবই বেশি, যেখানে অনেক প্রজাতি এই অঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে অনুকূল।
  • উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া এই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করে তোলে।
Option C Explanation:

অস্ট্রেলিয়ান

  • অস্ট্রেলিয়ান প্রানীভূমি বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে প্রাচীন এবং অনন্য প্রাণীদের জন্য পরিচিত।
  • এটি পৃথিবীর একমাত্র মহাদেশ যেখানে অনেক প্রকারের এন্ডেমিক প্রাণী পাওয়া যায়, যার মধ্যে অনেকগুলোই এই মহাদেশের বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
  • অস্ট্রেলিয়ান এন্ডেমিক প্রাণীদের মধ্যে ??ড়িয়াল ও মিঠাপানির কুমির অন্যতম, যেগুলি মূলত এই অঞ্চলের জলাভূমি ও নদীসমূহে দেখা যায়।
  • এই প্রাণীরা অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় পরিবেশের অংশ, এবং তাদের বাসস্থান ও জীবনযাত্রা এই মহাদেশের জলজ পরিবেশের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত।
Option D Explanation:
  • ইথিওপিয়ান প্রজাতি: ইথিওপিয়ান প্রজাতি হলো সেই প্রজাতিগুলি যা শুধুমাত্র ইথিওপিয়া ভূখণ্ডে পাওয়া যায়।
  • প্রাকৃতিক পরিবেশ: এই প্রজাতিগুলি সাধারণত উষ্ণ এবং শুষ্ক আবহাওয়া সম্পন্ন অঞ্চলে বাস করে, যেমন মরুভূমি এবং শ্যামলক্ষেত্র।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এদের শারীরিক গঠন ও জীবনযাত্রার ধরণ অন্য প্রজাতিগুলির থেকে আলাদা, যা তাদের স্থানীয় পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়া।
  • প্রজনন ও খাদ্যাভ্যাস: ইথিওপিয়ান প্রজাতিগুলি নির্দিষ্ট ধরনের খাদ্য গ্রহণ করে এবং নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে প্রজনন করে, যা তাদের অনন্য বৈশিষ্ট্য।