টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

তরুণাস্থিময় অন্তঃকঙ্কাল কোন শ্রেণির প্রাণীর বৈশিষ্ট্য?

A. Actinopterygii
B. Aves
C. Sarcopterygii
D. Chondrichthyes
সঠিক উত্তরঃ D. Chondrichthyes
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: তরুণাস্থিময় অন্তঃকঙ্কাল সাধারণত এমন প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায় যাদের পিঠের হাড় ও কাঠামো নরম এবং অস্থির থাকে, এটি সাধারণত মৎস্য এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর মধ্যে দেখা যায়।\nঅপশন বিশ্লেষণ:\nA. Actinopterygii: ভুল, এই শ্রেণীটি সৃজনশীল মাছের অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু তারা তরুণাস্থিময় অন্তঃকঙ্কাল ধারণ করে না।\nB. Aves: ভুল, এই শ্রেণী??ি পাখিদের অন্তর্ভুক্ত এবং তাদের কঠিন হাড় থাকে, তারা তরুণাস্থিময় অন্তঃকঙ্কাল ধারণ করে না।\nC. Sarcopterygii: ভুল, এটি তরুণাস্থিময় অন্তঃকঙ্কাল ধারণ না করলেও কিছু মাছের অন্তর্ভুক্ত, তবে এটি প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নয়।\nD. Chondrichthyes: সঠিক উত্তর, কারণ এটি এমন শ্রেণী যা তরুণাস্থিময় অন্তঃকঙ্কাল ধারণ করে, যেমন হাঙ্গর ও মাছ।\nনোট: Chondrichthyes শ্রেণীটি তরুণাস্থিময় অন্তঃকঙ্কাল ধারণ করে, এটি বিশেষভাবে জলজ প্রাণীদের মধ্যে সাধারণ।
Another Explanation (5):

তরুণাস্থিময় অন্তঃকঙ্কাল: কনড্রিকথিস (Chondrichthyes) শ্রেণির বৈশিষ্ট্য

কনড্রিকথিস (Chondrichthyes) শ্রেণির প্রাণীদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের কঙ্কাল তরুণাস্থি (cartilage) দিয়ে গঠিত। অর্থাৎ এদের অন্তঃকঙ্কাল হাড্ডি দিয়ে তৈরি না হয়ে তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত হয়। নিচে এই শ্রেণির বৈশিষ্ট্য এবং তাৎপর্য আলোচনা করা হলো:

কনড্রিকথিস কি? 🤔

কনড্রিকথিস হলো চোয়ালযুক্ত মাছের একটি শ্রেণী, যার কঙ্কাল তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত। হাঙ্গর, শাপলাপাতা মাছ, এবং কাইমেরা এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।

বৈশিষ্ট্যসমূহ 📝

  • তরুণাস্থিময় কঙ্কাল: এদের কঙ্কাল সম্পূর্ণভাবে তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত, যা হালকা ও নমনীয়। 🦴
  • পাঁজর অনুপস্থিত: এদের পাঁজরের অনুপস্থিতির কারণে এরা ডাঙায় নিজেদের দেহ ধরে রাখতে অক্ষম।
  • অঙ্কীয় (ventral) মুখছিদ্র: এদের মুখছিদ্র মাথার অঙ্কীয় (ventral) দিকে অবস্থিত। 😮
  • পটকা (air bladder) অনুপস্থিত: এদের দেহে পটকা না থাকায় এরা জলের মধ্যে ভেসে থাকতে পারে না। 🏊‍♀️
  • ক্লোয়াক (cloaca): এদের পরিপাকতন্ত্র, রেচনতন্ত্র ও জননতন্ত্র একটি সাধারণ প্রকোষ্ঠে উন্মুক্ত হয়, যা ক্লোয়াক নামে পরিচিত।
  • ডার্মাল প্ল্যাকয়েড আঁশ: এদের ত্বক ছোট ছোট ডার্মাল প্ল্যাকয়েড আঁশ দিয়ে আবৃত থাকে। 🛡️
  • স্পাইরাকল (spiracle): কিছু প্রজাতির স্পাইরাকল থাকে, যা শ্বাস নিতে সাহায্য করে।

শ্রেণীবিভাগ 📊

কনড্রিকথিস শ্রেণীকে সাধারণত দুটি উপশ্রেণীতে ভাগ করা হয়:

  1. Elasmobranchii: হাঙ্গর, শাপলাপাতা মাছ এই উপশ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। 🦈
  2. Holocephali: কাইমেরা এই উপশ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। 👻

উদাহরণ 🐠

এই শ্রেণীর কিছু পরিচিত উদাহরণ:

  • হাঙ্গর (Shark)
  • শাপলাপাতা মাছ (Ray)
  • কাইমেরা (Chimaera)

গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যসমূহের তালিকা 📝

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
কঙ্কাল তরুণাস্থিময় (Cartilaginous)
আঁশ ডার্মাল প্ল্যাকয়েড (Dermal placoid)
শ্বাস-প্রশ্বাস ফুলকা (Gills)
পটকা অনুপস্থিত (Absent)

