টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনটিকে কেলাসিত করা যায়?


A.

আর্কিব্যাক্টেরিয়া 

B.

ম্যালেরিয়া পরজীবি 

C.

ভাইরাস

D.

সায়ানোব্যাকটেরিয়া

সঠিক উত্তরঃ C.

ভাইরাস

Explanation:

Another Explanation (5):

ভাইরাস кристаллизоваться (কেলাসিত) করা যায়: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা 🔬

ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায় - এই তথ্যটি হয়তো অনেকের কাছে নতুন। ভাইরাস জীবন্ত কোষের মতো নয়, তাই এদের কেলাসিত করা সম্ভব। নিচে এর পেছনের বিজ্ঞান আলোচনা করা হলো:

কেলাসন কী? 💎

কেলাসন (Crystallization) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে কোনো দ্রবণ থেকে কঠিন পদার্থকে একটি সুনির্দিষ্ট জ্যামিতিক আকারে (ক্রিস্টাল) পৃথক করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় অণুগুলো একটি নির্দিষ্ট কাঠামোতে সজ্জিত হয়।

ভাইরাস এবং কেলাসন 🦠➡️💎

  • ভাইরাস জীবন্ত কোষ নয়: ভাইরাসের মধ্যে কোষের মতো জটিল গঠন নেই। এটি মূলত নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) এবং প্রোটিনের একটি আবরণ (capsid) দিয়ে গঠিত।
  • ভাইরাসের গঠন: ভাইরাসের গঠন অনেকটা নিয়মিত এবং পুনরাবৃত্তিমূলক। এই কারণে এদেরকে কেলাসিত করা সম্ভব।
  • ওয়েন্ডেল স্ট্যানলি-র অবদান: ১৯৩৫ সালে ওয়েন্ডেল স্ট্যানলি টোব্যাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV) কেলাসিত করেন এবং প্রমাণ করেন ভাইরাস জীবন্তorganism নয়। এর জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান। 🏆

ভাইরাস কেলাসিত করার পদ্ধতি 🧪

  1. ভাইরাসকে বিশুদ্ধ করা হয়: প্রথমে ভাইরাস দ্রবণ থেকে অন্যান্য উপাদান সরিয়ে শুধু ভাইরাস কণাকে আলাদা করা হয়।
  2. ঘন দ্রবণ তৈরি করা হয়: এরপর ভাইরাসের একটি খুব ঘন দ্রবণ তৈরি করা হয়।
  3. ধীরে ধীরে দ্রাবক অপসারণ: এরপর দ্রবণ থেকে ধীরে ধীরে দ্রাবক (যেমন পানি) সরিয়ে নেওয়া হয়।
  4. ক্রিস্টাল গঠন: দ্রাবক সরানোর সময় ভাইরাসের কণাগুলো একটি নির্দিষ্ট কাঠামোতে সজ্জিত হয়ে ক্রিস্টাল তৈরি করে।

ভাইরাস কেলাসনের ব্যবহারিক প্রয়োগ 🤔

ক্ষেত্র গুরুত্ব
ভাইরাসের গঠন জানা ভাইরাসের গঠন এবং প্রোটিন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়।
নতুন ঔষধ তৈরি ভাইরাসের গঠন জানা থাকলে, তার বিরুদ্ধে ঔষধ তৈরি করা সহজ হয়। 💊
ভ্যাকসিন তৈরি ভাইরাসের দুর্বল অংশগুলো চিহ্নিত করে ভ্যাকসিন তৈরি করা যায়। 💉

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ❗

  • সব ভাইরাস কেলাসিত করা যায় না।
  • ভাইরাস কেলাসিত করার জন্য সঠিক পরিবেশ এবং পদ্ধতি প্রয়োজন।
  • ভাইরাস কেলাসন একটি জটিল প্রক্রিয়া এবং এর জন্য উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োজন। 💻

আশা করি, এই আলোচনা থেকে তোমরা ভাইরাস কেলাসন সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছ। 😊

Option A Explanation:

