টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

যকৃত কৃমির বৈজ্ঞানিক নাম-

A. Ascearis lubricoides
B. Wuchereria bancrofti
C. Fasciola hepatica
D. A.duodenale
সঠিক উত্তরঃ C. Fasciola hepatica
Explanation:

Another Explanation (5):

Fasciola hepatica: যকৃত কৃমি - একটি একাডেমিক আলোচনা 🧐

Fasciola hepatica, সাধারণভাবে যকৃত কৃমি নামে পরিচিত, একটি পরজীবী চ্যাপ্টা কৃমি (Trematode)। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের, বিশেষ করে ভেড়া, ছাগল এবং গবাদি পশুর যকৃতে বাস করে। এটি Fascioliasis নামক রোগের কারণ। নিচে এই পরজীবীর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হলো:

শ্রেণীবিন্যাস 🧬

  • Kingdom: Animalia
  • Phylum: Platyhelminthes (Plat মানে চ্যাপ্টা, helminthes মানে কৃমি)
  • Class: Trematoda
  • Order: Echinostomida
  • Family: Fasciolidae
  • Genus: Fasciola
  • Species: Fasciola hepatica

আকার ও গঠন 📏

Fasciola hepatica একটি বড় আকারের চ্যাপ্টা কৃমি। প্রাপ্তবয়স্ক কৃমি ৩০ মিমি পর্যন্ত লম্বা এবং ১৩ মিমি পর্যন্ত চওড়া হতে পারে। এদের দেহ ডিম্বাকৃতির এবং মাংসল। এদের সামনের দিকে একটি মৌখিক চোষক এবং পেছনের দিকে একটি ভেন্ট্রাল চোষক থাকে।

Fasciola hepatica

Fasciola hepatica - এর ছবি

জীবন চক্র ♻️

Fasciola hepatica-এর জীবন চক্র জটিল এবং দুটি ভিন্ন পোষকের (host) প্রয়োজন হয়: একটি প্রধান পোষক (definitive host) এবং একটি মধ্যবর্তী পোষক (intermediate host)।

  1. ডিম: পরজীবী প্রধান পোষকের (যেমন ভেড়া) পিত্তনালীতে ডিম পাড়ে। ডিমগুলো মলের সাথে বের হয়ে আসে।
  2. মিরাসিডিয়াম: উপযুক্ত পরিবেশে (যেমন জল) ডিম ফুটে মিরাসিডিয়াম লার্ভা বের হয়।
  3. স্পোরোসিস্ট: মিরাসিডিয়াম একটি মধ্যবর্তী পোষক (সাধারণত শামুক) এর মধ্যে প্রবেশ করে এবং স্পোরোসিস্টে পরিণত হয়।
  4. রেডিয়া: স্পোরোসিস্টের মধ্যে রেডিয়া লার্ভা তৈরি হয়।
  5. সারকারিয়া: রেডিয়ার মধ্যে সারকারিয়া লার্ভা তৈরি হয়, যা শামুক থেকে বের হয়ে আসে।
  6. মেটাসারকারিয়া: সারকারিয়া জলের ধারে ঘাস বা জলজ উদ্ভিদে লেগে মেটাসারকারিয়া নামক সিস্ট গঠন করে।
  7. পূর্ণাঙ্গ কৃমি: প্রধান পোষক দূষিত ঘাস খাওয়ার মাধ্যমে মেটাসারকারিয়া গ্রহণ করে। এটি ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে যকৃতে স্থানান্তরিত হয় এবং পিত্তনালীতে বসবাস করে পূর্ণাঙ্গ কৃমিতে পরিণত হয়।

রোগের লক্ষণ ও বিস্তার 🤕

Fascioliasis রোগের লক্ষণগুলি সংক্রমণের তীব্রতার উপর নির্ভর করে। প্রাথমিক পর্যায়ে পেটে ব্যথা, জ্বর এবং বমি হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণে যকৃতের ক্ষতি, জন্ডিস এবং রক্তাল্পতা দেখা দিতে পারে। দূষিত জল ও ঘাস খাওয়ার মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়।

রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা 🩺

পদ্ধতি বিবরণ
মল পরীক্ষা মলের মধ্যে ডিম খুঁজে বের করা হয়।
রক্ত পরীক্ষা অ্যান্টিবডি সনাক্ত করা যায়।
আলট্রাসাউন্ড যকৃতের ক্ষতি নির্ণয় করা যায়।

