লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য \( (L) \) এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ \( (g) \) এর মধ্যে সম্পর্ক সমানুপাতিক। বিষয়টি আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।
সেকেন্ড দোলক হলো এমন একটি সরল দোলক, যা একবার দুলতে (পূর্ণ দোলন সম্পন্ন করতে) ঠিক ২ সেকেন্ড সময় নেয়। অর্থাৎ, এর দোলনকাল \( T = 2 \) সেকেন্ড।
সরল দোলকের দোলনকালের সূত্রটি হলো:
\[ T = 2\pi \sqrt{\frac{L}{g}} \]যেখানে,
উপরের সূত্র থেকে আমরা পাই:
\[ T^2 = 4\pi^2 \frac{L}{g} \]যেহেতু সেকেন্ড দোলকের জন্য \( T = 2 \) সেকেন্ড, তাই \( T^2 \) একটি ধ্রুবক। সুতরাং, আমরা লিখতে পারি:
\[ L \propto g \]অর্থাৎ, সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য \( L \) অভিকর্ষজ ত্বরণ \( g \) এর সাথে সরাসরি সমানুপাতিক। এর মানে হলো, যদি \( g \) বৃদ্ধি পায়, তবে \( L \) ও বৃদ্ধি পাবে এবং vice versa।
যদি কোনো স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি হয়, তবে সেকেন্ড দোলকের দোলনকাল ২ সেকেন্ড ঠিক রাখার জন্য দোলকের দৈর্ঘ্য বাড়াতে হবে। আবার, যদি অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম হয়, তবে দৈর্ঘ্য কমাতে হবে।
পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে \( g \) এর মান ভিন্ন হওয়ার কারণে সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্যেও পরিবর্তন দেখা যায়। মেরু অঞ্চলে \( g \) এর মান বেশি, তাই সেখানে সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য বেশি হবে। আবার, বিষুব অঞ্চলে \( g \) এর মান কম, তাই সেখানে দৈর্ঘ্য কম হবে।
নিচের টেবিলে বিষয়টি সংক্ষেপে দেওয়া হলো:
| বিষয় | বর্ণনা |
|---|---|
| সেকেন্ড দোলক | যে দোলকের দোলনকাল ২ সেকেন্ড |
| সূত্র | \( T = 2\pi \sqrt{\frac{L}{g}} \) |
| সম্পর্ক | \( L \propto g \) (সমানুপাতিক) |
আশা করি, সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের মধ্যে সম্পর্কটি তোমরা বুঝতে পেরেছ। 🥳