টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

HIV মানুষের কোন কোষকে আক্রমণ করে ও ধ্বংস করে?

A. T-কোষ
B. B-কোষ
C. NK-কোষ
D. মাস্ট কোষ
সঠিক উত্তরঃ A. T-কোষ
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

এইচআইভি (HIV) এবং টি-কোষ ধ্বংস 🦠

এইচআইভি (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) একটি ভাইরাস যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। এটি মূলত "টি-কোষ" (T-cells) নামক এক বিশেষ ধরনের শ্বেত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে এবং ধ্বংস করে। এই টি-কোষগুলো আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

টি-কোষ কী? 🤔

  • টি-কোষ, যাদের "টি লিম্ফোসাইট"ও বলা হয়, শ্বেত রক্তকণিকার একটি প্রকার।
  • এগুলো অস্থি মজ্জা (bone marrow) থেকে উৎপন্ন হয় এবং থাইমাস গ্রন্থিতে পরিপক্কতা লাভ করে।
  • টি-কোষ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রধান সেনাপতি 💂‍♂️ এর মতো কাজ করে।
  • বিভিন্ন ধরনের টি-কোষ রয়েছে, তবে এইচআইভি মূলত "সিডি৪+ টি-কোষ" (CD4+ T-cells) বা "হেল্পার টি-কোষ" (Helper T-cells) কে আক্রমণ করে।

এইচআইভি কীভাবে টি-কোষ ধ্বংস করে? 💥

  1. এইচআইভি ভাইরাস সিডি৪+ টি-কোষের সাথে যুক্ত হয়।
  2. ভাইরাসটি কোষের মধ্যে প্রবেশ করে এবং তার জেনেটিক উপাদান (আরএনএ) কোষের ডিএনএ-তে প্রবেশ করিয়ে দেয়।
  3. এরপর কোষটি ভাইরাসের প্রতিলিপি তৈরি করতে শুরু করে, যা নতুন ভাইরাস তৈরি করে।
  4. নতুন ভাইরাসগুলো কোষ থেকে বেরিয়ে আসে এবং অন্যান্য সিডি৪+ টি-কোষকে আক্রমণ করে।
  5. আক্রান্ত কোষগুলো ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে মারা যায়। 💀
  6. এভাবে ক্রমাগত টি-কোষ ধ্বংস হওয়ার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

টি-কোষ ধ্বংসের ফলাফল 📉

সিডি৪+ টি-কোষের সংখ্যা কমে গেলে শরীর বিভিন্ন সংক্রমণ ও রোগের বিরুদ্ধে দুর্বল হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে এইডস (অ্যাকুয়ার্ড ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম) নামক রোগ হয়, যা মারাত্মক এবং জীবনঘাতী হতে পারে।

টি-কোষের স্বাভাবিক সংখ্যা এবং এইডস-এর ঝুঁকি
টি-কোষের সংখ্যা (প্রতি মাইক্রোলিটারে) ঝুঁকির মাত্রা
৫০০-১৫০০ স্বাভাবিক
২০০-৫০০ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, সংক্রমণের ??ুঁকি বাড়ে
২০০-এর নিচে এইডস-এর ঝুঁকি অনেক বেশি, মারাত্মক সংক্রমণের সম্ভাবনা

প্রতিরোধ ও চিকিৎসা 🛡️

  • এইচআইভি সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতা জরুরি।
  • নিরাপদ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
  • আক্রান্ত মায়ের থেকে সন্তানের সংক্রমণ রোধে চিকিৎসা নিতে হবে।
  • বর্তমানে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (এআরটি) ব্যবহারের মাধ্যমে এইচআইভি নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং এইডস এর বিস্তার কমিয়ে আনা সম্ভব। 💊

সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন। 🙏

```
Option A Explanation:
  • T-কোষ: T-কোষ বা T-lymphocytes হলো একটি প্রকারের শ্বেত রক্তকোষ যা দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • তারা মূলত ভাইরাস, টিউমার কোষ, এবং অন্যান্য অণুজীবের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
  • HIV ভাইরাস T-কোষকে আক্রমণ করে এবং তাদের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ফলে দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে।
  • ফলে, HIV ভাইরাসের কারণে আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম T-কোষের সংখ্যা হ্রাস পায়।
Option B Explanation:
  • B-কোষ: B-কোষ হলো একটি ধরণের শ্বেত রক্তকণিকা (white blood cell) যা মূলত অ্যান্টিবডি উৎপাদনে অবদান রাখে।
  • এই কোষগুলো হোস্টের শরীরে ইনফেকশনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং অ্যান্টিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
  • HIV ভাইরাসটি মূলত B-কোষকে আক্রমণ করে না, বরং এটি প্রধানত T-কোষ (CD4+ T লিম্ফোসাইট) কে লক্ষ্য করে ধ্বংস করে, যা শরীরের免疫 সিস্টেমের মূল অংশ।
  • তবে, HIV এর কারণে শরীরের免疫 সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে B-কোষের কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।
Option C Explanation:
  • নিউট্রোফিল: সাধারণত ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
  • ন্যাচারাল কিলার (NK) কোষ: রোগপ্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • T-সেল: ভাইরাস সংক্রমণ ও টিউমার কোষের বিরুদ্ধে আক্রমণ করে।
  • B-সেল: অ্যান্টিবডি উৎপাদনে সহায়ক।
  • মাস্ট কোষ: এলার্জি প্রতিক্রিয়া ও প্রদাহে অংশগ্রহণ করে।
Option D Explanation:
  • মাস্ট কোষ: এটি একটি ধরনের দেহের প্রতিরক্ষা কোষ যা অন্যান্য কোষের সক্রিয়তা ও কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
  • তারা মূলত শরীরের ক্ষত বা সংক্রমণের সময় সক্রিয় হয়ে যায় এবং অন্যান্য ইমিউন কোষের কার্যকলাপ বাড়াতে সাহায্য করে।
  • মাস্ট কোষে উপস্থিত হ্যামোটোপ্রোটিিন নামক রিসেপ্টর থাকে, যা বিভিন্ন অ্যালার্জেন ও প্যাথোজেনের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখায়।
  • এটি মূলত অ্যালার্জি প্রতিরোধে ও প্রদাহ সৃষ্টি করতে ভূমিকা রাখে, এবং ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।