টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

দ্বিশৃঙ্গী গন্ডার, বনরুই, বনগরু কোন প্রাণিভৌগলিক অঞ্চলের এন্ডেমিক প্রাণী?

A. অস্ট্রেলিয়ান
B. ওরিয়েন্টাল
C. ইথিওপিয়ান
D. প্যালিওআর্কটিক
সঠিক উত্তরঃ B. ওরিয়েন্টাল
Explanation: দ্বিশৃঙ্গী গন্ডার, বনরুই, বনগরু ওরিয়েন্টাল অঞ্চলের এন্ডেমিক প্রাণী। Option A, C, D ভুল কারণ এগুলো অন্যান্য অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য। নোট: ওরিয়েন্টাল অঞ্চল জীববৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত।
Another Explanation (5):

দ্বিশৃঙ্গী গন্ডার, বনরুই, বনগরু কোন প্রাণিভৌগলিক অঞ্চলের এন্ডেমিক প্রাণী?

উত্তর: ওরিয়েন্টাল

বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা:

এন্ডেমিক প্রাণী অর্থাৎ, যে প্রাণীটি কেবলমাত্র নির্দিষ্ট একটি ভূখণ্ড বা অঞ্চলে পাওয়া যায়, তাদের বৈশিষ্ট্য ও বৈচিত্র্য বোঝার জন্য আমরা বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলের প্রাণীসমূহের পরিচিতি জানি।

ওরিয়েন্টাল অঞ্চল (Oriental Region):

  • এটি বিশ্ব মানচিত্রে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ভারতের কিছু অংশ, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, ও অন্যান্য কিছু অঞ্চলে অবস্থিত।
  • এই অঞ্চলের প্রাণীরা সাধারণত গরম ও আর্দ্র পরিবেশে বাস করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, দ্বিশৃঙ্গী গন্ডার, বনরুই ও বনগরু এই অঞ্চলের মূল এন্ডেমিক প্রাণী।

প্রাণীর বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব:

প্রাণী অবস্থান বিশেষ বৈশিষ্ট্য
দ্বিশৃঙ্গী গন্ডার ওরিয়েন্টাল অঞ্চলে, বিশেষ করে ভারত ও দক্ষিণشرق এশিয়ায় দুটি শৃঙ্গবিশিষ্ট গন্ডার, গাঢ় স্কেল ও শক্তিশালী দেহ
বনরুই ভারত, শ্রীলংকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ছোট আকারের, দ্রুত চলাচল করে, বনজ পরিবেশে বাস করে
বনগরু ভারত, শ্রীলংকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া গবাদি প্রাণী, গাছে চড়ে শিকার ও খাওয়ায় ব্যবহৃত হয়

সারমর্ম:

অতএব, দ্বিশৃঙ্গী গন্ডার, বনরুই, বনগরু মূলত ওরিয়েন্টাল অঞ্চলের এন্ডেমিক প্রাণী। এই অঞ্চলের জলবায়ু, ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও বাস্তুসংস্থান এই প্রাণীদের উপস্থিতি ও বাসস্থান নির্ধারণ করে।

🦏🐒🦬✨

Option A Explanation:

অস্ট্রেলিয়ান

  • অস্ট্রেলিয়ান প্রানীভূমি বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে প্রাচীন এবং অনন্য প্রাণীদের জন্য পরিচিত।
  • এটি পৃথিবীর একমাত্র মহাদেশ যেখানে অনেক প্রকারের এন্ডেমিক প্রাণী পাওয়া যায়, যার মধ্যে অনেকগুলোই এই মহাদেশের বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
  • অস্ট্রেলিয়ান এন্ডেমিক প্রাণীদের মধ্যে ঘড়িয়াল ও মিঠাপানির কুমির অন্যতম, যেগুলি মূলত এই অঞ্চলের জলাভূমি ও নদীসমূহে দেখা যায়।
  • এই প্রাণীরা অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় পরিবেশের অংশ, এবং তাদের বাসস্থান ও জীবনযাত্রা এই মহাদেশের জলজ পরিবেশের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত।
Option B Explanation:
  • অঞ্চল: ওরিয়েন্টাল অঞ্চল, যা এশিয়া মহাদেশের একটি বৃহৎ অংশকে নির্দেশ করে।
  • অবস্থান: এই অঞ্চলটি ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, এবং পূর্ব এশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ ও প্রদেশের মধ্যে বিস্তৃত।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলটির জলবায়ু সাধারণত উষ্ণ, আর্দ্র ও মৌসুমি।
  • প্রাণী: এই অঞ্চলে অনেক প্রজাতির জীবজন্তু দেখা যায়, যার মধ্যে কিছু বিশেষ প্রজাতি এই অঞ্চলের জন্মভূমি।
  • প্রকৃতি ও বাসস্থান: এই অঞ্চলের বিভিন্ন জলপ্রপাত, নদী, জলাভূমি ও বনভূমি এই অঞ্চলের বিভিন্ন প্রাণীর আবাসস্থল।
Option C Explanation:
  • ইথিওপিয়ান প্রজাতি: ইথিওপিয়ান প্রজাতি হলো সেই প্রজাতিগুলি যা শুধুমাত্র ইথিওপিয়া ভূখণ্ডে পাওয়া যায়।
  • প্রাকৃতিক পরিবেশ: এই প্রজাতিগুলি সাধারণত উষ্ণ এবং শুষ্ক আবহাওয়া সম্পন্ন অঞ্চলে বাস করে, যেমন মরুভূমি এবং শ্যামলক্ষেত্র।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এদের শারীরিক গঠন ও জীবনযাত্রার ধরণ অন্য প্রজাতিগুলির থেকে আলাদা, যা তাদের স্থানীয় পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়া।
  • প্রজনন ও খাদ্যাভ্যাস: ইথিওপিয়ান প্রজাতিগুলি নির্দিষ্ট ধরনের খাদ্য গ্রহণ করে এবং নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে প্রজনন করে, যা তাদের অনন্য বৈশিষ্ট্য।
Option D Explanation:

প্যালিওআর্কটিক অঞ্চলটি পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ ভূ-অঞ্চল। এর বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:

  • অঞ্চলটি মূলত উত্তর ইউরোপ, উত্তর এশিয়া, এবং উত্তর আমেরিকার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত।
  • এটি প্রাকৃতিকভাবে শীতপ্রধান এবং ঠাণ্ডা জলবায়ু রয়েছে।
  • এখানে বিভিন্ন শীতপ্রধান উদ্ভিদ এবং প্রাণী বাস করে, তবে কিছু বিশেষ প্রজাতি এই অঞ্চলের জন্য অনন্য।
  • প্যালিওআর্কটিক অঞ্চলটি পৃথিবীর প্রাচীন ভূ-অঞ্চলগুলোর মধ্যে একটি, যা দীর্ঘসময় থেকে বিভিন্ন জৈবিক ও ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনের সাক্ষী।
  • এটি বৈশ??বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি গ্লোবাল উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বরফের গলনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।