লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

আলো যখন একটি স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য একটি স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন আলোর দিক পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। প্রতিসরণের সময় আলোর বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত থাকে, সেটি হলো আলোর কম্পাংক (Frequency)।
আলোর কম্পাংক আলোর উৎসের উপর নির্ভরশীল। এটি একটি নির্দিষ্ট উৎস থেকে উৎপন্ন আলোর একটি বৈশিষ্ট্য। যখন আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায়, তখন আলোর উৎস পরিবর্তিত হয় না। তাই কম্পাংক একই থাকে। কম্পাংক যদি পরিবর্তিত হয়ে যেত, তাহলে আলোর বর্ণও পরিবর্তিত হয়ে যেত, যা সাধারণত ঘটে না। 🌈
বিষয়টি ভালোভাবে বোঝার জন্য নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করা যাক:
মনে করি, একটি লাল আলোকরশ্মি বায়ু থেকে পানিতে প্রবেশ করলো।
| বৈশিষ্ট্য | বায়ুতে | পানিতে | পরিবর্তন |
|---|---|---|---|
| বেগ | Vবায়ু (প্রায় 3 x 108 m/s) | Vপানি (Vবায়ু থেকে কম) | পরিবর্তিত 📉 |
| তরঙ্গদৈর্ঘ্য | λবায়ু | λপানি (λবায়ু থেকে কম) | পরিবর্তিত 📉 |
| কম্পাংক | f | f | অপরিবর্তিত 😐 |
| বর্ণ | লাল | লাল | অপরিবর্তিত 😐 |
সুতরাং, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আলোর বেগ এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হলেও কম্পাংক এবং বর্ণ একই থাকছে। 🎉
আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে প্রতিসরণের সময় কম্পাংক কেন অপরিবর্তিত থাকে তা তোমরা বুঝতে পেরেছ। 😊
```