Fascioliasis-এর চিকিৎসায় সাধারণত Triclabendazole নামক ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও, পরিষ্কার পরিছন্নতা এবং গবাদি পশুর সঠিক পরিচর্যা এই রোগ প্রতিরোধের জন্য জরুরি।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা 🛡️

  • পশু খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের পূর্বে ঘাস শুকিয়ে নেওয়া অথবা সাইলেজ তৈরি করা।
  • জমিতে নাইট্রেট সার ব্যবহার করা যা শামুক মারতে সাহায্য করে।
  • পশুকে নিয়মিত কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানো।
  • মানুষের ক্ষেত্রে ভালোভাবে শাকসবজি ও ফলমূল ধুয়ে খাওয়া।
  • দূষিত জল পান করা থেকে বিরত থাকা।

আশা করি এই আলোচনা Fasciola hepatica সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সহায়ক হবে। 👍

Option A Explanation:
  • অর্থ: Ascaris lumbricoides হল একটি পরজীবী পরিপাকতন্ত্রের কৃমি, যা মানবদেহে পুষ্টি গ্রহণ করে।
  • বৈশিষ্ট্য: এটি বৃহৎ আকারের পরজীবী, যা সাধারণত পেটের মধ্যে বাস করে।
  • আবাস্থান: মানবদেহের চোখে দেখা যায় না, তবে অতি সাধারণত অর্শ্বরোগে দেখা যায়।
  • সংক্রমণের উপায়: দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
  • প্রভাব: সংক্রমিত হলে পেটের সমস্যা, অস্বস্তি, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি হতে পারে।
Option B Explanation:
  • Wuchereria bancrofti হল এক প্রকার পরজীবী, যা ফিলারিয়ালিয়াসিসের কারণ হয়ে থাকে।
  • এটি মূলত মানুষের লিম্ফাটিক সিস্টেমে বাস করে এবং লিম্ফা প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে।
  • এটি মূলত মশার মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমে বৃদ্ধি পায়।
  • অন্তর্বর্তী হোস্ট হিসেবে সাধারণত Anopheles বা Culex প্রজাতির মশা কাজ করে।
  • প্রধান উপসর্গের মধ্যে ফোলা, অস্বস্তি এবং লিম্ফেডেমা দেখা যায়, যা সাধারণত পায়ে বা অন্যান্য অংশে হয়ে থাকে।
  • এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী পরজীবী, যা মানবদেহে দীর্ঘ সময় বাস করতে পারে এবং সুস্থ জীবনে সমস্যার সৃষ্টি করে।
Option C Explanation:
  • প্রজাতি: Fasciola hepatica
  • প্রকার: অ্যাসিলোমেট (Acoelomate)
  • বর্ণনা: Fasciola hepatica হল এক ধরনের পরজীবী ফ্লুক, যা সাধারণত গবাদিপশু এবং মানবদেহে লিভার ফ্লুকের রূপে পাওয়া যায়।
  • অঞ্চল: এটি প্রধানত ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও এশিয়ার উষ্ণ অঞ্চলগুলোতে পাওয়া যায়।
  • অঙ্গসমূহ: এর দেহের গঠন সাধারণত অঁকো হয়, যেখানে কোনও স্লিট বা খাঁজ নেই, যা এটিকে অ্যাসিলোমেট বলে পরিচিত করে।
  • অঙ্গসংস্থান: Fasciola hepatica এর দেহের অভ্যন্তরে কোনও স্লিট বা স্লিটের অভাব থাকায় এটি অ্যাসিলোমেট বলে গণ্য।
Option D Explanation:
  • নাম: A. duodenale
  • প্রকার: ন্যূনতম কৃমি (নেম??টোড) বা পরিপাকতন্ত্রের পরজীবী
  • বৈশিষ্ট্য: এটি হেলমথিয়াসিস বা আংকিলোস্টোমাইসিসের কারণ, যা ডাইজেস্টিভ সিস্টেমে ক্ষতি করে
  • অবস্থান: সাধারণত দন্ত বা জিহ্বার মধ্যে থাকে, তবে অন্ত্রে উপস্থিত হতে পারে
  • উৎপত্তি: মানবদেহের মধ্যে পরজীবী হিসেবে বাস করে
  • প্রভাব: পেটব্যথা, অজ্ঞানতা, পেটের অস্বস্তি ইত্যাদি লক্ষণ হতে পারে