টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

আদিকোষে জিন প্রকাশের ইউনিটকে বলে-

A. অপেরণ
B. ট্রান্সক্রিপশন
C. ট্রান্সলেশন
D. এক্সন
E. ইনট্রন
সঠিক উত্তরঃ A. অপেরণ
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: আদিকোষে জিন প্রকাশের ইউনিট হলো অপেরণ, যা একটি নির্দিষ্ট কাজ বা প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। অপশন বিশ্লেষণ: A. অপেরণ: সঠিক, এটি সঠিক উত্তর। B. ট্রান্সক্রিপশন: ভুল, এটি সঠিক নয়। C. ট্রান্সলেশন: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. এক্সন: ভুল, এটি সঠিক নয়। E. ইনট্রন: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: আদিকোষে জিন প্রকাশের নিয়ন্ত্রণ ইউনিট হলো অপেরণ।
Another Explanation (5):

প্রশ্ন: আদিকোষে জিন প্রকাশের ইউনিটকে বলে-

উত্তর: "অপেরণ"

আদিকোষ বা প্রাথমিক কোষে জিনের প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত মূল ইউনিটকে "অপেরণ" (Operon) বলা হয়। এটি মূলত জিনের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো। নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

অপেরণের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • অপেরণ হলো জিনের একত্রিত গুচ্ছ, যা একসাথে কাজ করে নির্দিষ্ট প্রোটিন বা অণু তৈরির জন্য।
  • এটি সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার জিন এক্সপ্রেশনের নিয়ন্ত্রণ করে।
  • অপেরণের মধ্যে থাকতে পারে:
    • অপারেটর (Operator): নিয়ন্ত্রণের স্থান
    • প্রমোটার (Promoter): জিনের ট্রান্সক্রিপশনের শুরু বিন্দু
    • অ্যাকসেসরি জিন (Accessory genes): প্রয়োজনীয় জিনসমূহ
  • অপারেটর, প্রমোটার এবং জিনগুলো একসঙ্গে জিনের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

টেবিল: অপেরণের অংশসমূহ ও তাদের কাজ

অংশ বর্ণনা
অপারেটর নিয়ন্ত্রণকারী স্থান, যেখানে রেগুলেটর প্রোটিন বা অ্যান্টি-প্রোটিন সংযুক্ত হয়।
প্রমোটার ট্রান্সক্রিপশনের জন্য শুরু বিন্দু।
অ্যাকসেসরি জিন অতিরিক্ত জিনগুলো, যা অপেরণের কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজন।

সুতরাং, আদিকোষে জিন প্রকাশের মূল ইউনিট বা কাঠামোকে বলা হয় অপেরণ (Operon)। এটি জীববিজ্ঞানে জিনের কার্যকলাপ ও নিয়ন্ত্রণের মূল ভিত্তি।

Option A Explanation:
  • অপেরণ হলো জিনের প্রকাশের প্রথম ধাপ যেখানে ডিএনএ থেকে আন্নোটেশন বা সংকেত প্রেরণ করা হয়।
  • এটি মূলত একটি প্রক্রিয়া যেখানে জিনের তথ্য আউটপুট হিসেবে রূপান্তরিত হয়।
  • অপেরণের মাধ্যমে জিনের কোডের তথ্য রূপান্তরিত হয় রাবার বা অর্গানাইজড আউটপুটে, যা পরবর্তীতে প্রোটিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
  • প্রক্রিয়াটি সাধারণত ট্রান্সক্রিপশন নামে পরিচিত।
Option B Explanation: ```html
  • ট্রান্সক্রিপশন: এটি একটি প্রক্রিয়া যা ডিএনএ-তে থাকা জেনের তথ্যকে আরএনএ-তে রূপান্তর করে।
  • এই প্রক্রিয়ায়, ডিএনএ-র নির্দিষ্ট অংশ থেকে একটি প্রোটিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় আরএনএ-মুল্য তৈরি হয়।
  • ট্রান্সক্রিপশন সাধারণত নিউক্লিয়াসে ঘটে এবং এটি জেনের কার্যকলাপের প্রথম ধাপ।
  • এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, জেনের ইনফরমেশন সেলুলার কার্যাবলীর জন্য উপলব্ধ হয়।
```
Option C Explanation:
  1. অর্থ: ট্রান্সলেশন হল একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি জিনের ডিএনএ (DNA) এর তথ্যের ভিত্তিতে প্রোটিন তৈরির জন্য এমআরএনএ (mRNA) এর কোডের ভিত্তিতে অ্যামিনো অ্যাসিডের চেইন তৈরি করা হয়।
  2. প্রক্রিয়া: ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় এমআরএনএ এর কোড অনুক্রম অনুযায়ী রাইবোসোমে অ্যামিনো অ্যাসিড যুক্ত হয়, যা একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন গঠন করে।
  3. অবস্থান: এটি সেল সাইটোপ্লাজমে ঘটে এবং রাইবোসোমের মাধ্যমে পরিচালি??? হয়।
  4. উপাদান: ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন উপাদান প্রয়োজন, যেমন এমআরএনএ, ট্রান্সফার রাইবোসোম (tRNA), অ্যামিনো অ্যাসিড, এবং রাইবোসোমাল উপাদান।
  5. প্রভাব: ট্রান্সলেশন দ্বারা জিনের তথ্য প্রোটিনে রূপান্তরিত হয়, যা জীবের গঠন ও কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:
  1. এক্সন (Exon): জিনের সেই অংশ যা বিকাশের সময় RNA প্রক্রিয়াকরণে (splicing) অবশিষ্ট থাকে এবং প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  2. এটি জিনের কার্যকরী অংশ হিসেবে কাজ করে, যেখানে ডিএনএর তথ্য প্রোটিন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
  3. এক্সনগুলো সাধারণত ডিএনএ-র মধ্যে অবস্থিত এবং ট্রান্সক্রিপশনের সময় mRNA-তে অনুলিপি হয়।
  4. উপরের প্রক্রিয়ার পরে, ইনট্রনগুলো বাদ দেওয়া হয় এবং এক্সনগুলো জোড়া হয়ে প্রোটিনের জন্য কোডিং সিকোয়েন্স তৈরি করে।
Option E Explanation:
  • ইনট্রন: ইনট্রন হলো একটি ডিএনএ সেগমেন্ট যা জিনের কোডিং অঞ্চল বা এক্সনের মধ্যে অবস্থিত। এটি সাধারণত জিনের কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেয় না, বরং জিনের গঠন ও কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।