লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম ঘটনা। এখানে, আলোকরশ্মি কোনো ধাতব পৃষ্ঠের উপর পড়লে ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই নির্গত ইলেকট্রনগুলোকে ফটোইলেকট্রন বলা হয়। ফটোইলেকট্রনের সর্বোচ্চ বেগ কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভরশীল, যার মধ্যে কম্পাঙ্ক (frequency) এবং কার্য অপেক্ষক (work function) প্রধান। 🤔
E = hν = KEmax + Φ, যেখানে E হলো আপতিত আলোর শক্তি, h হলো প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক, ν হলো কম্পাঙ্ক, KEmax হলো নির্গত ইলেকট্রনের সর্বোচ্চ গতিশক্??ি এবং Φ হলো কার্য অপেক্ষক। কম্পাঙ্ক বাড়লে KEmax বাড়ে, তাই বেগও বাড়ে। 💡| বিষয় | ফটোইলেকট্রনের সর্বোচ্চ বেগ |
|---|---|
| কম্পাঙ্ক (Frequency) ⬆️ | বেগ বৃদ্ধি পায় ⬆️ |
| কার্য অপেক্ষক (Work Function) ⬇️ | বেগ বৃদ্ধি পায় ⬆️ |
| আপতিত আলোর তীব্রতা (Intensity) ⬆️ | বেগের উপর প্রভাব নেই ➡️ |
আইনস্টাইনের ফটোইলেকট্রিক সমীকরণটি হলো:
KEmax = hν - Φ
এখানে:
KEmax = ইলেকট্রনের সর্বোচ্চ গতিশক্তি (maximum kinetic energy) 🏃♀️h = প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক (Planck's constant) 6.626 x 10-34 Js ⚛️ν = আপতিত আলোর কম্পাঙ্ক (frequency of incident light) ⚡Φ = কার্য অপেক্ষক (work function) ⚙️অতএব, ফটোইলেকট্রনের সর্বোচ্চ বেগ আপতিত আলোর কম্পাঙ্ক এবং ধাতুর কার্য অপেক্ষকের উপর নির্ভরশীল। 🎯
আরও জানতে এবং বিস্তারিত আলোচনার জন্য, পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ক বই অথবা অনলাইন রিসোর্স দেখতে পারেন। 📚💻
ধন্যবাদ! 🙏