টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মায়োফাইব্রিল কোন প্রোটিন দ্বারা তৈরি ?

A. অ্যাকটিন ও জিলেটিন
B. মায়োসিন ও ইলাস্টিন
C. কোলাজেন ও মায়োসিন
D. মায়োসিন ও অ্যাকটিন
সঠিক উত্তরঃ D. মায়োসিন ও অ্যাকটিন
Another Explanation (5): মায়োফাইব্রিল মূলত দুটি প্রোটিন দ্বারা গঠিত, যা তাদের সংকোচন ক্ষমতা প্রদান করে। এই প্রোটিনগুলো হলো:
  • মায়োসিন: এটি একটি মোটর প্রোটিন যা সংকোচনের জন্য দায়ী। মায়োসিন ফাইবারের মাথা অংশে পাওয়া যায় এবং এটি অ্যাকটিন ফাইবারের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করে সংকোচন প্রক্রিয়াকে চালিত করে।
  • অ্যাকটিন: এটি একটি ফাইব্রিলার প্রোটিন যা মূলত ফাইব্রিলার কাঠামো তৈরি করে। অ্যাকটিন ফাইবারগুলো মায়োফাইব্রিলের ভিতরে অর্গানাইজড হয়ে থাকে এবং মায়োসিনের সাথে মিলিত হয়ে সংকোচন প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে।
সারাংশে, **মায়োফাইব্রিল তৈরি হয় মূলত মায়োসিন ও অ্যাকটিন প্রোটিন দ্বারা**, যা একসাথে কাজ করে পেশীর সংকোচন ও শিথিলতা নিয়ন্ত্রণ করে।
Option A Explanation:
  • অ্যাকটিন: এটি একটি প্রোটিন যা সাধারণত পেশী ও কোষের মধ্যে পাওয়া যায়। এটি শরীরের পেশী সংকোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অ্যাকটিন মূলত কেবলমাত্র পেশী টিস্যুতে থাকে এবং এটি শরীরের গতিশীলতা ও শক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
  • জিলেটিন: এটি প্রোটিনের একটি প্রকার যা কঙ্কালের অস্থিসংযোগ বা চামড়ার প্রোটিন থেকে প্রস্তুত হয়। জিলেটিন সাধারণত খাবারে ব্যবহার হয়, যেমন জেলি, কুলফি ইত্যাদিতে। এটি হজমে সাহায্য করে এবং উপকারী প্রোটিন হিসেবে বিবেচিত।
Option B Explanation:
  • মায়োসিন: এটি একটি মোশন প্রোটিন যা মূলত মাসলসে থাকে এবং সংকোচন ও শিথিলকরণে সহায়তা করে। এটি অ্যাক্টিনের সাথে মিলিত হয়ে মাসল সংকোচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
  • ইলাস্টিন: এটি একটি প্রোটিন যা টিস্যু ও অঙ্গের স্থিতিস্থাপকতা প্রদান করে। এটি মূলত ত্বক, রক্তনালী, ও অন্যান্য সংবহনী টিস্যুতে পাওয়া যায় এবং টিস্যুর নমনীয়তা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option C Explanation:
  • কোলাজেন: কোলাজেন হলো একটি প্রোটিন যা শরীরের বিভিন্ন টিস্যুতে উপস্থিত থাকে। এটি মূলত সংযোগকারী টিস্যু যেমন হাড়, হাড়ের সংযোগস্থল, চামড়া, লিগামেন্ট, এবং টেন্ডনে পাওয়া যায়। কোলাজেন টিস্যুগুলির শক্তি এবং স্থিতিস্থাপকতা প্রদান করে।
  • মায়োসিন: মায়োসিন হলো একটি প্রোটিন যা মূলত মাসল টিস্যুতে পাওয়া যায়। এটি মাসল সংকোচনের জন্য দায়ী। মায়োসিন ফাইবারগুলি অ্যাকটিন ফাইবারের সাথে মিলিত হয়ে মাসল সংকোচনের প্রক্রিয়াকে সম্পন্ন করে।
Option D Explanation:
  • মায়োসিন: এটি একটি শক্তিশালী প্রোটিন যা মাংসপেশীর সংকোচন প্রক্রিয়ার জন্য দায়ী। এটি মূলত পেশীর সংকোচন ও শিথিলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • অ্যাকটিন: এটি একটি সূক্ষ্ম প্রোটিন যা অ্যাকটিন ফিলামেন্টের রূপে পেশীর কোষের মধ্যে পাওয়া যায়। এটি মূলত মায়োসিনের সঙ্গে ইন্টারঅ্যাক্ট করে পেশী সংকোচনে সহায়তা করে।
  • সংক্ষেপে: এই দুই প্রোটিন মিলিত হয়ে পেশীর সংকোচন এবং শিথিলতা নিয়ন্ত্রণ করে, যা শারীরিক কার্যকলাপের জন্য অপরিহার্য।