লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
হেবার পদ্ধতি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রক্রিয়া। এই পদ্ধতিতে বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেন (N2) এবং হাইড্রোজেন (H2) গ্যাসকে সরাসরি সংযোগ করে অ্যামোনিয়া (NH3) উৎপাদন করা হয়। এই বিক্রিয়াটি উভমুখী এবং তাপমোচী।
হেবার পদ্ধতিতে প্রভাবক হিসেবে লৌহের সূক্ষ্ম চূর্ণ (Finely divided iron) ব্যবহৃত হয়। প্রভাবক ব্যবহারের প্রধান কারণগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
লৌহ চূর্ণ ব্যবহারের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে:
হেবার পদ্ধতির মূল বিক্রিয়াটি হলো:
N2(g) + 3H2(g) ⇌ 2NH3(g) ΔH = -92 kJ/mol
Le Chatelier-এর নীতি অনুসারে, নিম্ন তাপমাত্রা এবং উচ্চ চাপ অ্যামোনিয়া উৎপাদনের জন্য অনুকূল। সাধারণত, 400-450°C তাপমাত্রা এবং 200-300 atm চাপ ব্যবহার করা হয়।
| উপাদান | ভূমিকা | গুরুত্ব |
|---|---|---|
| নাইট্রোজেন (N2) | বিক্রিয়ক হিসেবে ব্যবহৃত | অ্যামোনিয়া উৎপাদনের মূল উপাদান |
| হাইড্রোজেন (H2) | বিক্রিয়ক হিসেবে ব্যবহৃত | অ্যামোনিয়া উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় |
| লৌহ চূর্ণ (Fe) | প্রভাবক | বিক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি করে |
| উচ্চ চাপ (200-300 atm) | সাম্যাবস্থা ডানদিকে সরিয়ে নেয় | অ্যামোনিয়ার উৎপাদন বাড়ায় |
| নিম্ন তাপমাত্রা (400-450°C) | তাপমোচী বিক্রিয়াকে সমর্থন করে | অ্যামোনিয়ার উৎপাদন বাড়ায় |
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি হেবার পদ্ধতিতে অ্যামোনিয়া উৎপাদনে লৌহ চূর্ণের প্রভাবক হিসেবে ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছে। 😊
```