টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

পারথেনোকার্পিক ফল কোনটি?

A. আম 
B. পেয়ারা 
C. কলা 
D. কুল 
সঠিক উত্তরঃ C. কলা 
Explanation:

Another Explanation (5):

পারথেনোকার্পিক ফল: কলা 🍌

পারথেনোকার্পি (Parthenocarpy) হলো নিষেক ছাড়াই ফল উৎপাদন প্রক্রিয়া। যে সকল ফলে এই প্রক্রিয়ায় ফল গঠিত হয়, তাদের বীজ থাকে না অথবা বীজ খুবই ছোট এবং নরম হয়। কলা একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পার্থেনোকার্পিক ফল।

কলা কেন পার্থেনোকার্পিক? 🤔

  • কলার চাষের জন্য ব্যবহৃত বেশিরভাগ জাত (cultivar) প্রাকৃতিকভাবেই ট্রিপ্লয়েড (Triploid) হয়ে থাকে। এর মানে হলো তাদের কোষে তিনটি করে ক্রোমোসোম সেট থাকে।
  • এই ট্রিপ্লয়েড প্রকৃতির কারণে কলার স্বাভাবিক প্রজনন ক্ষমতা কমে যায়, কারণ মায়োসিস (meiosis) পদ্ধতিতে ক্রোমোসোমগুলো সঠিকভাবে আলাদা হতে পারে না।
  • ফলস্বরূপ, নিষেক ছাড়াই ডিম্বাশয় (ovary) ফলে পরিণত হয়।
  • কিছু কিছু ক্ষেত্রে, হরমোন প্রয়োগের মাধ্যমেও পার্থেনোকার্পি উৎসাহিত করা হয়।

পা???্থেনোকার্পির সুবিধা ➕ এবং অসুবিধা ➖

সুবিধা 👍 অসুবিধা 👎
বীজবিহীন ফল উৎপাদন 🌱 জেনেটিক বৈচিত্র্য হ্রাস 📉
উৎপাদন খরচ কম 💸 নতুন জাত উদ্ভাবন কঠিন 🧬
ফলন দ্রুত 🚀 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হতে পারে 🤕

অন্যান্য পার্থেনোকার্পিক ফল 🍎🥑🍅

কলা ছাড়াও আরও অনেক ফল আছে যারা পার্থেনোকার্পির মাধ্যমে উৎপাদিত হতে পারে। এদের মধ্যে কয়েকটি হলো:

  1. আনারস 🍍
  2. পেঁপে (কিছু জাত) 🥭
  3. আঙ্গুর (কিছু জাত) 🍇
  4. কমলালেবু (কিছু জাত) 🍊
  5. টমেটো (কিছু জাত) 🍅
  6. শসা (কিছু জাত) 🥒

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🔑

যদিও কলা একটি পরিচিত পার্থেনোকার্পিক ফল, তবে মনে রাখতে হবে যে সব কলা বীজবিহীন নাও হতে পারে। কিছু বুনো প্রজাতির কলাতে বীজ থাকতে দেখা যায়। এছাড়াও, কিছু ক্ষেত্রে চাষের সময় অনিচ্ছাকৃত পরাগায়ন (pollination) ঘটলে বীজ সৃষ্টি হতে পারে।

আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে পার্থেনোকার্পিক ফল হিসেবে কলার ধারণাটি স্পষ্ট হয়েছে। 😊

Option A Explanation:
  • নাম: আম
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ফল যা সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • সাধারণ ব্যবহার: খাওয়া হয় সরাসরি, বিভিন্ন মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবারে ব্যবহার হয়।
  • পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ভিটামিন A, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ফাইবারে সমৃদ্ধ।
  • চেহারা: পুরু আকারে, সাধারণত হলুদ রঙের এবং মিষ্টি স্বাদের।
Option B Explanation: ```html
  • পেয়ারা: এটি একটি অপ্রকৃত ফল, কারণ এটি প্রকৃতির স্বাভাবিক অবস্থায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে জন্মায় না। বরং, পেয়ারা গাছের মাধ্যমে চাষাবাদ করে উৎপাদিত হয়।
```
Option C Explanation:
  • নাম: কলা
  • প্রকার: পার্থেনোকার্পিক ফল
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: কলার ফল সাধারণত পুরুষোত্তর বা অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে এবং জিবেরেলিন নামক ফাইটোহরমোনের প্রয়োগে এটি পার্থেনোকার্পিক রূপে পরিণত হয়।
  • উৎপত্তি: এই প্রক্রিয়ায় কলা ফলের গাছের নির্দিষ্ট অংশে জিবেরেলিন প্রয়োগ করে ফলের স্বাভাবিক জন্মের সময় ছাড়াই ফলের বৃদ্ধি ঘটানো হয়।
  • ব্যবহার: কৃষি গবেষণা এবং ফলের উৎপাদনে এই প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয় যাতে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ফলের মান নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
Option D Explanation:
  • প্রকৃতি: কুল একটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ, অর্থাৎ এর মূল বা শিকড় থেকে নতুন গাছ গজায়।
  • উদ্ভিদ প্রকার: এটি একবীজজ (monocot) উদ্ভিদ, যার পাতা সাধারণত সরু ও লম্বা হয় এবং ফুলের অঙ্গ সংখ্যা সাধারণত তিনের গুণে হয়।
  • উৎপত্তি অঞ্চল: কুল মূলত দক্ষিণ এশিয়ার উষ্ণ ও আর্দ্র এলাকায় জন্মে, বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বেশি দেখা যায়।
  • উপকারিতা: কুলের ফল সুস্বাদু ও পুষ্টিকর, যা বিভিন্ন রকমের খাবার ও পানীয় তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।