লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

একটি সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য (L) অভিকর্ষজ ত্বরণের (g) সাথে একটি বিশেষ সম্পর্ক বহন করে। চলো, বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করি:
সেকেন্ড দোলক হলো এমন একটি সরল দোলক, যা একবার দুলতে (পূর্ণ দোলন সম্পন্ন করতে) ঠিক ২ সেকেন্ড সময় নেয়। অর্থাৎ, এর দোলনকাল (T) ২ সেকেন্ড।
সরল দোলকের দোলনকাল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো:
T = 2π√(L/g)
যেখানে,
যেহেতু সেকেন্ড দোলকের জন্য T = 2 সেকেন্ড, তাই সূত্রটি দাঁড়ায়:
2 = 2π√(L/g)
এই সমীকরণ থেকে আমরা পাই:
L = g / π2
সুতরাং, সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য (L) অভিকর্ষজ ত্বরণের (g) সাথে সরাসরি সমানুপাতিক। এর মানে হলো, যদি অভিকর্ষজ ত্বরণ বাড়ে, তবে সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্যও বাড়বে এবং vice-versa। ⬆️➡️⬆️ and ⬇️➡️⬇️
| অবস্থান 📍 | অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) (m/s²) 🌍 | সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য (L) (মিটার) 📏 |
|---|---|---|
| সমুদ্রপৃষ্ঠ 🌊 | 9.81 | ≈ 0.994 |
| পাহাড়ের উপরে ⛰️ | 9.78 | ≈ 0.991 |
| চাঁদ 🌙 | 1.62 | ≈ 0.164 |
টেবিল থেকে স্পষ্ট যে, অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন হলে সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন হয়। 😊
আশা করি, সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য ও অভিকর্ষজ ত্বরণের সম্পর্কটি তোমরা বুঝতে পেরেছ! 👍🎉
```