Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর হলো:
i, ii, iii। নিচে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রের ব্যাখ্যা দেয়া হলো:
- কীট-পতঙ্গ রোধী উদ্ভিদ সৃষ্টি: জিনোম সিকোয়েন্সিং এর মাধ্যমে উদ্ভিদের জেনেটিক গঠন বিশ্লেষণ করে এমন জেনের সন্ধান পাওয়া যায়, যা কীট-পতঙ্গের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর ফলে, জেনেটিকালি প্রোগ্রামড উদ্ভিদ তৈরি সম্ভব হয়।
- ইন্টারফেরন উৎপাদন: ইন্টারফেরন হলো অ্যান্টিভাইরাল প্রোটিন, যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। জিনোম সিকোয়েন্সিং এর মাধ্যমে এই প্রোটিনের জেনেটিক ইনফরমেশন চিহ্নিত করা যায়, ফলে ইন্টারফেরন উৎপাদনের জন্য জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং সম্ভব হয়।
- ইনসুলিন উৎপাদন: ইনসুলিন একটি হরমোন, যা ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। জিনোম সিকোয়েন্সিং এর মাধ্যমে ইনসুলিনের জেনেটিক কোড চিহ্নিত করে, জৈবপ্রযুক্তির মাধ্যমে এটি উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
সুতরাং, এই তিন ক্ষেত্রেই জিনোম সিকোয়েন্সিং এর গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ দেখা যায়।