টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Plasmodium vivax এর জীবনচক্রে schizont থেকে কি দশা হয়?

A. Merozoite
B. Sporozoite
C. Oocyte
D. Oocyst
E. Ookinete
সঠিক উত্তরঃ A. Merozoite
Explanation:

Another Explanation (5):

Plasmodium vivax এর জীবনচক্রে Schizont থেকে Merozoite দশায় রূপান্তর 🧬

Plasmodium vivax একটি পরজীবী যা মানুষের ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী। এর জীবনচক্র বেশ জটিল এবং বিভিন্ন দশার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। Schizont হলো এই জীবনচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দশা।

Schizont দশা 🔬

Schizont দশাটি মূলত মানবদেহের লিভার এবং লোহিত রক্তকণিকার (RBC) মধ্যে ঘটে। এই দশায়, পরজীবীটি দ্রুত বিভাজিত হতে শুরু করে।

Schizont দশার বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • পরজীবী আকারে বড় হতে থাকে 📈।
  • নিউক্লিয়াস বহুবার বিভাজিত হয় ➗।
  • সাইটোপ্লাজম বিভাজিত হয়ে অসংখ্য মেরোজয়েট (Merozoite) তৈরি করে 👶👶👶👶।

Merozoite দশা 🎯

Schizont যখন পরিপক্ক হয়, তখন এটি ভেঙে যায় এবং মেরোজয়েটগুলো মুক্ত হয়। এই মেরোজয়েটগুলো নতুন লোহিত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে।

Merozoite দশার বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • এগুলো ছোট এবং ডিম্বাকৃতির 🥚।
  • এগুলো লোহিত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে ⚔️।
  • নতুন করে সংক্রমণ শুরু করে 🔄।

Schizont থেকে Merozoite রূপান্তরের ধাপ 👣

  1. Schizont-এর পরিপক্কতা ⏰।
  2. নিউক্লিয়াসের বহু বিভাজন ⚛️।
  3. মেরোজয়েট গঠন 🐣।
  4. Schizont এর প্রাচীর ভেঙে যাওয়া 💥।
  5. মেরোজয়েটগুলোর মুক্তি এবং নতুন কোষকে আক্রমণ 🎯।

জীবনচক্রের সংক্ষিপ্ত চিত্র 🗺️

দশা স্থান বৈশিষ্ট্য
Schizont লিভার/লোহিত রক্ত কণিকা বহু বিভাজন, মেরোজয়েট তৈরি
Merozoite রক্ত প্রবাহ নতুন কোষকে আক্রমণ

এইভাবে, Plasmodium vivax এর জীবনচক্রে Schizont থেকে Merozoite দশার মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়াতে থাকে। 🦟➡️👨‍⚕️

আরও জ??নতে এবং বিস্তারিত তথ্যের জন্য, নির্ভরযোগ্য উৎস দেখুন। 📚

Option A Explanation:
  • Merozoite: এটি হলো প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর জীবনচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। শিজোন্টের পর, এটি বিভাজিত হয়ে ছোট ছোট পরমাণু আকারের ফোঁটা উৎপন্ন করে, যাকে মেরোজোইট বলা হয়।
  • মেরোজোইটগুলো রক্তকোষে প্রবেশ করে পুনরায় বিভাজিত হয়ে বেশ কয়েকটি নতুন শিজোন্ট সৃষ্টি করে, যা রোগের উপসর্গ সৃষ্টি করে।
  • এই প্রক্রিয়াটিই প্লাজমোডিয়াম সংক্রমণের মূল কারণ।
Option B Explanation:
  • Sporozoite: প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর একটি গুণগত পর্যায়, যা মূলত অণুজীবের জীবনচক্রের প্রথম ধাপে উপস্থিত হয়।
  • এটি মূলত লার্ভা বা প্রাথমিক স্টেজ হিসেবে কাজ করে, যা পরবর্তী ধাপে রক্তে প্রবেশ করে রক্তকোষে আঘাত হানে।
  • সাধারণত, স্পোরোজোইটের উৎপত্তি হয় অঙ্গীকার বা পতঙ্গের মধ্যে, যেখানে এটি বিকাশ লাভ করে এবং পরে মানুষের দেহে প্রবেশ করে।
  • সাধারণত, এটি প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর পরবর্তী ধাপে পরিণত হয়, যেমন মেরোজোইট বা অন্য পর্যায়।
Option C Explanation:
  • Oocyte: এটি সাধারণত পোকামাকড়ের ডিম্বাণু বা ডিম্বধারার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • অর্থাৎ, এটি একটি জীবের ডিম্বাণু যা প্রজননের জন্য প্রস্তুত হয়।
  • Oocyte সাধারণত জীবের প্রজনন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেখানে এটি ডিম্বসঞ্চালন বা গর্ভধারণের জন্য প্রস্তুত হয়।
  • অন্য জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন প্রক্রিয়ায় এটি বিভিন্ন ধরণের হতে পারে, তবে মূলত এটি ডিম্বাণুর একটি রূপ।
Option D Explanation:

Oocyst এর ব্যাখ্যা

  • সংজ্ঞা: Oocyst হলো এক ধরনের পরিপক্ব পরজীবী পর্বের ডিম্বনু বা কণিকা, যা সাধারণত স্পোরোজোয়ার জন্য গঠন হয়।
  • গঠন: এটি সাধারণত শক্ত, আবরণযুক্ত বা আচ্ছাদিত হয়, যা সংক্রমণের জন্য প্রস্তুত।
  • উৎপত্তি: এটি মূলত পরজীবী পর্বের অঙ্গপ্রতঙ্গ বা জৈবিক প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ তৈরি হয়।
  • অবস্থান: এই কণিকা বা ডিম্বনু সাধারণত পরজীবীর পরিপক্ব প???্যায়ে থাকে, যেখানে এটি সংক্রমণের জন্য প্রস্তুত হয়।
  • প্রয়োগ: ওয়েবসাইট বা ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ওঅসিসের উপস্থিতি মাধ্যমে বিভিন্ন পরজীবীর সংক্রমণ নির্ণয় করা হয়।
Option E Explanation:
  1. অউকিনেট (Ookinete) হলো প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর পরজীবী জীবনচক্রের একটি ধাপ।
  2. এটি মূলত একটি জৈবিক ধাপ যেখানে এটি পরজীবীর গ্যামেটোসাইট থেকে উৎপন্ন হয়।
  3. অউকিনেট সাধারণত অম্বুকের অঙ্গপ্রতঙ্গের মধ্যে থাকে, বিশেষ করে মশার অগ্নিপ্রজন্মে।
  4. এটি একটি দড়ি বা লম্বাটে আকারের হয়ে থাকে, যা পরবর্তীতে oocyst-এ রূপান্তরিত হয়।
  5. অউকিনেটের মাধ্যমে পরজীবী পরজীবীর জীবনচক্রের অন্যান্য ধাপে প্রবেশ করে, ফলে রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়।