টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

খাদ্যে বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করে কোন ব্যাক্টেরিয়া?

A. Coliform
B. Clostridium botulinum
C. Clostridium tetant
D. Vibrio cholerae
সঠিক উত্তরঃ B. Clostridium botulinum
Explanation:

Another Explanation (5):

খাদ্যে বিষাক্ত পদার্থ তৈরিকারী ব্যাক্টেরিয়া: Clostridium botulinum

Clostridium botulinum একটি গ্রাম-পজিটিভ, অবায়বীয় (anaerobic), স্পোর-গঠনকারী ব্যাক্টেরিয়া। এটি মারাত্মক নিউরোটক্সিন তৈরি করার জন্য পরিচিত, যা বোটুলিজম নামক একটি গুরুতর প্যারালাইটিক রোগের কারণ হতে পারে। 😮

Clostridium botulinum সম্পর্কিত কিছু তথ্য:

  • শ্রেণীবিভাগ: ব্যাক্টেরিয়া🦠
  • আকার: রড-আকৃতির
  • অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তা: অবায়বীয় (অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে বাড়ে)
  • স্পোর গঠন: হ্যাঁ, এটি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে স্পোর তৈরি করে।
  • ক্ষতিকর প্রভাব: বোটুলিজম নামক রোগ সৃষ্টি করে, যা প্যারালাইসিস করতে পারে।💀

কিভাবে Clostridium botulinum খাদ্যে বিষ তৈরি করে?

  1. ব্যাকটেরিয়ার স্পোরগুলি মাটি, জল এবং খাদ্যে বিদ্যমান থাকতে পারে। 🌱💧
  2. অক্সিজেনবিহীন অবস্থায় (যেমন ক্যানড বা বোতলজাত খাবার), স্পোরগুলি অঙ্কুরিত হয়ে সক্রিয় কোষে পরিণত হয়।
  3. সক্রিয় কোষগুলি বোটুলিনাম টক্সিন তৈরি করে, যা অত্যন্ত বিষাক্ত। ☠️
  4. দূষিত খাবার গ্রহণ করলে বোটুলিজম হতে পারে।

বোটুলিজম টক্সিনের বৈশিষ্ট্য:

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
প্রকার নিউরোটক্সিন (স্নায়ুর বিষ)🧠
মারাত্মক মাত্রা অত্যন্ত সামান্য পরিমাণেও মারাত্মক হতে পারে (ন্যানোগ্রাম স্কেলে)।
কার্যকারিতা অ্যাসিটাইলকোলিন নিঃসরণে বাধা দেয়, যা পেশী সংকুচিত করতে প্রয়োজনীয়।
লক্ষণ দৃষ্টি ঝাপসা, কথা বলতে অসুবিধা, গিলতে অসুবিধা, পেশী দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট এবং প্যারালাইসিস।

প্রতিরোধের উপায়:

  • খাবার সঠিকভাবে ক্যানিং ও প্রক্রিয়াকরণ করা।🥫
  • বাড়িতে ক্যান করা খাবার খাওয়ার আগে ভালোভাবে ফুটিয়ে নেওয়া। 🔥
  • ফুলে যাওয়া বা অস্বাভাবিক গন্ধযুক্ত ক্যানজাত খাবার পরিহার করা। 👃
  • শিশুদের মধু খাওয়ানো থেকে বিরত থাকা (কারণ মধুতে স্পোর থাকতে পারে)। 🍯❌👶

সতর্ক থাকুন এবং নিরাপদ খাদ্য practices অনুসরণ করুন! ✅

Option A Explanation: Coliform bacteria

Coliform bacteria

  • বিশ্লেষণ: কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া হলো একটি গ্রুপ ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রে থাকে। এগুলো প্রাথমিকভাবে পরিবেশের জল, মাটি, এবং খাদ্যে পাওয়া যায়।
  • সংক্রান্তি: এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত অস্বাস্থ্যকর বা দূষিত খাদ্য ও পানীয়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
  • বৈশিষ্ট্য: কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া সাধারণত অ্যানারোবিক বা অক্সিডিক অবস্থায় বৃদ্ধি করতে পারে। এগুলোর উপস্থিতি জল বা খাদ্যের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অনুপস্থিতির সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।
  • অর্থ: খাদ্য বা পানীয়ের বিশ্লেষণে কলিফর্মের উপস্থিতি মানে সেখানে ব্যাকটেরিয়ার দূষণের সম্ভবনা আছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
Option B Explanation:
  • Clostridium botulinum হলো এক ধরণের ব্যাকটেরিয়া যা মূলত পরিবেশে সাধারণত মৃত বা ক্ষয়প্রাপ্ত জৈব পদার্থে পাওয়া যায়।
  • এটি সাধারণত বিষাক্ত ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম টক্সিন উৎপাদন করে, যা মানব শরীরে প্রবেশ করলে মারাত্মক বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে।
  • বিষটি মূলত খাদ্যদ্রব্যের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে এবং নড়াচড়া, শ্বাসপ্রশ্বাসে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে।
  • প্রধানত জল বা খাবার দ্বারা এই ব্যাকটেরিয়া বা টক্সিন শরীরে প্রবেশ করে, যার ফলে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হয়।
  • অতএব, এটি জল বা খাদ্যদ্রব্যের মাধ্যমে মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে যা জীবনঘাতী হতে পারে।
Option C Explanation:

Clostridium tetani সম্পর্কে তথ্য

  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়া
  • উপস্থিতি: পরিবেশে সাধারণত মৃত্তিকা এবং ধ্বংসলিপ্ত বস্তুতে পাওয়া যায়
  • অস্তিত্বের উপায়: বিষাক্ত টক্সিন উৎপাদনের মাধ্যমে মানুষের শরীরে সংক্রমণ সৃষ্টি করে
  • টক্সিনের প্রভাব: টেটানাসের কারণ হয়, যা নার্ভ সিস্টেমে আঘাত করে এবং পেশী সংকোচন ঘটায়
  • সংক্রমণের উপায়: ক্ষত বা জখমের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে
  • প্রতিরোধ: টিটেনাস টিকা ও সঠিক চিকিৎসা
Option D Explanation:
  • প্রজাতি: Vibrio cholerae
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া, যা সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়।
  • উপযোগিতা: এটি রোগের জন্য দায়ী, বিশেষ করে কলেরা সংক্রমণে। তবে, জিন প্রকৌশলে এর ব্যবহারে কিছু সুবিধা রয়েছে।
  • উপকারিতা: জিন ট্রান্সফার এবং জেনেটিক স্ট্রাকচার নিয়ে গবেষণায় ব্যবহার হতে পারে।
  • ফায়দা: এর জেনেটিক মেকআপ এবং লেকসের জন্য গবেষকরা এর উপর নির্ভর করতে পারেন।