টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোনটি ডায়াচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ? 

A. সুপারকন্ডাকটর 
B. অ্যালকালি পদার্থ
C. ট্রানজিশন মেটাল 
D. ফেরাইট 
সঠিক উত্তরঃ A. সুপারকন্ডাকটর 
Explanation:

Another Explanation (5):

ডায়াচৌম্বক পদার্থ: সুপারকন্ডাক্টর একটি উদাহরণ

ডায়াচৌম্বক পদার্থ হলো সেইসব পদার্থ যা চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে সামান্য পরিমাণে বিকর্ষিত হয়। এদের চৌম্বকীয় ভেদ্যতা (magnetic permeability) ১ এর চেয়ে সামান্য কম। ডায়াচৌম্বক পদার্থে কোনো স্থায়ী চৌম্বকীয় ভ্রামক (magnetic dipole moment) থাকে না। যখন এই পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করা হয়, তখন এর পরমাণুগুলোর মধ্যে একটি ক্ষণস্থায়ী চৌম্বকীয় ভ্রামকের সৃষ্টি হয় যা প্রযুক্ত ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে।

ডায়াচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা সামান্য বিকর্ষিত হয় 🧲.
  • চৌম্বকীয় ভেদ্যতা ১ এর চেয়ে কম 📉.
  • স্থায়ী চৌম্বকীয় ভ্রামক অনুপস্থিত 🚫.
  • ক্ষেত্র সরিয়ে নিলে চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্য হারায় 💨.

সুপারকন্ডাক্টর এবং ডায়াচৌম্বকত্ব:

সুপারকন্ডাক্টর একটি বিশেষ ধরনের ডায়াচৌম্বক পদার্থ যা একটি নির্দিষ্ট সংকট তাপমাত্রার (critical temperature) নিচে অত্যন্ত শক্তিশালী ডায়াচৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। এই ঘটনা মেইসনার প্রভাব (Meissner effect) নামে পরিচিত।

মেইসনার প্রভাব (Meissner Effect):

মেইসনার প্রভাব হলো সুপারকন্ডাক্টরের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। যখন একটি সুপারকন্ডাক্টরকে তার সংকট তাপমাত্রার নিচে ঠান্ডা করা হয় এবং একটি চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে রাখা হয়, তখন এটি সম্পূর্ণরূপে চৌম্বক ক্ষেত্রকে এর অভ্যন্তর থেকে বের করে দেয়। এর ফলে সুপারকন্ডাক্টরের অভ্যন্তরে চৌম্বক ক্ষেত্র শূন্য হয়ে যায়।

এই ঘটনাটি সাধারণ ডায়াচৌম্বক পদার্থ থেকে সুপারকন্ডাক্টরকে আলাদা করে। সাধারণ ডায়াচৌম্বক পদার্থ কেবল সামান্য বিকর্ষণ করে, কিন্তু সুপারকন্ডাক্টর সম্পূর্ণভাবে চৌম্বক ক্ষেত্রকে বহিষ্কার করে। 🚀

অন্যান্য ডায়াচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ:

  • বিসমাথ (Bismuth)
  • রূপা (Silver)
  • সোনা (Gold)
  • পানি (Water) 💧
  • কপার (Copper)
  • মার্কারি (Mercury)

ডায়াচৌম্বক, প্যারাম্যাগনেটিক এবং ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থের মধ্যে পার্থক্য:

বৈশিষ্ট্য ডায়াচৌম্বক প্যারাম্যাগনেটিক ফেরোম্যাগনেটিক
চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাব বিকর্ষিত আকর্ষিত strongly আকর্ষিত
চৌম্বকীয় ভেদ্যতা < 1 > 1 অনেক বেশি >> 1
স্থায়ী চৌম্বকীয় ভ্রামক নেই আছে (দুর্বল) আছে (শক্তিশালী)
উদাহরণ সুপারকন্ডাক্টর, পানি অ্যালুমিনিয়াম, অক্সিজেন লোহা, নিকেল

সুপারকন্ডাক্টর, তার মেইসনার প্রভাবের কারণে, ডায়াচৌম্বক পদার্থের একটি বিশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। 🌟

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি ডায়াচৌম্বক পদার্থ সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 👍