টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

গ্লাইকোজেন একটি-

A. Monosaccharide
B. Polysaccharide
C. Carbon tetra chloride
D. Cellulose
সঠিক উত্তরঃ B. Polysaccharide
Explanation:
Another Explanation (5):

গ্লাইকোজেন: একটি পলিস্যাকারাইড

গ্লাইকোজেন হলো একটি জটিল শর্করা বা পলিস্যাকারাইড, যা প্রাণী এবং ছত্রাকের মধ্যে শক্তির প্রধান সঞ্চিত রূপ হিসেবে কাজ করে। এটি গ্লুকোজ অণু দিয়ে গঠিত। যখন শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়, তখন অতিরিক্ত গ্লুকোজ গ্লাইকোজেন হিসেবে লিভার এবং মাংসপেশিতে জমা হয়।

গ্লাইকোজেনের গঠন

গ্লাইকোজেনের গঠন অনেকটা শাখা-প্রশাখাযুক্ত গাছের মতো। এর মূল কাঠামোটি গ্লুকোজ অণু দিয়ে তৈরি, যা আলফা ১-৪ গ্লাইকোসিডিক বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে। শাখাগুলো আলফা ১-৬ গ্লাইকোসিডিক বন্ধন দ্বারা গঠিত হয়।

  • গ্লুকোজ: গ্লাইকোজেনের মূল উপাদান।
  • আলফা ১-৪ গ্লাইকোসিডিক বন্ধন: গ্লুকোজ অণুগুলোকে একটি সরল রেখায় যুক্ত করে।
  • আলফা ১-৬ গ্লাইকোসিডিক বন্ধন: শাখা তৈরি করে।

গ্লাইকোজেনের কাজ

গ্লাইকোজেনের প্রধান কাজ হলো শরীরে গ্লুকোজের সরবরাহ নিশ্চিত করা। যখন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায়, তখন গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয় এবং রক্তে মিশে যায়।

  1. শক্তির উৎস: প্রয়োজনের সময় গ্লুকোজ সরবরাহ করে। ⚡
  2. রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ: গ্লুকোজের মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। ⚖️
  3. লিভারের সুরক্ষা: লিভারের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়ক। 🛡️

গ্লাইকোজেন এবং স্টার্চের মধ্যে পার্থক্য

গ্লাইকোজেন এবং স্টার্চ দুটোই পলিস্যাকারাইড হলেও এদের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে।

বৈশিষ্ট্য গ্লাইকোজেন স্টার্চ
উৎস প্রাণী এবং ছত্রাক 🐒🍄 উদ্ভিদ 🌿
শাখা অত্যধিক শাখা যুক্ত 🌳🌳🌳 কম শাখা যুক্ত 🌲
দ্রবণীয়তা জলে দ্রবণীয় 💧 কম দ্রবণীয়

গ্লাইকোজেন সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • গ্লাইকোজেন লিভারে প্রায় ১০০ গ্রাম এবং মাংসপেশিতে প্রায় ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত জমা থাকতে পারে। 💪
  • শারীরিক কার্যকলাপের সময় গ্লাইকোজেন দ্রুত ভেঙে গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 🏃‍♀️
  • ডায়াবেটিস রোগীরা গ্লাইকোজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ശ്രദ്ധ রাখা উচিত। 👨‍⚕️

আশা করি, গ্লাইকোজেন সম্পর্কে এই আলোচনাটি আপনাদের বোধগম্য হয়েছে। 😊🙏

Option A Explanation:
  • Monosaccharide: এটি একটি সহজ শর্করা যা একক সুক্রোজ বা একক কার্বোহাইড্রেট হিসেবে পরিচিত।
  • প্রধান উৎস: ফল, মধু, এবং কিছু সবজি।
  • গঠন: সাধারণত ৫ বা ৬ কার্বন পরমাণুর গঠিত হয়। যেমন গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ।
  • অর্থ: শক্তির দ্রুত উৎস হিসেবে কাজ করে।
  • অন্য শর্করার গঠনমূলক মৌলিক ইউনিট হিসেবে কাজ করে।
Option B Explanation:
  • প্রকার: পলিস্যাকারাইড (Polysaccharide)
  • সংক্ষেপে: এটি এক ধরনের জটিল কার্বোহাইড্রেট, যা বহু সাধারণ শর্করা (সাধারণত শর্করার মৌলিক একক, যেমন গ্লুকোজ) জোড়া বা অনেকগুলো একত্রিত হয়ে গঠিত।
  • উদাহরণ: গ্লাইকোজেন, স্টার্চ, সেলুলোজ
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: দীর্ঘ শৃঙ্খলাকার এবং জটিল গঠন, যা শক্তি সংরক্ষণ ও কাঠামোগত সমর্থন জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • উৎপত্তি: প্রাকৃতিক উৎস যেমন উদ্ভিদ ও প্রাণী দ্বারা উৎপন্ন হয়।
  • অর্থ: পলিস্যাকারাইড গ্লাইকোজেন মূলত প্রাণীর মধ্যে শক্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:

Carbon Tetrachloride (CCl₄)

  • রাসায়নিক সূত্র: CCl₄
  • প্রকার: একটি অর্গান ক্লোরিন যৌগ (অ্যালকাইল হ্যালাইড)
  • ব্যবহার: প্রধানত ক্লিনার, ফুয়েল এজেন্ট, এবং ফার্মাসিউটিক্যাল প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
  • গুণ: অস্বস্তিকর গন্ধযুক্ত, অদ্রবণীয় পানিতে, তবে অ্যালকোহলে দ্রবণীয়।
  • সতর্কতা: বিষাক্ত এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। স্বশরীরে শোষিত হলে কিডনি, লিভার, এবং নার্ভ সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে।
  • প্রাকৃতিক উৎস: মূলত মানবসৃষ্ট, প্রাকৃতিক উৎসের মধ্যে কম।
Option D Explanation:
  • Cellulose: Cellulose হলো একটি পলিস্যাকারাইড যা উদ্ভিদ কোষের প্রাচীরের মূল উপাদান।
  • এটি একটি জৈবিক পলিমার যা বহু গ্লুকোজের গ্লাইকোসিডিক বন্ধনে যুক্ত হয়ে গঠিত।
  • Cellulose-এ β-1,4-গ্লাইকোসিডিক বন্ধন রয়েছে, যা এর কঠিন ও অজৈবিক গঠন প্রদান করে।
  • প্রাকৃতিকভাবে, cellulose সাধারণত ব্যাকটেরিয়া, উদ্ভিদ, এবং কিছু ছত্রাক দ্বারা উৎপন্ন হয়।
  • এটি খাদ্যশস্য, কাগজ, কাপড়, এবং অন্যান্য উদ্ভিদজাত পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
  • বিজ্ঞান ও শিল্পে cellulose এর বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছে, যেমন কাগজ তৈরি, ফাইবার উত্পাদন, এবং খাদ্যপণ্য তৈরিতে।