টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন হরমোন ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ শোষণ নিয়ন্ত্রণ করে?

A. গ্লুকোকর্টিকয়েড
B. ইনসুলিন
C. থাইরক্সিন
D. কর্টিসল
সঠিক উত্তরঃ C. থাইরক্সিন
Explanation:

Another Explanation (5):

ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ শোষণ এবং হরমোনের ভূমিকা 🧐

ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ শোষণ একটি জটিল প্রক্রিয়া। যদিও থাইরক্সিন নামক হরমোনটি শরীরের বিভিন্ন মেটাবলিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে, তবে এটি সরাসরি ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ শোষণে প্রধান ভূমিকা পালন করে না। বরং, আরও কিছু হরমোন এবং এনজাইম এই প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।

আমিষ শোষণে জড়িত প্রধান উপাদানসমূহ 📝

  • প্যাPrintable Areaনক্রিয়াস থেকে নিঃসৃত এনজাইম: ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন, কার্বক্সিপেপটাইডেজ নামক এনজ???ইমগুলো আমিষকে ভেঙ্গে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত করে।
  • ক্ষুদ্রান্ত্রের নিজস্ব এনজাইম: অ্যামিনোপেপটাইডেজ এবং ডাইপেপটাইডেজ পেপটাইডগুলোকে আরও ছোট করে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত করে।
  • গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড: পাকস্থলীতে অবস্থিত এই অ্যাসিড প্রোটিনকে ডি nature করে হজমে সাহায্য করে।
  • সিক্রেটিন ও কোলেসিস্টোকিনিন (CCK): এই হরমোনগুলো হজম প্রক্রিয়াকে উদ্দীপ্ত করে।

যেভাবে আমিষ শোষিত হয় 🧬

  1. প্রথমে পাকস্থলীতে প্রোটিন গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড এবং পেপসিন এনজাইমের মাধ্যমে ভেঙে যায়।
  2. তারপর, ক্ষুদ্রান্ত্রে প্যানক্রিয়াটিক এনজাইম এবং ক্ষুদ্রান্ত্রের নিজস্ব এনজাইমগুলো প্রোটিনকে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত করে।
  3. অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাচীর ভেদ করে রক্তে প্রবেশ করে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে যায়।

থাইরক্সিনের ভূমিকা (পরোক্ষ) 🧪

থাইরক্সিন (T4) এবং ট্রায়োডোথাইরোনিন (T3) নামক থাইরয়েড হরমোন শরীরের মেটাবলিজম বাড়ায়। এর ফলে পরিপাকতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম যেমন এনজাইম উৎপাদন ও নিঃসরণ প্রভাবিত হতে পারে। থাইরক্সিনের অভাবে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যেতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি আমিষ শোষণ নিয়ন্ত্রণ করে না।

অন্যান্য হরমোনের প্রভাব 🧫

কিছু হরমোন যেমন গ্রোথ হরমোন (GH) এবং ইনসুলিন আমিষের গ্রহণ যোগ্যতা বাড়াতে সাহায্য করে।

সংক্ষেপে 📊

হরমোন/উপাদান ভূমিকা
প্যাPrintable Areaনক্রিয়াটিক এনজাইম আমিষ হজমে সাহায্য করে
সিক্রেটিন ও CCK হজম প্রক্রিয়াকে উদ্দীপ্ত করে
থাইরক্সিন পরোক্ষভাবে হজম প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে (সরাসরি নয়)
গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড প্রোটিনকে ডিnature করে হজমে সাহায্য করে

সুতরাং, থাইরক্সিন নয়, বরং প্যানক্রিয়াটিক এনজাইম, ক্ষুদ্রান্ত্রের এনজাইম এবং অন্যান্য হরমোনগুলোই ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ শোষণে প্রধান ভূমিকা পালন করে। 🍖🍗🥩

Option A Explanation:

গ্লুকোকর্টিকয়েডের ব্যাখ্যা

  • প্রধান কার্যক্রম: গ্লুকোকর্টিকয়েড হরমোনগুলি শরীরের মধ্যে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, এবং প্রোটিনের মেটাবোলিজম নিয়ন্ত্রণ করে।
  • উৎপত্তিস্থল: অরেঞ্জাল গ্ল্যান্ড (অ্যাড্রিনাল কর্টেক্স) থেকে নিঃসৃত হয়।
  • প্রভাব:
    • শরীরের স্ট্রেস রেসপন্সে সহায়ক।
    • প্রোটিন ভাঙা থেকে গ্লুকোজ তৈরি (গ্লুকোনিওজেনেসিস) বৃদ্ধি করে।
    • শরীরের ইমিউন সিস্টেমে প্রভাব ফেলে।
  • তুলনামূলক কার্যকাল: দীর্ঘস্থায়ী কার্যকাল এবং শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রভাব।
  • উপকারিতা: শরীরের ধৈর্য্য ও শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
Option B Explanation:
  • ইনসুলিন: এটি একটি হরমোন যা মূলত অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়। এর কাজ হলো রক্তে শর্করা (গ্লুকোজ) এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।
  • প্রধানতঃ এটি শরীরের গ্লুকোজ ব্যবহার বা সংরক্ষণে সহায়ক, রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
  • ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দিতে পারে, তবে এটি রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজন হয় না।
Option C Explanation:
  1. থাইরক্সিন: থাইরক্সিন একটি হরমোন যা থাইরয়েড গ্রন্থি দ্বারা নিঃসরণ হয়। এটি মূলত শরীরের বিপাকের হার বৃদ্ধি করে এবং শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে।
  2. শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  3. স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
  4. উচ্চ বা কম থাইরক্সিন স্তর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
Option D Explanation:
  • কর্টিসল: কর্টিসল হল একটি স্টেরয়েড হরমোন যা অ্যাড্রিনাল গ্ল্যান্ড থেকে নিঃসরিত হয়।
  • এটি শরীরের প্রতিরক্ষা, বিপাক, এবং সংবেদনশীলতা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • সাধারণত এটি স্ট্রেস প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে মুক্তি পায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।
  • অতিরিক্ত কর্টিসল উৎপাদন বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, যেমন Cushing's syndrome।
  • এটি বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গের সঙ্গে ইন্টারঅ্যাকশন করে, বিশেষ করে পেশী, হাড়, এবং ইমিউন সিস্টেমের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে।