টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

আণুবীক্ষণিক সৈনিক কাকে বলা হয়?

A. নিউট্রোফিল
B. বেসোফিল
C. লিম্ফোসাইট
D. ইওসিনোফিল
সঠিক উত্তরঃ C. লিম্ফোসাইট
Explanation:

লিম্ফোসাইটগুলো অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে রোগ প্রতিরোধ এজন্য এদের আণুবীক্ষণিক সৈনিক (microscopic soldier) বলে ।

Another Explanation (5):

আণুবীক্ষণিক সৈনিক: লিম্ফোসাইট 🔬🛡️

লিম্ফোসাইট হলো আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার (immune system) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। একে আণুবীক্ষণিক সৈনিক বলার কারণ হলো এটি রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু এবং অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ থেকে শরীরকে রক্ষা করে। 🦠🚫

লিম্ফোসাইটের প্রকারভেদ 種類

লিম্ফোসাইট প্র??ানত তিন প্রকার:

  • বি কোষ (B cells): এরা অ্যান্টিবডি তৈরি করে জীবাণুকে ধ্বংস করে। 💉抗体
  • টি কোষ (T cells): এরা সরাসরি সংক্রমিত কোষগুলোকে ধ্বংস করে এবং অন্যান্য রোগ প্রতিরোধক কোষকে সক্রিয় করে। 🔪細胞
  • প্রাকৃতিক ঘাতক কোষ (Natural killer cells): এরা টিউমার কোষ এবং ভাইরাস আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করে। 🎯癌細胞

লিম্ফোসাইটের কাজ 任務

লিম্ফোসাইটের প্রধান কাজগুলো হলো:

  1. জীবাণু চিহ্নিত করা এবং তাদের আক্রমণ করা। 🕵️‍♀️👾
  2. অ্যান্টিবডি তৈরি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা। 💪🛡️
  3. সংক্রমিত কোষগুলোকে ধ্বংস করা। 🔥 세포
  4. রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করা। ⚙️ 控制
  5. স্মৃতি কোষ (memory cells) তৈরি করা, যা ভবিষ্যতে একই জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। 🧠💾

লিম্ফোসাইট সম্পর্কিত কিছু তথ্য ℹ️

বৈশিষ্ট্য বিবরণ
উৎপত্তি স্থল অস্থিমজ্জা (bone marrow) 🦴
পরিপক্কতা লাভ বি কোষ অস্থিমজ্জাতে এবং টি কোষ থাইমাস গ্রন্থিতে (thymus gland) পরিপক্ক হয়। thymus gland একটি বিশেষ গ্রন্থি যা বুকের কাছে অবস্থিত।
আয়ুষ্কাল কয়েক দিন থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে। ⏳
গুরুত্ব শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য অপরিহার্য। ❤️‍🩹

লিম্ফোসাইট কম বা বেশি হলে সমস্যা 🤔

রক্তে লিম্ফোসাইটের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম বা বেশি হলে তা শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত দেয়।

  • লিম্ফোসাইট কম হলে (Lymphocytopenia): রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। 📉🦠
  • লিম্ফোসাইট বেশি হলে (Lymphocytosis): সংক্রমণ, প্রদাহ বা ক্যান্সারের কারণে হতে পারে। 📈🔥

সুতরাং, লিম্ফোসাইট আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এদের কার্যক্রম আমাদের সুস্থ জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য। 👍😊

Option A Explanation:
  • নিউট্রোফিল: নিউট্রোফিল হলো একটি ধরণের শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করার জন্য দায়ী।
  • এটি ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, যেখানে এটি ক্ষতিকর জীবাণু বা মৃত কোষগুলোকে শোষণ করে এবং ধ্বংস করে।
  • নিউট্রোফিলের এই কার্যকলাপ ইমিউন সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
Option B Explanation:

বেসোফিলের ব্যাখ্যা

  • প্রকার: এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা (White Blood Cell)
  • মূল কাজ: অ্যালার্জি প্রতিরোধ, প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই
  • অন্তঃকোষীয় উপাদান: হিস্টামিন, হেপারিন, এবং অন্যান্??? প্রদাহজনক উপাদান নিঃসরণ করে
  • ফ্যাগোসাইটোসিস: সাধারণত এই কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস করে না, তবে প্রদাহের সময় তারা অন্যান্য শ্বেত রক্তকণিকার কার্যকলাপে সহায়তা করে
Option C Explanation:
  • লিম্ফোসাইট: এটি একটি ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে এবং দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • লিম্ফোসাইটের প্রধান কাজ হলো ইনফেকশন ও রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা প্রদান করা।
  • এই কোষগুলো প্রধানত লিম্ফ নোড, স্প্লিন, থাইমাস গ্ল্যান্ড এবং রক্তে পাওয়া যায়।
  • তাদের মধ্যে দুটি প্রধান ধরনের হলো B-লিম্ফোসাইট এবং T-লিম্ফোসাইট, যারা ভিন্ন ভিন্ন প্রতিরক্ষা কার্য সম্পাদন করে।
  • লিম্ফোসাইটের মধ্যে হেপারিন উপস্থিত থাকলেও, এটি প্রধানত অন্য কোষে বেশি দেখা যায়।
Option D Explanation:
  • সংজ্ঞা: ইওসিনোফিল হলো এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত পরজীবী সংক্রমণ এবং অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়ক।
  • অবস্থান: ইওসিনোফিল সাধারণত রক্তের মধ্যে ক্ষুদ্র সংখ্যক উপস্থিত থাকে, তবে তাদের সংখ্যা কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বৃদ্ধি পেতে পারে।
  • মূল কাজ: এটি পরজীবী সংক্রমণ, বিশেষ করে প্যারাসাইটের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • অন্য শ্বেত কণিকার সাথে তুলনা: সাধারণত, নিউট্রোফিলের সংখ্যা রক্তে সবচেয়ে বেশি হয়, কিন্তু প্রশ্নে ইওসিনোফিলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।