আর্কিব্যাক্টেরিয়া

  • প্রজাতি: আর্কিব্যাক্টেরিয়া হলো এক ধরনের প্রাচীন এককোষী জীব, যা মূলত অন্ধকার ও উচ্চ তাপমাত্রায় বাস করে।
  • অবস্থান: সাধারণত Extremophiles হিসেবে পরিচিত, যেমন হিট স্প্রিংস, স্যাঁতস্যাঁতে অঞ্চল ও লবণাক্ত জলাশয়।
  • অঙ্গপ্রতিরোধক: এতটাই পুরনো জীব, যা জীববৈচিত্র্যের মূল ভিত্তি গঠন করে।
  • গঠন: তাদের কোষের ঝিল্লি ও কোষপ্রাচীরের গঠন আর্কিব্যাক্টেরিয়া আলাদা, যা ব্যাকটেরিয়া ও ইউক্যারিয়ার জীবের থেকে আলাদা।
  • ব্যবহার: কিছু আর্কিব্যাক্টেরিয়া জৈবিক প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়, যেমন অ্যামোনিয়া নির্গমন ও মিথেন তৈরি।
Option B Explanation:

ম্যালেরিয়া পরজীবি

  • প্রকার: এককোষী প্রোটোজোয়া (Protozoan)
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি এককোষী পরজীবি যা মানুষের রক্তের মধ্যে বাস করে।
  • সংক্রমণের পদ্ধতি: এ পরজীবি সাধারণত এন্টেরো মশার মাধ্যমে মানুষকে সংক্রামিত করে।
  • প্রভাব: এটি রক্তে লোহিত কণিকার উপর আঘাত হানে, ফলে জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, ও দুর্বলতা সৃষ্টি হয়।
  • বৈচিত্র্য: বিভিন্ন প্রকারের ম্যালেরিয়া পরজীবি রয়েছে, যেমন Plasmodium falciparum, Plasmodium vivax, Plasmodium malariae, ইত্যাদি।
  • চিকিৎসা: এই পরজীবির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অ্যান্টিম্যালেরিক ও রোগ নিরাময়কারী ওষুধ ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:

ভাইরাসের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • প্রাকৃতিক জীবজন্তু নয়: ভাইরাস জীবন্ত বা অজীবন্ত, এই বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে তারা সাধারণ জীবের মতো কোষে বিভাজন করে না।
  • কোষ বিভাজন নয়: ভাইরাসের কোষ নেই এবং তারা নিজে থেকে বিভাজিত হয়ে জীবিত হয় না। তারা কেবল হোস্ট কোষের মধ্যে প্রবেশ করে পুনরুত্পাদন করে।
  • অপ্রচলিত জীবনচক্র: ভাইরাসের জীবনচক্র সাধারণ কোষের বিভাজনের মতো নয়, বরং তারা হোস্টের মেলিকুল বা কোষের উপাদান ব্যবহার করে নিজেকে কনভার্ট করে।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা কোষের অভাব: ভাইরাসের কোনও কোষ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নেই।
Option D Explanation:

সায়ানোব্যাকটেরিয়া

  • প্রকার: প্রাথমিকভাবে কেলাসিত ব্যাকটেরিয়া (প্রথম জীবের মধ্যে একটি বিশেষ গোষ্ঠী)
  • বিশেষত্ব: তারা ফটোসিন্থেসিস করতে পারে, যা তাদের সূর্যরশ্মি থেকে শক্তি সংগ্রহে সক্ষম করে
  • অবস্থান: জলজ পরিবেশে সাধারণ, যেমন পুকুর, নদী ও সমুদ্রের গভীর অংশে পাওয়া যায়
  • ভূমিকা: পরিবেশে অক্সিজেন উৎপাদন করে, ও প্রাকৃতিক চক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
  • উৎপত্তি: এটি ব্যাকটেরিয়ার একটি বড় গোষ্ঠী, যা বিভিন্ন ধরণের জীবনচক্র ও আচরণ দেখায়