Another Explanation (5):
আয়নিক ব্যাসার্ধের ক্রম: F−, Ne, Na+, Mg2+
আয়নিক ব্যাসার্ধ বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে, যার মধ্যে নিউক্লিয়াসের চার্জ (পরমাণু ক্রমাঙ্ক) ⚛️ এবং ইলেকট্রন সংখ্যা অন্যতম। এই আয়নগুলির ব্যাসার্ধের ক্রম বুঝতে হলে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে:
- আইসোইলেকট্রনিক প্রজাতি: F−, Ne, Na+, এবং Mg2+ প্রত্যেকেই আইসোইলেকট্রনিক প্রজাতি, অর্থাৎ এদের প্রত্যেকের ইলেকট্রন সংখ্যা সমান (১০টি)।
- নিউক্লিয়ার চার্জ: যেহেতু ইলেকট্রন সংখ্যা একই, তাই নিউক্লিয়াসের ধনাত্মক চার্জ যত বেশি, ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের দিকে তত বেশি আকৃষ্ট হবে এবং আকার ছোট হবে।
ব্যাখ্যার বিস্তারিত
| আয়ন |
প্রোটন সংখ্যা (Z) |
ইলেকট্রন সংখ্যা |
কার্যকরী নিউক্লিয়ার চার্জ (Zeff) |
ব্যাসার্ধের আপেক্ষিক আকার |
| Mg2+ |
১২ |
১০ |
১২ |
সবচেয়ে ছোট 🤏 |
| Na+ |
১১ |
১০ |
১১ |
ছোট 🤏 |
| Ne |
১০ |
১০ |
১০ |
মাঝারি 😐 |
| F− |
৯ |
১০ |
৯ |
সবচেয়ে বড় 😲 |
কার্যকরী নিউক্লিয়ার চার্জের প্রভাব
*
Mg2+: ম্যাগনেসিয়ামের নিউক্লিয়াসে ১২টি প্রোটন আছে, যা ১০টি ইলেকট্রনকে প্রবলভাবে আকর্ষণ করে। ফলে এর আকার সবচেয়ে ছোট হয়। 📏➡️🤏
*
Na+: সোডিয়ামের নিউক্লিয়াসে ১১টি প্রোটন আছে। এটিও ১০টি ইলেকট্রনকে আকর্ষণ করে, তবে ম্যাগনেসিয়ামের তুলনায় কম তীব্রভাবে। তাই এর আকার Mg
2+ থেকে সামান্য বড়।
*
Ne: নিয়নের নিউক্লিয়াসে ১০টি প্রোটন আছে, যা ১০টি ইলেকট্রনকে আকর্ষণ করে।
*
F−: ফ্লোরিনের নিউক্লিয়াসে ৯টি প্রোটন আছে, যা ১০টি ইলেকট্রনকে অপেক্ষাকৃত দুর্বলভাবে আকর্ষণ করে। এর ফলে ইলেকট্রন মেঘ তুলনামূলকভাবে বেশি প্রসারিত হয় এবং আকার সবচেয়ে বড় হয়। 🎈➡️😲
চূড়ান্ত ক্রম
অতএব, আয়নিক ব্যাসার্ধের সঠিক ক্রমটি হলো:
Mg2+ < Na+ < Ne < F−
সংক্ষেপে: ধনাত্মক চার্জ যত বেশি, আকার তত ছোট। ঋণাত্মক চার্জ যত বেশি, আকার তত বড়। ➕➡️ ছোট, ➖➡️ বড়
আরও কিছু তথ্য
পর্যায় সারণীতে বাম থেকে ডানে গেলে সাধারণত আয়নিক ব্যাসার্ধ হ্রাস পায়, কারণ নিউক্লিয়ার চার্জ বৃদ্ধি পায়। ➡️
উপর থেকে নিচে গেলে আয়নিক ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি পায়, কারণ নতুন ইলেকট্রন শেল যোগ হয়। ⬇️