লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
মেন্ডেলের ১ম সূত্রের ব্যাতিক্রমঃ১.অসম্পূর্ণ প্রকটতা ২.সমপ্রকটতা ৩.লিথাল জিন বা মারণ জিন।
২য় সূত্রের ব্যাতিক্রমঃ ১.পরিপূরক জিন ২.এপিস্টাসিস ৩.প্রকট এপিস্টাসিস ৪.দেত প্রচ্ছন্ন এপিস্টাসিস।
মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র, যা পৃথকীকরণের সূত্র নামে পরিচিত, অনুসারে দুটি ভিন্ন অ্যালিল একে অপরের থেকে স্বতন্ত্রভাবে বংশধরে সঞ্চারিত হয়। কিন্তু এপিস্ট্যাসিস এই সূত্রের একটি ব্যতিক্রম।
এপিস্ট্যাসিস হলো একটি জিন অন্য একটি জিনের প্রকাশকে প্রভাবিত বা মাস্ক করে দেয়। অর্থাৎ, একটি জিনের অ্যালিল অন্য একটি জিনের অ্যালিলের ফেনোটাইপিক প্রকাশকে পরিবর্তন করে। মেন্ডেলের সূত্রে প্রতিটি জিন স্বাধীনভাবে কাজ করার কথা বলা হলেও, এপিস্ট্যাসিসে একটি জিন অন্য জিনের উপর নির্ভরশীল হয়ে যায়।
কুকুরের কোট রং: কুকুরের কোটের রং নির্ধারণের জন্য দুটি জিন কাজ করে - 'B' এবং 'E'। 'B' জিনটি কোটের কালো (B) বা বাদামী (b) রং নির্ধারণ করে। 'E' জিনটি কোটের রং প্রকাশ পাবে কিনা তা নিয়ন্ত্রণ করে। যদি কুকুরের 'ee' জিনোটাইপ থাকে, তবে 'B' জিনের প্রকাশ ঘটবে না এবং কোটটি সোনালী (yellow/golden) হবে। এখানে 'E' জিন, 'B' জিনের উপর এপিস্ট্যাটিক প্রভাব ফেলে। 🐕
এপিস্ট্যাসিসের প্রধান কারণ হলো জিনগুলোর মধ্যেকার মিথস্ক্রিয়া। একটি জিন অন্য একটি জিনের উৎপাদিত প্রোটিনের কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে, অথবা একটি জিন অন্য একটি জিনের ট্রান্সক্রিপশনকে প্রভাবিত করতে পারে।
এপিস্ট্যাসিস বংশগতি এবং ফেনোটাইপের মধ্যে জটিল সম্পর্ক তৈরি করে। এটি রোগ, অভিযোজন এবং বিবর্তনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এপিস্ট্যাসিসের কারণে মেন্ডেলের সূত্র থেকে ভিন্ন ফলাফল পাওয়া যায়, যা জেনেটিক গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
| বৈশিষ্ট্য | মেন্ডেলের সূত্র | এপিস্ট্যাসিস |
|---|---|---|
| জিনের মিথস্ক্রিয়া | নেই | আছে |
| ফেনোটাইপিক অনুপাত | নির্দিষ্ট (যেমন, 9:3:3:1) | পরিবর্তিত (যেমন, 9:3:4, 12:3:1) |
| জিনের স্বাধীনতা | জিনগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করে | একটি জিন অন্য জিনের উপর নির্ভরশীল |
এপিস্ট্যাসিস মেন্ডেলের সূত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম যা বংশগতির জটিলতা প্রমাণ করে। 🧐
```