টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কুনোব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম-

A. Copsychus saularis
B. Hemidactylus brooki
C. Pila globosa
D. Duttaphrynus melanostictus
সঠিক উত্তরঃ D. Duttaphrynus melanostictus
Explanation:

Another Explanation (5):

কুনোব্যাঙ: একটি একাডেমিক আলোচনা🐸

কুনোব্যাঙ, যা আমাদের চারপাশে প্রায়ই দেখা যায়, জীবজগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এর বৈজ্ঞানিক নাম Duttaphrynus melanostictus। নিচে এই প্রাণীটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

শ্রেণীবিন্যাস 🌳

  • জগৎ (Kingdom): Animalia
  • পর্ব (Phylum): Chordata
  • শ্রেণী (Class): Amphibia
  • বর্গ (Order): Anura
  • পরিবার (Family): Bufonidae
  • গণ (Genus): Duttaphrynus
  • প্রজাতি (Species): Duttaphrynus melanostictus

শারীরিক গঠন 📏

কুনোব্যাঙের শরীর সাধারণত ছোট এবং ফোলা হয়। এদের ত্বক শুষ্ক এবং অমসৃণ। ত্বকের ওপর ছোট ছোট疣 (Warts) দেখা যায়। এদের পশ্চাৎপদ সামনের পায়ের চেয়ে বড় হওয়ায় লাফাতে সুবিধা হয়।

আবাসস্থল 🏠

এরা সাধারণত বিভিন্ন ধরনের পরিবেশে বাস করতে পারে, যেমন: জঙ্গল, তৃণভূমি, এমনকি মানুষের বসতিতেও এদের দেখা যায়। আর্দ্র এবং ছায়াযুক্ত স্থান এদের বেশি পছন্দ।

খাদ্যাভ্যাস 🐛

কুনোব্যাঙ মূলত কীটভুক। এরা বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়, পিঁপড়া, মাকড়সা ইত্যাদি খেয়ে থাকে।

জীবনচক্র مراحل الحياة

  1. ডিম 🥚: স্ত্রী কুনোব্যাঙ পানিতে ডিম পাড়ে।
  2. লার্ভা বা ব্যাঙাচি 🐠: ডিম ফুটে লার্ভা বের হয়, যা ব্যাঙাচি নামে পরিচিত। এদেরexternal ফুলকা থাকে।
  3. রূপান্তর 🔄: ব্যাঙাচি ধীরে ধীরে ছোট ব্যাঙে রূপান্তরিত হয়। এই সময় এদেরinternal ফুলকা ও পা গজায়।
  4. পূর্ণাঙ্গ ব্যাঙ 🐸: অবশেষে এটি পূর্ণাঙ্গ কুনোব্যাঙে পরিণত হয়।

বৈশিষ্ট্যসূচক বিষয়াবলী 👍

  • ত্বকের বিষগ্রন্থি 🧪: এদের ত্বকে বিষগ্রন্থি থাকে যা শিকারী প্রাণীদের থেকে নিজেদের রক্ষা করে।
  • রাতের বেলায় সক্রিয় 🌃: এরা নিশাচর প্রাণী, তাই রাতে এদের বেশি দেখা যায়।
  • পরিবেশের সাথে অভিযোজন Adaptation🌱: এরা খুব সহজেই পরিবেশের সাথে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে।

সংরক্ষণ Conservation 🌍

কুনোব্যাঙ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এদের সংখ্যা কমে গেলে পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়ে যেতে পারে। তাই এদের সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে এবং এদের আবাসস্থল রক্ষা করে এদের বাঁচানো সম্ভব।

তথ্যসংক্ষেপ 📊

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
বৈজ্ঞানিক নাম Duttaphrynus melanostictus
আবাসস্থল জঙ্গল, তৃণভূমি, বসতি এলাকা
খাদ্য কীটপতঙ্গ
জীবনকাল প্রায় ৫-১০ বছর

আশা করি, এই আলোচনা থেকে কুনোব্যাঙ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 🤔 আরও জানতে চান? 😊

Option A Explanation:
  • নাম: Copsychus saularis
  • পরিবার: সাইরাসিডি (Cisticolidae)
  • বর্ণনা: এটি একটি ছোটো পাখি যা সাধারণত সান্দ্র গাছের ডালে দেখা যায়। এর পাখার রঙ সাধারণত কালো ও সাদা মিশ্রিত, এবং এটি খুবই কণ্ঠস্বল্প।
  • প্রজনন: এই পাখি সাধারণত গাছে তাদের বাসস্থান তৈরি করে এবং একসাথে বসবাস করে।
  • আবাস: মূলত দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়, যেমন ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ইত্যাদি।
Option B Explanation:
  • নাম: Hemidactylus brooki
  • প্রকার: গিরগিট বা হাঁসের মতো গিরগিট
  • পারিপার্শ্বিকতা: সাধারণত গৃহস্থালী এলাকায় দেখা যায়
  • বৈশিষ্ট্য: শরীরের রঙ সাধারণত গোলাপি বা ধূসর, চোখ বড় ও চকচকে
  • অবস্থান: গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়
Option C Explanation:
  1. প্রজাতি: Pila globosa
  2. প্রকার: অ্যাসিলোমেট (আসিলোমেটিস); অর্থাৎ, এটি একটি অ্যাসিলোড প্রজাতি।
  3. শরীরের গঠন: অ্যাসিলোমেট প্রাণীদের শরীরের ভিতরে কোনও হাড় বা কংকাল থাকে না, বরং শরীরের মধ্যে একটি কংকালিক কাঠামো বা শেল থাকে যা তাদের রক্ষা করে।
  4. অন্তঃপ্রজনন: এই প্রজাতি সাধারণত ঝিল্লি বা শেল দ্বারা আচ্ছাদিত হয়, যা তাদের আঘাত থেকে রক্ষা করে।
  5. অন্য বৈশিষ্ট্য: Pila globosa একটি জলজ প্রাণী, যা সাধারণত ঝিল্লি বা শেল দ্বারা আচ্ছাদিত। এর শরীরের গঠন অ্যাসিলোমেট, অর্থাৎ এর শরীরের গঠন কোনও হাড় বা কংকাল ছাড়া।
Option D Explanation:
  • বৈজ্ঞানিক নাম: Duttaphrynus melanostictus
  • অর্থ: এই নামটি বাংলায় "কালো বিন্দুর সঙ্গে ডুটাফ্রাইনাস" অর্থে অনুবাদ হতে পারে, যেখানে "Duttaphrynus" মূলত এক প্রজাতির ব্যাঙের জেনাস, এবং "melanostictus" অর্থ "কালো বিন্দুর" বা "কালো দাগযুক্ত"।
  • প্রজাতি: সাধারণত এই ব্যাঙটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • বৈশিষ্ট্য: এর দেহের রঙ সাধারণত ধূসর থেকে বাদামী হয়, এবং দেহে কালো দাগ বা বিন্দু থাকে। এটি সাধারণত জলাশয় ও পাহাড়ি এলাকায় দেখা যায়।
  • জীবনযাত্রা: এই ব্যাঙটি সাধারণত রাতে সক্রিয় থাকে এবং মাটির ওপর বা জলাশয়ের পাশে বাস করে।