লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

একটি কণার তরঙ্গদৈর্ঘ্য তার ভরবেগ-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই সম্পর্কটি ডি ব্রগলি (de Broglie) তরঙ্গদৈর্ঘ্য নামে পরিচিত।
ফরাসি পদার্থবিদ লুই ডি ব্রগলি ১৯২৪ সালে প্রস্তাব করেন যে, আলোর মতো প্রত্যেক গতিশীল বস্তুর সাথে একটি তরঙ্গ জড়িত। এই তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বস্তুটির ভরবেগ-এর ব্যস্তানুপাতিক।
ডি ব্রগলি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সূত্রটি হলো:
λ = h / p
যেখানে:
সূত্র থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, ভরবেগ বাড়লে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমবে, এবং ভরবেগ কমলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়বে। অর্থাৎ, ভরবেগ এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য একে অপরের বিপরীত।
ভরবেগ হলো কোনো বস্তুর ভর এবং বেগের গুণফল। একে সাধারণত p দিয়ে প্???কাশ করা হয়।
p = mv
যেখানে:
| বৈশিষ্ট্য | ভরবেগ (p) বেশি হলে | ভরবেগ (p) কম হলে |
|---|---|---|
| তরঙ্গদৈর্ঘ্য (λ) | কমে যায় 📉 | বেড়ে যায় 📈 |
| কম্পাঙ্ক (f) | বেড়ে যায় 📶 | কমে যায় 📉 |
একটি ক্রিকেট বল 🏏 এবং একটি ইলেক্ট্রনের 🧪 তুলনা করা যাক। ক্রিকেট বলের ভর অনেক বেশি হওয়ায় একই বেগে চললেও এর ভরবেগ অনেক বেশি হবে। ফলে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য এতই ছোট হবে যে তা সহজে পরিমাপ করা যাবে না। অন্যদিকে, ইলেক্ট্রনের ভর অনেক কম হওয়ায় এর ভরবেগ কম হবে এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিমাপযোগ্য হবে।
ডি ব্রগলির এই ধারণা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ভিত্তি স্থাপন করে এবং কণা-তরঙ্গ দ্বৈততা (wave-particle duality) বুঝতে সাহায্য করে। ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এই ধারণার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।
সুতরাং, কোনো কণার তরঙ্গদৈর্ঘ্য তার ভরবেগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 🎯