কনড্রিকথিসের অভিযোজনগত তাৎপর্য 🧬

তরুণাস্থিময় কঙ্কাল থাকার কারণে কনড্রিকথিস শিকার ধরা এবং দ্রুত স্থানান্তরে সুবিধা পায়।🌊

  • নমনীয়তা: তরুণাস্থি নমনীয় হওয়ায় এরা সহজে দিক পরিবর্তন করতে পারে।
  • হালকা: তরুণাস্থি হালকা হওয়ায় এদের ভেসে থাকতে সুবিধা হয় (যদিও পটকা অনুপস্থিত)।

সংরক্ষণ ⚠️

মাত্রাতিরিক্ত শিকার এবং পরিবেশ দূষণের কারণে অনেক কনড্রিকথিস প্রজাতি আজ হুমকির মুখে। এদের সংরক্ষণে আমাদের আরও বেশি সচেতন হওয়া প্রয়োজন। 😥

আশা করি, এই আলোচনা থেকে কনড্রিকথিস শ্রেণি এবং তরুণাস্থিময় অন্তঃকঙ্কাল সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 😊

Option A Explanation:
  • অ্যাকটিনোপটারিজি (Actinopterygii): এই শ্রেণীটি মূলত পাখির মতো মাছ বা রেডিওফোরসের গোষ্ঠী, যা মূলত জলজ প্রাণী।
  • প্রাণীর গঠন: এই শ্রেণীর মাছের প্রধান্য বৈশিষ্ট্য হলো তাদের সরু, পাখির মতো প্রান্তবিশিষ্ট ফ্ল্যাপ বা পাখা (ফ্লিপার) যা মাছের চলাচলে সহায়ক।
  • প্রজনন: এই মাছের প্রজনন প্রায়ই স্পার্ম ও ডিমের মাধ্যমে হয়।
  • বৈচিত্র্য: অ্যাকটিনোপটারিজি খুবই বৈচিত্র্যপূর্ণ, এটি বিশ্বের জলজ জীববৈচিত্র্যের একটি বৃহৎ অংশ।
  • উদাহরণ: ক্যাটফিশ, শ্রিম্প, সীলফিশ ইত্যাদি এই শ্রেণীর মধ্যে পড়ে।
Option B Explanation:
  • Aves (পাখি):
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য:
    • উচ্চতর দেহ গঠন ও উড়ার জন্য উন্নত পাখনা ও ডানাগুলি রয়েছে।
    • উচ্চতর শ্বাসপ্রশ্বাস ব্যবস্থা, যেমন ফুসফুস ও বায়ুবাহী অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।
    • উন্নত দেহ কাঠামো, বিশেষ করে হাড়ের গঠন শক্তিশালী ও হালকা।
    • অমেরুদণ্ডী, উচু মাথা ও চোখের দৃষ্টি শক্তি খুবই উন্নত।
    • সাধারণত ডিম পাড়ে; ডিমের খোসা শক্ত ও বাহ্যিকভাবে রক্ষা পায়।
    • উচ্চতর মনোযোগ ও সামাজিক আচরণ দেখা যায়।
Option C Explanation:
  • সার্কোপটারিগি (Sarcopterygii): এটি একটি শ্রেণি যা মূলত লম্বা, পাখনাযুক্ত মাছগুলোকে বোঝায়।
  • এই শ্রেণির মাছগুলোর পাখনাগুলো মূলত লম্বা এবং স্নায়ুবিষয়কভাবে শক্তিশালী, যা ভবিষ্যতে টেরাপোড বা লেজযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • সার্কোপটারিগি শ্রেণির মধ্যে প্রাচীন মাছ যেমন লোচ, সিলুরা ও রেকুইন অন্তর্ভুক্ত।
  • এই প্রাণীগুলোর শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য ফুসফুসের মতো অঙ্গের বিকাশ হয়, যা জল ও স্থলে জীবনযাত্রার জন্য উপযুক্ত।
  • সার্কোপটারিগির মধ্যে কিছু প্রজাতি সাঁতার কাটার জন্য পাখনাগুলির গঠন ও কার্যক্ষমতায় উন্নত।
Option D Explanation:
  • Chondrichthyes: এই ক্লাসের প্রাণীগুলি মূলত শার্ক, ইলিশ ও রেথার মতো জেলি-সামৃদ্ধ মাছের অন্তর্ভুক্ত।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য:
    • শরীরের কাঠামো: কার্টিলেজের মতো কঙ্কাল, হাড় নয়।
    • দাঁত: শক্তিশালী ও পরিবর্তনশীল, খাদ্যগ্রহণে সহায়ক।
    • চোখ ও চেহারা: সুচারু দৃষ্টি ও দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর জন্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
  • প্রজনন: প্রজনন প্রক্রিয়া অনেকটাই ভিন্ন, কিছু মাছ সরাসরি ডিম পাড়ে, আবার কিছু সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেয়।
  • অন্য নাম: এই ক্লাসটি সাধারণত "কার্টিলেজিয়াস মাছ" বা "চন্দ্রিমুখ মাছ" হিসেবেও পরিচিত।