টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ ৬-ফসফেট হতে ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেট উৎপাদনে কোন এনজাইমটি কার্যকর থাকে?

A. কাইনেজ
B. ডিহাইড্রোজিনেজ
C. অ্যালডোলেজ
D. আইসোমারেজ
সঠিক উত্তরঃ D. আইসোমারেজ
Explanation: গ্লাইকোলাইসিসে গ্লুকোজ ৬-ফসফেট হতে ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেট তৈরি করার জন্য আইসোমারেজ এনজাইমটি কার্যকর থাকে।
Another Explanation (5):

গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ ৬-ফসফেট থেকে ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেট উৎপাদনে কার্যকর এনজাইম 🧬

গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ ৬-ফসফেট থেকে ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেট উৎপাদনের জন্য একটি বিশেষ এনজাইম প্রয়োজ???, যা এই দুটি মনোস্যাকরাইডের মধ্যে রূপান্তর সম্পন্ন করে। এই এনজাইমটি হলো আইসোমারেজ (Isomerase)।

বিশদ ব্যাখ্যা 📝

আইসোমারেজ হলো একটি এনজাইম যা মনোস্যাকরাইড বা অন্যান্য যৌগের মধ্যে গঠনগত রূপান্তর সাধন করে। গ্লুকোজ ৬-ফসফেট থেকে ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেট তৈরির জন্য, গ্লুকোজ-৬-ফসফেট আইসোমারেজ কার্যকর।

প্রক্রিয়া সংক্ষেপে 🧪

  • গ্লুকোজ ৬-ফসফেটের গঠন পরিবর্তন করে ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেট তৈরি করে।
  • এটি enzymatic রূপান্তর যার মাধ্যমে দুটি মনোস্যাকরাইডের সমন্বয় ঘটে।

সারণী 📝

প্রক্রিয়া এনজাইম উৎপন্ন পণ্য
গ্লুকোজ ৬-ফসফেট থেকে ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেট আইসোমারেজ (Isomerase) ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেট

উপসংহার 🎯

অতএব, গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ ৬-ফসফেট থেকে ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেট উৎপাদনে আইসোমারেজ (Isomerase) সবচেয়ে কার্যকর এনজাইম।

আশা করি বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে! 😊

Option A Explanation:
  • কাইনেজ (Kinase): এটি একটি এনজাইম যা পোষ্টফসফোরিলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রোটিন বা মলিকিউলকে সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় করে।
  • প্রধানত, কাইনেজ এনজাইমগুলি ATP থেকে ফসফেট গ্রুপ ট্রান্সফার করে তাদের লক্ষ্যপ্রোটিন বা মলিকিউলের উপর ফসফোরিলেশন ঘটায়।
  • উদাহরণস্বরূপ, কাইনেজগুলি কোষের বৃদ্ধি, বিভাজন, ডাইভারজেন্স, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
  • প্রকারভেদে বিভিন্ন কাইনেজ বিভিন্ন সাবস্ট্রেটের উপর কাজ করে, যেমন প্রোটিন কাইনেজ, লিপিড কাইনেজ ইত্যাদি।
  • ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেটের জাইলুলোজ ৫-ফসফেটে রূপান্তর প্রক্রিয়ায়, এই এনজাইমটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে কাইনেজ শ্রেণীর হতে পারে।
Option B Explanation:
  • ডিহাইড্রোজিনেজ (Dehydrogenase): এটি একটি এঞ্জাইম যা অক্সিডেশন-প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী। এটি সাধারণত substrates থেকে হাইড্রোজেন বা ইলেকট্রন সরিয়ে নিতে সাহায্য করে।
  • অপারেশন: ডিহাইড্রোজিনেজ এনজাইমগুলো প্রোটিনের মধ্যে এনজাইম-সহযোগী কোফ্যাক্টর যেমন নাইকোটিনামাইড অ্যাডিনাইন ডাইনুক্লিয়োটাইড (NAD+) বা ফ্লাভিন অ্যাডিনাইন ডাইনুক্লিয়োটাইড (FAD) ব্যবহার করে, যা হাইড্রোজেনের স্থানান্তর সম্পন্ন করে।
  • উদাহরণ: ল্যাকটেট ডিহাইড্রোজিনেজ, সুক্রোজ ডিহাইড্রোজিনেজ, গ্লুকোজ-6-ফসফেট ডিহাইড্রোজিনেজ ইত্যাদি।
  • প্রধান কাজ: এটি মেটাবলিজমের নির্দিষ্ট ধাপগুলোতে হাইড্রোজেন বা ইলেকট্রন সরানোর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করে।
Option C Explanation:

অ্যালডোলেজ (Aldolase)

  • পরিচিতি: অ্যালডোলেজ হলো একটি এন্টি-অক্সিডাইজিং এনজাইম যা গ্লাইকোলিসিস প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • মূল কাজ: এটি ফ্রুক্টোজ ১,৬-বিসফসফেট থেকে ৩-ফসফো গ্লিসারাল্ডিহাইড উৎপন্নের জন্য অ্যালডোল রিয়েকশনের ক্যাটালাইজ করে।
  • ক্রিয়া পদ্ধতি: অ্যালডোলেজ দুটি অ্যালডোহাউস (অ্যালডোল) এর মধ্যে রিয়েকশনের মাধ্যমে নতুন কার্বন-কার্বন বন্ধন তৈরি করে।
  • উপকারিতা: এই এনজাইমের মাধ্যমে গ্লাইকোলিসিসের মধ্যে মূল মধ্যবর্তী পদার্থ ৩-ফসফো গ্লিসারাল্ডিহাইড উৎপাদিত হয়, যা শরীরের শক্তি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:

আইসোমারেজ (Isomerase)

  • সংজ্ঞা: আইসোমারেজ এমন একটি এনজাইম যা অণুর গঠন বা বিন্যাসের পরিবর্তন ঘটায়, অর্থাৎ এক ধরনের আর্দ্রবিশ্লেষণ বা অর্ধবিশ্লেষণ না করে অণুর আকার বা বিন্যাস পরিবর্তন করে।
  • মূল কাজ: এটি অণুর অভ্যন্তরীণ গঠন বা স্ট্রাকচারে পরিবর্তন আনে, যেমন ডায়ালডিহাইড থেকে গ্লুকোজের পরিবর্তন বা অন্যান্য আইসোমার তৈরি।
  • ক্রিয়াকলাপের উদাহরণ:
    • ডায়ালডিহাইড থেকে গ্লুকোজ বা ফ্রুকটোজে রূপান্তর
    • অক্সো-সাধারণের আকার বা বিন্যাস পরিবর্তন
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই এনজাইমের মাধ্যমে অণুর আকার বা বিন্যাস পরিবর্তিত হলেও তার মৌলিক সংযোজক বা মৌলিক গঠন অপরিবর্তিত থাকে।