টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী ভাইরাস-

A. Rabis virus
B. Rubeola virus
C. Flavi virus 
D. Yellow fever virus
সঠিক উত্তরঃ C. Flavi virus 
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

ডেঙ্গু জ্বর 🦟

ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ যা ডেঙ্গু ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট। এই ভাইরাস ফ্ল্যাভিভাইরাস (Flavivirus) গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উপ-গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে বেশি দেখা যায়। 🌍

ফ্ল্যাভিভাইরাস (Flavivirus) সম্পর্কে কিছু তথ্য:

  • প্রকার: আরএনএ ভাইরাস (RNA virus)। 🧬
  • আকৃতি: গোলাকার। ⚪
  • বিস্তার: মূলত মশার মাধ্যমে ছড়ায়। 🦟
  • অন্যান্য রোগ: এই ভাইরাস গোত্রের অন্যান্য ভাইরাস জিকা ভাইরাস, ইয়েলো ফিভার এবং ওয়েস্ট নাইল ফিভারের মতো রোগও সৃষ্টি করে। 🤒

ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রকারভেদ:

ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ভিন্ন সেরোটাইপ (DENV-1, DENV-2, DENV-3, DENV-4) রয়েছে। 🦠 একবার একটি সেরোটাইপে সংক্রমিত হলে, সেই সেরোটাইপের বিরুদ্ধে আজীবন প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়, কিন্তু অন্য সেরোটাইপগুলোর বিরুদ্ধে নয়। 🤔

সেরোটাইপ ঝুঁকি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
DENV-1 সাধারণ ডেঙ্গু জ্বর প্রথম চিহ্নিত হওয়া সেরোটাইপ।
DENV-2 জটিল ডেঙ্গু জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি ডengু হেমোরেজিক ফিভারের (DHF) সাথে সম্পর্কিত। 🩸
DENV-3 শিশুদের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ DHF এবং ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের (DSS) কারণ হতে পারে। 😥
DENV-4 অন্যান্য সেরোটাইপের তুলনায় কম তীব্র প্রায়শই হালকা উপসর্গ দেখা যায়। 😌

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণসমূহ:

  1. জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট পর্যন্ত)। 🔥
  2. severe মাথাব্যথা। 🤕
  3. চোখের পিছনে ব্যথা। 👁️
  4. muscle এবং joint এ ব্যথা। 💪
  5. rash (ত্বকে ফুসকুড়ি)। 🔴
  6. বমি বমি ভাব বা বমি। 🤮

প্রতিরোধ:

  • মশার কামড় থেকে নিজেকে বাঁচানো। 🚫🦟
  • ঘর এবং আশেপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। 🧹
  • জমা পানি সরিয়ে ফেলা। 💧➡️❌
  • মশা তাড়ানোর স্প্রে ব্যবহার করা। 💨

সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন। 😊🙏

```
Option A Explanation:
  • Rabis virus: এটি একটি ভাইরাস যা মূলত প্রাণীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং মানুষের মধ্যে rabies নামক রোগের কারণ হয়।
  • এটি একটি রুবিভিরিডি পরিবারের ভাইরাস, যা ক্ষুদ্রাকৃতির একটি রুবিরোসাইরাস পরিবারের সদস্য।
  • প্রধানত কুকুর, বিড়াল, বানরসহ বিভিন্ন প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়, সাধারণত কামড় বা ক্ষত through সংস্পর্শের মাধ্যমে।
  • রেবিস ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে মাথা ব্যথা, জ্বর, অস্থিরতা, ভীতি ও পরবর্তীতে অসুস্থতা বৃদ্ধি পায় যা অতি দ্রুত মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
  • প্রতিরোধের জন্য র্যাবিস টিকা ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
  • Rubeola virus: এটি রুবেলা (Rubella) বা measles ভাইরাসের জন্য দায়ী।
  • রুবেলা একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা সাধারণত শিশুদের মধ্যে দেখা যায়।
  • এটি ছড়ায় বাতাসের মাধ্যমে এবং এর লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে ছোবড়া, জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, ও চোখে জ্বালা।
  • রুবেলা ভাইরাসের কারণে গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন গর্ভপাত বা শিশুর জন্মের সময় জটিলতা।
  • এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের মতো জলজ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করে না, বরং রুবেলা ভাইরাসের সংক্রমণে শারীরিক উপসর্গ ও ত্বকের র‍্যাশ দেখা যায়।
Option C Explanation:

Flavi virus এর ব্যাখ্যা

  • পরিবার: Flaviviridae
  • উদাহরণ: ডেঙ্গু ভাইরাস, জিকা ভাইরাস, ইয়েলোফিভ ভাইরাস, পোলিও ভাইরাস
  • সংক্রমণের মাধ্যম: মূলত মশার মাধ্যমে (বিশেষ করে এডিস মশা)
  • লক্ষণসমূহ: জ্বর, চোখের লালভাব, দেহে ফুসকুড়ি, জয়েন্ট ও পেশিতে ব্যথা, মাথা ব্যথা, ক্লান্তি
  • প্রতিরোধ: মশা নিধন, নিরাপদ পানীয় জল ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম
  • বিশেষ দ্রষ্টব্য: কিছু Flavi ভাইরাসের কারণে গুরুতর রোগ হতে পারে, যেমন ইয়েলোফিভ ভাইরাসের ক্ষেত্রে জ্বরের পাশাপাশি কিডনি ও যকৃতের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
Option D Explanation:
  • Yellow Fever Virus হল একটি রেঙিন ভাইরাস, যা Flaviviridae পরিবারের অন্তর্গত।
  • এটি একটি আর্থ্রোপোনোসিস, অর্থাৎ এটি মূলত মাছি বা মাছির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
  • এই ভাইরাসের কারণে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশীর ব্যথা, বমিভাব এবং কখনো কখনো রঙিন রঙের গাঢ় রঙের চামড়া দেখা যায়।
  • সাধারণত এই ভাইরাসের মাধ্যমে লিভার (যকৃত) ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা থেকে এর নাম "Yellow Fever" বা "পীত জ্বর" রাখা হয়।
  • প্রতিরোধের জন্য টিকা পাওয়া যায় এবং এটির বিস্তার রোধে মাছির উপদ্রব কমানো জরুরি।