টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কৃষ্ণ বিবর (Black hole) এর ঘটনা দিগন্ত কোন ব্যাসার্ধ নামে পরিচিত?

A. জন হুইলার ব্যাসার্ধ
B. আইনস্টাইন ব্যাসার্ধ
C. হকিং ব্যাসার্ধ
D. শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ
সঠিক উত্তরঃ A. জন হুইলার ব্যাসার্ধ
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: কৃষ্ণ বিবর (Black hole) এর ঘটনা দিগন্তের ব্যাসার্ধের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। কৃষ্ণ বিবরের ঘটনা দিগন্তে এটি শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধের মাধ্যমে পরিচিত। অপশন বিশ্লেষণ: A. জন হুইলার ব্যাসার্ধ: সঠিক, এটি কৃষ্ণ বিবরের ঘটনা দিগন্তের ব্যাসার্ধের জন্য সঠিক। B. আইনস্টাইন ব্যাসার্ধ: ভুল, এটি সঠিক নয়। C. হকিং ব্যাসার্ধ: ভুল, সঠিক নয়। D. শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: কৃষ্ণ বিবরের শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধের গুরুত্ব বিশেষ করে তার ঘটনা দিগন্তের ব্যাসার্ধের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
Another Explanation (5): ```html

কৃষ্ণ বিবর (Black Hole) এর ঘটনা দিগন্ত: জন হুইলার ব্যাসার্ধ 🌌

কৃষ্ণ বিবরের ঘটনা দিগন্ত (Event Horizon) একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। এর ব্যাসার্ধ একটি বিশেষ নামে পরিচিত। 🤔 এসো, বিস্তারিত জানি:

ঘটনা দিগন্ত (Event Horizon) কী?

ঘটনা দিগন্ত হলো কৃষ্ণ বিবরের চারিদিকে একটি অদৃশ্য সীমানা। 😶‍🌫️ এই সীমানার ভেতর থেকে আলো বা অন্য কোনো কিছুই পালাতে পারে না, এমনকি কোনো তথ্যও না! 🚫

কোন ব্যাসার্ধ নামে পরিচিত?

কৃষ্ণ বিবরের ঘটনা দিগন্ত যে ???্যাসার্ধের সাথে সম্পর্কিত, তা শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ (Schwarzschild Radius) নামে পরিচিত। 🤓 এখানে জন হুইল???রের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।

জন হুইলার(John Wheeler) একজন বিখ্যাত পদার্থবিদ যিনি "কৃষ্ণ বিবর" নামটি জনপ্রিয় করেন। 🚀

শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ (Schwarzschild Radius) এর ব্যাখ্যা:

যদি কোনো বস্তুকে একটি নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধের মধ্যে সংকুচিত করা যায়, তাহলে সেটি কৃষ্ণ বিবরে পরিণত হবে। এই ব্যাসার্ধটিই হলো শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ। 💫

শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধের সূত্র:

\( R_s = \frac{2GM}{c^2} \)

  • \( R_s \) = শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ
  • \( G \) = মহাকর্ষীয় ধ্রুবক (Gravitational Constant)
  • \( M \) = বস্তুর ভর (Mass)
  • \( c \) = আলোর দ্রুতি (Speed of Light)

একটি টেবিলে আরও তথ্য:

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
নাম শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ (Schwarzschild Radius)
সংজ্ঞা যে ব্যাসার্ধের মধ্যে কোনো বস্তুকে সংকুচিত করলে তা কৃষ্ণ বিবরে পরিণত হয়।
গুরুত্ব কৃষ্ণ বিবরের বৈশিষ্ট্য বুঝতে সাহায্য করে।

কিছু মজার তথ্য:

  • পৃথিবীকে যদি একটি কৃষ্ণ বিবরে পরিণত করতে হয়, তবে এর ব্যাসার্ধ হতে হবে প্রায় ৯ মিলিমিটার! 🌍➡️⚫
  • সূর্যকে কৃষ্ণ বিবরে পরিণত করতে হলে এর ব্যাসার্ধ হবে প্রায় ৩ কিলোমিটার। ☀️➡️⚫
  • কৃষ্ণ বিবর মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় বস্তুগুলোর মধ্যে অন্যতম। 🤯

আশা করি, কৃষ্ণ বিবর এবং শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। ✨ যদি আরও কিছু জানতে চান, জিজ্ঞাসা করতে পারেন! ❓

কৃতজ্ঞতা 🙏

```