টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন সংক্রামক ব্যাধি পৃথিবী হতে নির্মূল হয়েছে?

A. গুটি বসন্ত
B. ম্যালেরিয়া
C. কলেরা
D. প্লেগ
সঠিক উত্তরঃ A. গুটি বসন্ত
Explanation:

Another Explanation (5):

গুটি বসন্ত: মানব ইতিহাস থেকে নির্মূল হওয়া একটি সংক্রামক ব্যাধি 🥳

গুটি বসন্ত (Smallpox) হলো ভ্যারিওলা ভাইরাস (Variola virus) দ্বারা সৃষ্ট একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ ছিল। এটি মানব ইতিহাসে এক গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছিল, লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছিল এবং বেঁচে থাকাদের শরীরে স্থায়ী দাগ রেখে গিয়েছিল। তবে, মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে এই রোগ সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। 👍

গুটি বসন্তের ইতিহাস 📜

  • প্রাচীন ইতিহাস: গুটি বসন্তের ইতিহাস প্রায় ৩০০০ বছরের পুরনো। মিশরীয় মমি এবং প্রাচীন ভারতীয় পুঁথিতে এই রোগের উল্লেখ পাওয়া যায়।
  • বৈশ্বিক মহামারী: শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গুটি বসন্ত বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে ছড়িয়ে পরেছিল। এটি ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা এবং আমেরিকাতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
  • ভয়াবহতা: এই রোগে আক্রান্ত রোগীর জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি এবং ফোস্কা দেখা দিত। মৃত্যুর হার ছিল অত্যন্ত বেশি, প্রায় ৩০%। বেঁচে যাওয়া রোগীদের মধ্যে অনেকেরই অন্ধত্ব বা স্থায়ী শারীরিক অক্ষমতা দেখা দিত। 🤕

নির্মূলের পথে 🚀

গুটি বসন্ত নির্মূলের পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে টিকাদান। এডওয়ার্ড জেনার (Edward Jenner) ১৭৯৬ সালে গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কার ??রেন। এটি ছিল চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক যুগান্তকারী আবিষ্কার। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়।

গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ:

  1. টিকা আবিষ্কার: জেনারের টিকা আবিষ্কারের মাধ্যমে রোগের প্রতিরোধ সম্ভব হয়। 💉
  2. WHO-এর কার্যক্রম: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ১৯৬৭ সালে গুটি বসন্ত নির্মূলের জন্য একটি বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেয়।
  3. ব্যাপক টিকাদান: এই কর্মসূচির অধীনে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে শিশুদের টিকাদান করা হয়। 🌍
  4. রোগ সনাক্তকরণ ও নিয়ন্ত্রণ: আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত সনাক্ত করে তাদের আলাদা (isolate) করা এবং তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদেরও টিকা দেওয়া হয়।
  5. সফলতা: ১৯৮০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে যে গুটি বসন্ত সম্পূর্ণরূপে নির্মূল হয়েছে। 🎉

গুটি বসন্ত নির্মূলের তাৎপর্য 💡

গুটি বসন্তের নির্মূল মানব ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্য। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং বিজ্ঞান-ভিত্তিক পদক্ষেপের মাধ্যমে মারাত্মক সংক্রামক রোগকেও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

কিছু তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়:

বিষয় গুরুত্ব
জীবন রক্ষা লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন রক্ষা পেয়েছে। 💖
অর্থনৈতিক সাশ্রয় চিকিৎসা এবং অন্যান্য খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হয়েছে। 💰
অনুপ্রেরণা অন্যান্য রোগ নির্মূলের জন্য অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। 💪

বর্তমান অবস্থা 🌡️

বর্তমানে গুটি বসন্তের ভাইরাস শুধু গবেষণাগারে সংরক্ষিত আছে। তবে, এই ভাইরাস যাতে কোনোভাবে পুনরায় ছড়িয়ে না পরে, সে বিষয়ে বিজ্ঞানীরা সতর্ক আছেন। 🚨

গুটি বসন্তের নির্মূল আমাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছে যে মানবজাতি চাইলে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারে এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি স্বাস্থ্যকর বিশ্ব গড়ে তুলতে পারে। 🤝

Option A Explanation:
  • গুটি বসন্ত: এটি একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ ছিল যা ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়াতো।
  • প্রতিরোধ: বিশ্বব্যাপী টিকাদানের মাধ্যমে এই রোগের বিরুদ্ধে সচেতনতা এবং প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়।
  • নির্মূল: 1980 সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘোষণা করে যে, গুটি বসন্ত সম্পূর্ণরূপে নির্মূল হয়েছে।
  • অর্থ: এটি বিশ্বের প্রথম সংক্রামক রোগ যা সফলভাবে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে।
Option B Explanation:
  • প্রজনন পদ্ধতি: ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু, Plasmodium, মূলত ছত্রাকের মতো পরজীবী, যা মশার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
  • অন্তঃকোষীয় জীবাণু: এটি অন্তঃকোষীয় পরজীবী, অর্থাৎ এটি উষ্ণ, আর্দ্র পরিবেশে কোষের ভিতরে বাস করে।
  • অভিশাপের মাধ্যমে ছড়ানো: ম্যালেরিয়া মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়, যা আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মধ্যে থাকা পরজীবু নিয়ে অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত করে।
  • প্রকৃতি: এটি এক ধরনের পরজীবী জীবাণু, যা মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকা আক্রমণ করে, ফলে জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়।
  • সংক্রমণের লক্ষণ: জ্বর, ঠান্ডা লাগা, মাথাব্যাথা, শরীরের দুর্বলতা ইত্যাদি প্রধান লক্ষণ।
Option C Explanation:
  • কলেরা: এটি একটি সংক্রামক রোগ যা ভাইরাসের পরিবর্তে ব্যাকটেরিয়া Vibrio cholerae দ্বারা সৃষ্ট।
  • প্রধান লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে দ্রুত ডিহাইড্রেশন, জলজুলুস, এবং গুরুতর জলশোষণজনিত সমস্যা।
  • সাধারণত দূষিত পানি ও খাবার থেকে ছড়ায়।
  • উপশমের জন্য rehydration therapy, অ্যান্টিবায়োটিক্স, এবং পরিষ্কার পানি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
Option D Explanation:
  • প্লেগ: এটি একটি মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়।
  • প্রভাব: এই রোগের কারণে দ্রুত জ্বর, শুকনো কাশি, এবং পেটের সমস্যা দেখা যায়। এটি খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ইতিহাসে মহামারী আকারে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছে।
  • নির্মূল: ২০শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে উন্নত চিকিৎসা ও জীবাণুনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে এই রোগের মহামারী খুব কমে এসেছে, তবে এখনও কিছু অঞ্চলে সংক্রমণ দেখা যায়।