টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

যে সব উৎসেচক ATP এর সহায়তায় দুই বা ততোধিক সাবস্ট্রেটকে সংযুক্ত করে নতুন যৌগ উৎপন্ন করে তারা যে উৎসেচক নামে পরিচিত-

A. জারণ-বিজারণ উৎসেচক
B. পরিবৃত্তি উৎসেচক
C. আইসোমারেজ
D. অনুবন্ধী উৎসেচক
সঠিক উত্তরঃ D. অনুবন্ধী উৎসেচক
Explanation: ATP এর সহায়তায় নতুন যৌগ উৎপন্নকারী উৎসেচককে অনুবন্ধী উৎসেচক বলা হয়। সঠিক উত্তর D। A. জারণ-বিজারণ উৎসেচক অন্য রকম কাজ করে; B. পরিবৃত্তি উৎসেচক ঘূর্ণন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়; C. আইসোমারেজ অণুর গঠন পরিবর্তন করে। নোট: অনুবন্ধী উৎসেচকের ভূমিকা জৈবপ্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Another Explanation (5):

প্রশ্নের উত্তর: যে সব উৎসেচক ATP এর সহায়তায় দুই বা ততোধিক সাবস্ট্রেটকে সংযুক্ত করে নতুন যৌগ উৎপন্ন করে তারা যে উৎসেচক নামে পরিচিত

উত্তর: অনুবন্ধী উৎসেচক (Ligase Enzyme)

অ্যাকাডেমিক ব্যাখ্যা / সলভ:

অনুবন্ধী উৎসেচক (Ligase) এমন একটি এনজাইম যা ATP বা অন্য কোনও শক্তি উৎসের সাহায্যে দুইটি বা ততোধিক সাবস্ট্রেটকে সংযুক্ত করে নতুন যৌগ তৈরি করে।

বিশদ ব্যাখ্যা:

  • এনজাইমের নাম: লিগেজ (Ligase)
  • কার্যপ্রণালী:
    ATP এর মাধ্যমে শক্তি সংগ্রহ করে সাবস্ট্রেটের উপরে রিঅ্যাকশন সম্পন্ন করে বাঁধন গঠন করে।
  • প্রয়োগ ক্ষেত্র:
    ডিএনএ সংশ্লেষণে (DNA ligation), প্রোটিন সংশ্লেষণে, এবং বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।

প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:

বিশেষতা বর্ণনা
শক্তি উৎস ATP বা ADP
অভিযান দুটি বা ততোধিক সাবস্ট্রেটের বাঁধন গঠন
উদাহরণ DNA ligase, T4 DNA ligase
অন্য নাম অনুবন্ধী উৎসেচক (Ligase enzyme)

সারসংক্ষেপ:

অতএব, ATP এর সহায়তায় দুই বা ততোধিক সাবস্ট্রেটকে সংযুক্ত করে নতুন যৌগ গঠনে সক্ষম এই উৎসেচকটিকে অনুবন্ধী উৎসেচক বলা হয়। এটির ব্যাবহার জীববৈচিত্র্য এবং জৈবপ্রক্রিয়ায় অপরিহার্য।

Option A Explanation:

জারণ-বিজারণ উৎসেচক

  • এটি এক ধরনের এনজাইম যা ATP এর সহায়তায় কাজ করে।
  • এই উৎসেচক দুটি সাবস্ট্রেটের সংযোগ বা বিভাজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • প্রধানত, এই এনজাইমগুলি সাবস্ট্রেটের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটায়, ফলে নতুন যৌগ তৈরি হয়।
  • অর্থাৎ, এই উৎসেচকগুলি জারণ (অর্থাৎ, নতুন যৌগ সৃষ্টি) বা বিজারণ (অর্থাৎ, বিভাজন) ক্রিয়ায় সহায়ক।
  • এগুলি সাধারণত বিভিন্ন জীবপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেমনঃ শক্তি উৎপাদন, কোষের রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি।
Option B Explanation:

পরিবৃত্তি উৎসেচক

  • পরিবৃত্তি উৎসেচক হলো এমন ধরনের এনজাইম যা ATP এর সাহায্যে সক্রিয় হয়।
  • এরা সাধারণত বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সাবস্ট্রেটকে সংযুক্ত করে নতুন যৌগ তৈরি করে।
  • প্রধানত, এই উৎসেচকগুলো সাবস্ট্রেটের সংযোগ বা বিভাজন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, পলিমারাইজেশন বা সংশ্লেষের সময় এই ধরনের এনজাইমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
  • এদের কার্যপ্রণালী মূলত ATP এর ফসফোরাইসন যোগ করে সক্রিয় অবস্থা তৈরি করে, যা বিক্রিয়াকে সহজ করে দেয়।
Option C Explanation:

আইসোমারেজ (Isomerase)

  • সংজ্ঞা: আইসোমারেজ এমন একটি এনজাইম যা অণুর গঠন বা বিন্যাসের পরিবর্তন ঘটায়, অর্থাৎ এক ধরনের আর্দ্রবিশ্লেষণ বা অর্ধবিশ্লেষণ না করে অণুর আকার বা বিন্যাস পরিবর্তন করে।
  • মূল কাজ: এটি অণুর অভ্যন্তরীণ গঠন বা স্ট্রাকচারে পরিবর্তন আনে, যেমন ডায়ালডিহাইড থেকে গ্লুকোজের পরিবর্তন বা অন্যান্য আইসোমার তৈরি।
  • ক্রিয়াকলাপের উদাহরণ:
    • ডায়ালডিহাইড থেকে গ্লুকোজ বা ফ্রুকটোজে রূপান্তর
    • অক্সো-সাধারণের আকার বা বিন্যাস পরিবর্তন
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই এনজাইমের মাধ্যমে অণুর আকার বা বিন্যাস পরিবর্তিত হলেও তার মৌলিক সংযোজক বা মৌলিক গঠন অপরিবর্তিত থাকে।
Option D Explanation:
  • অনুবন্ধী উৎসেচক: এই ধরণের উৎসেচক তার সাবস্ট্রেটের সাথে সরাসরি সংকেত বা বন্ধন গঠন করে।
  • এটি সাবস্ট্রেটের সাথে অস্থায়ী বা স্থায়ীভাবে বন্ধন গঠন করে, ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি পায়।
  • অর্থাৎ, অনুবন্ধী উৎসেচক সাবস্ট্রেটের সাথে যুক্ত হয়ে বিক্রিয়ার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, অ্যানজাইম বা এনজাইমের ক্ষেত্রে, তারা তাদের সাবস্ট্রেটের সাথে অনুবন্ধন করে বিক্রিয়ার গতি বাড়ায়।