টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

জীব বিলুপ্তির কারণ-

A. জৈবিক সম্পদের ব্যবহার না করা
B. এক্সোটিক ও বিদেশি প্রজাতির অনুপ্রবেশ
C. পরিকল্পিত অবকাঠামো স্থাপন না করা
D. পলিকালচার
সঠিক উত্তরঃ B. এক্সোটিক ও বিদেশি প্রজাতির অনুপ্রবেশ
Another Explanation (5): জীব বিলুপ্তির অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো এক্সোটিক ও বিদেশি প্রজাতির অনুপ্রবেশ। এর ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশে পরিবর্তন ঘটে যা স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। নিচে এর কারণগুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:
  1. প্রাকৃতিক সমতা ভঙ্গ: বিদেশি প্রজাতিগুলি যখন নতুন পরিবেশে প্রবেশ করে, তখন তারা প্রাকৃতিক সমতা বা ইকোসিস্টেমের স্বাভাবিক ভারসাম্য ভেঙে দিতে পারে।
  2. প্রতিযোগিতা সৃষ্টি: বিদেশি প্রজাতিগুলি স্থানীয় জীবের জন্য খাদ্য, বাসস্থান ইত্যাদি প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করে, যা স্থানীয় প্রজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
  3. আক্রান্তি ও রোগের প্রবর্তন: বিদেশি প্রজাতির মাধ্যমে নতুন রোগ ছড়িয়ে পড়ে, যা স্থানীয় জীবের জন্য মারাত্মক হতে পারে।
  4. প্রজননের সমস্যা: বিদেশি প্রজাতির সঙ্গে স্থানীয় প্রজাতির প্রজনন বন্ধ হয়ে যায়, ফলে প্রজাতির সংখ্যা কমে যায় বা বিলুপ্তির মুখে পড়ে।
  5. প্রাকৃতিক বাসস্থান ধ্বংস: বিদেশি প্রজাতির আগমন সাধারণত মানবসৃষ্ট পরিবেশের পরিবর্তনের ফলে ঘটে, যা প্রাকৃতিক বাসস্থান ধ্বংসের কারণ হয়।
সারাংশে, এক্সোটিক ও বিদেশি প্রজাতির অনুপ্রবেশ প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুতর হুমকি। এর প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিবেশের প্রতি যত্নশীলতা অপরিহার্য।
Option A Explanation:
  • জৈবিক সম্পদের ব্যবহার না করা: এটি জীবের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বাসস্থান সংরক্ষণে অবদান রাখে না।
  • প্রাকৃতিক বাসস্থান ধ্বংস বা ক্ষতি হওয়ার কারণে বিভিন্ন প্রজাতি জীবনধারার জন্য অপ্রতুল হয়ে পড়ে।
  • জৈবিক সম্পদ যেমন গাছ, প্রাণি, পাখি ইত্যাদি প্রাকৃতিক খাদ্য চক্রের অংশ, যা পরিবেশের সামঞ্জস্য রক্ষা করে।
  • এই সম্পদের ব্যবহার না করার ফলে খাদ্য চক্র ভেঙে যায়, এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাস পায়।
  • প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় বা অবহেলা জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
Option B Explanation:
  • এক্সোটিক ও বিদেশি প্রজাতির অনুপ্রবেশ: এটি তখন ঘটে যখন নতুন প্রজাতি ব্যবস্থায় প্রবেশ করে, যা প্রাকৃতিক বাসস্থান ও স্থানীয় প্রজাতির জন্য হুমকি সৃষ্টি করে।
  • এই প্রজাতিগুলি সাধারণত মানবসৃষ্ট কারণে পরিবেশে প্রবেশ করে, যেমনঃ আমদানি বা পরিযান দ্বারা।
  • এটি স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট করে, প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য কমে যায় এবং জীববৈচিত্র্যের বিলুপ্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
  • উদাহরণস্বরূপ, বিদেশি মাছ বা উদ্ভিদ প্রজাতি স্থানীয় পরিবেশে ছড়িয়ে পড়লে, তাদের কারণে স্থানীয় প্রজাতির সংকোচন বা বিলুপ্তি হতে পারে।
Option C Explanation:

পরিকল্পিত অবকাঠামো স্থাপন না করার কারণে জীববিলুপ্তির কারণসমূহ

  • প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি: পরিকল্পিত অবকাঠামো না থাকায় প্রাকৃতিক বাসস্থানের ক্ষতি হয়, যা জীববৈচিত্র্য হ্রাস করে।
  • বন্যপ্রাণীর জীবনযাত্রার ব্যাঘাত: অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজের ফলে প্রাণীদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
  • প্রজনন ও খাদ্য সরবরাহের সমস্যা: পরিকল্পিত পরিকল্পনা না থাকায় খাদ্য ও প্রজননের উপযোগী আবাসস্থল ধ্বংস হয়, যা প্রজাতির অবনতি ঘটায়।
  • প্রদূষণ বৃদ্ধি: অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও উন্নয়নজনিত কারণে পরিবেশে দূষণের মাত্রা বাড়ে, যা জীবের জন্য ক্ষতিকর।
  • প্রাকৃতিক ভারসাম্য ক্ষুণ্ণ হয়: অপরিকল্পিত নির্মাণের ফলে পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা জীববৈচিত্র্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।
Option D Explanation:
  1. পলিকালচার: পলিকালচার হলো এক ধরনের কৃষি প্রযুক্তি যেখানে বিভিন্ন ধরনের ফসল একসাথে একই জমিতে চাষ করা হয়। এটি মূলত পরিবেশের উপর কম প্রভাব ফেলে ও কৃষির টেকসই উন্নয়নে সহায়ক। তবে, ভুল ব্যবহারে বা অপ্রতুল পরিকল্পনার কারণে পরিবেশের ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে, যা জীববৈচিত্র্য ক্ষয় ও জীব বিলুপ্তির কারণ হতে পারে।