লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
প্রদত্ত উত্তরটি "বিগলিত অবস্থায় বা দ্রবণে আয়নিত হয়", যা সমযোজী যৌগের বৈশিষ্ট্য নয়। এটি মূলত আয়নিক যৌগের বৈশিষ্ট্য। নিচে সমযোজী যৌগের বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনা করা হলো:
সমযোজী যৌগ হলো সেই সকল যৌগ যা দুটি পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে গঠিত হয়। এখানে কোনো আদান-প্রদান ঘটে না, বরং উভয় পরমাণু তাদের শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রনগুলো ব্যবহার করে একটি স্থিতিশীল অবস্থা লাভ করে।🤝
| বৈশিষ্ট্য | সমযোজী যৌগ | আয়নিক যৌগ |
|---|---|---|
| গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক | কম 🧊 | উচ্চ 🔥 |
| বিদ্যুৎ পরিবাহিতা | অপরিবাহী 🚫💡 | বিগলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় পরিবাহী ✅💡 |
| দ্রবণীয়তা | অপোলার দ্রাবকে দ্রবণীয় 🧪 | পোলার দ্রাবকে দ্রবণীয় 💧 |
| বন্ধন | ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে 🤝 | ইলেকট্রন স্থানান্তরের মাধ্যমে ➡️ |
সমযোজী যৌগ সাধারণত আয়নিত হয় না, কারণ এদের মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে স্থিতিশীল অবস্থা অর্জিত হয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে, যেমন শক্তিশালী অ্যাসিডের (HCl) দ্রবণে, সামান্য পরিমাণে আয়ন তৈরি হতে পারে। কিন্তু এটি আয়নিক যৌগের মতো ব্যাপক আকারে ঘটে না।
মনে রাখতে হবে, সমযোজী যৌগ এবং আয়নিক যৌগের বৈশিষ্ট্যগুলো একটি সরল বিভাজন রেখা নয়। কিছু যৌগ উভয় ধরনের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করতে পারে।
আশা করি, এই আলোচনা থেকে সমযোজী যৌগ সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 👍
আরও জানতে রসায়ন বই পড়ুন। 📚
```