টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

সুসংগত উৎস থেকে নিঃসৃত দুটি আলোক তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে কোনো বিন্দুতে আলোক তীব্রতা বৃদ্ধি পায় আবার কোনো বিন্দুতে তীব্রতা হ্রাস পায়। একে বলে

A. সমবর্তন
B. বিচ্ছুরণ
C. ব্যতিচার
D. অপবর্তন
সঠিক উত্তরঃ C. ব্যতিচার
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়, যখন দুটি সুসংগত উৎস থেকে নিঃসৃত আলোক তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে কিছু বিন্দুতে আলোক তীব্রতা বৃদ্ধি পায়, আবার কিছু বিন্দুতে তীব্রতা হ্রাস পায়, তখন এ ধরণের ঘটনাকে বলা হয় ব্যতিচার। এটি আলোর তরঙ্গের মধ্যে ইন্টারফেরেন্স এর একটি বিশেষ ধরণ, যেখানে তরঙ্গের পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় কিছু বিন্দুতে তরঙ্গের উপাদান একত্রিত হয়ে তীব্রতা বৃদ্ধি করে (সুপারপজিশন), আবার কিছু বিন্দুতে তরঙ্গের উপাদান পরস্পর বিপরীত হওয়ায় তীব্রতা হ্রাস বা শূন্য হয়। এই প্রক্রিয়াকে সহজভাবে বোঝাতে নিচে কিছু মূল ধারণা দেওয়া হলো:
  1. ইন্টারফেরেন্স (Interference): দুটি বা তার বেশি তরঙ্গের সমান্তরাল অবস্থানে মিলনে তাদের অমিল বা সমান হলে তরঙ্গের ফলাফল পরিবর্তিত হয়।
  2. সুসংগত উৎস (Coherent sources): একই উৎস থেকে উৎপন্ন তরঙ্গ, যার ফেজের পার্থক্য নির্দিষ্ট ও স্থির থাকে।
  3. নিঃসৃত তরঙ্গের উপরিপাতন (Superposition of Waves): তরঙ্গের অমিল বা যোগফল দ্বারা বিন্দুতে তীব্রতা নির্ধারিত হয়।
  4. বিন্দুতে তীব্রতা বৃদ্ধি (Constructive Interference): যখন দুটির ফেজ সামঞ্জস্যপ???র্ণ হয়, তখন তরঙ্গের অমিল যোগ হয় এবং আলোক তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।
  5. বিন্দুতে তীব্রতা হ্রাস (Destructive Interference): যখন দুটির ফেজ বিপরীত হয়, তখন তরঙ্গের অমিল বিয়োগ হয় এবং তীব্রতা কমে যায় বা শূন্য হয়।
উপসংহার হিসেবে, এই ধরণের ঘটনা আলোর তরঙ্গের তরঙ্গগত বৈশিষ্ট্য বোঝায় এবং এর মাধ্যমে আলোকবিজ্ঞানে বিশ্লেষণ ও গবেষণার পথ প্রশস্ত হয়।