টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কুনো ব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম কি?

A. Rana tigrina
B. Bufo melanostictus
C. Hylobates indica
D. Rhacophorus
E. Rana asiatica
সঠিক উত্তরঃ B. Bufo melanostictus
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরে কুনো ব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম "Bufo melanostictus" উল্লেখ করা হয়েছে। এই নামটি ল্যাটিন ভাষায় দেওয়া হয়েছে, যা বৈজ্ঞানিক নামের জন্য ব্যবহৃত হয়। **ব্যাখ্যা:** - **বৈজ্ঞানিক নামের গুরুত্ব:** এটি প্রতিটি জীবের জন্য আলাদা করে নির্ধারিত, যার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী একই প্রজাতিকে চিনতে সুবিধা হয়। - **Bufo melanostictus:** এই নামটি দুটি অংশে বিভক্ত: 1. **Genus (উৎপত্তি):** Bufo – এটি ব্যাঙের একটি সাধারণ গণ, যার মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির ব্যাঙ অন্তর্ভুক্ত। 2. **Species (প্রজাতি):** melanostictus – এটি নির্দিষ্ট করে দেয় যে, এই ব্যাঙটি কুনো বা সাধারণ ব্যাঙের একটি বিশেষ প্রজাতি। - **উপকারিতা:** এই বৈজ্ঞানিক নাম ব্যবহার করে গবেষকরা বা প্রজননকারীরা সহজে সেই প্রজাতির ব্যাঙের বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন, কারণ সাধারণ নামগুলো বিভিন্ন ভাষায় ভিন্ন হতে পারে। সুতরাং, কুনো ব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম হলো **Bufo melanostictus**।
Option A Explanation:
  • ব্যাখ্যা: Rana tigrina হল একটি প্রাচীন বৈজ্ঞানিক নাম যা সাধারণত বাংলাদেশ ও ভারতীয় উপমহাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির ব্যাঙের জন্য ব্যবহৃত হত।
  • অর্থ: এই নামের "Rana" অর্থাৎ ব্যাঙের সাধারণ গণবর্গ এবং "tigrina" অর্থাৎ টিগ্রি বা বনজ প্রাণীর বৈশিষ্ট্য, যা সম্ভবত তার দাগ বা চিহ্নের জন্য ব্যবহার করা হয়।
  • বর্তমানে পরিবর্তিত: আধুনিক বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাসে, এই প্রজাতির জন্য বেশ কিছু নতুন নাম ব্যবহৃত হয়। তবে, ইতিহাসে এই নামটি বেশ পরিচিত।
Option B Explanation:
  • বৈজ্ঞানিক নাম: Bufo melanostictus
  • অর্থ: এই নামটি সাধারণত গাধার বা টোডের প্রজাতির জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি টোড প্রজাতি, যা সাধারণত গা dark ছায়াযুক্ত এবং বিভিন্ন পরিবেশে দেখা যায়।
  • অবস্থান: এটি এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • বিশেষত্ব: এর শরীরে স্পাইক বা গুঁড়ো স্তর থাকতে পারে, যা এটিকে অন্য প্রজাতি থেকে আলাদা করে।
Option C Explanation:
  • নাম: Hylobates indica
  • প্রকার: গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বানর
  • পরিবার: হাইলোবেটিডি (Hylobatidae)
  • অঞ্চল: ভারতীয় উপমহাদেশ, বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যপ্রদেশ
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ছোট থেকে মাঝারি আকারের, লম্বা হাত ও পা, শক্তিশালী লেজহীন শরীর, এবং উচ্চ স্বরলিপি গান গায়
Option D Explanation:
  • নাম: Rhacophorus
  • পরিবার: Rhacophoridae (অ্যাম্ফিবিয়ান পরিবারের)
  • বর্ণনা: Rhacophorus গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া একটি genus, যা সাধারণত "ফ্লাইং ফ্রগ" বা "অভ্যন্তরীণ উড়ন্ত ব্যাঙ" নামে পরিচিত।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই ব্যাঙগুলো তাদের পা-এ থাকা চামড়া বা পাখনা ব্যবহার করে আকাশে উড়তে সক্ষম।
  • উপস্থিতি: এশিয়ার বিভিন্ন অংশে, বিশেষ করে ভারতের কিছু অঞ্চলে দেখা যায়।
Option E Explanation:
  • নাম: Rana asiatica
  • বিবরণ: Rana asiatica একটি প্রজাতির ব্যাঙ, যা এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি সাধারণত গ্রীষ্মমন্ডলীয় ও উপদ্রুত অঞ্চলে দেখা যায়।
  • অবস্থান: এই প্রজাতিটি মূলত এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন দেশে দেখা যায়, বিশেষ করে ভারতের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশে।
  • বৈশিষ্ট্য: Rana asiatica এর শরীরের রঙ সাধারণত গ্রে বা সবুজচে হয়, এবং এর শরীরের গঠন সাধারণ ব্যাঙের মতো।
  • গুরুত্ব: এই ব্যাঙের প্রজনন ও বাসস্থান বৈচিত্র্যপূর্ণ, এবং এটি প্রাকৃতিক পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।