টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করতে আলোকে ফোটন স্রোত হিসাবে বিবেচনা করতে হয়?

A. আলোক তড়িৎ ক্রিয়া
B. অপবর্তন
C. সমবর্তন
D. ব্যাতিচার
সঠিক উত্তরঃ A. আলোক তড়িৎ ক্রিয়া
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এই প্রশ্নে আলোকে ফোটন স্রোত হিসেবে বিবেচনা করতে কোন প্রক্রিয়া ব্যবহার করতে হয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আলোকে ফোটন স্রোত হিসেবে বিবেচনা করতে হলে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়। অপশন বিশ্লেষণ: A. আলোকে ফোটন স্রোত হিসাবে বিবেচনা করা হয়: সঠিক, এটি আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। B. অপবর্তন: ভুল, এটি আলোর পরিবর্তন নয়। C. সমবর্তন: ভুল, এটি আলো সম্পর্কিত নয়। D. ব্যাতিচার: ভুল, এটি আলো সম্পর্কিত নয়। নোট: আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বিষয়ে আলো এবং ফোটন স্রোত সম্পর্কিত বিজ্ঞানী গ্যালিলিও এবং নিউটনের গবেষণা রয়েছে।
Another Explanation (5):

আলোক তড়িৎ ক্রিয়া: ফোটন স্রোতের ধারণা 💡

আলোক তড়িৎ ক্রিয়া (Photoelectric effect) এমন একটি ঘটনা যেখানে কোনো ধাতব পৃষ্ঠে আলো আপতিত হলে ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই ঘটনাটি আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। এর সফল ব্যাখ্যার জন্য আলোকে ফোটন নামক কণার স্রোত হিসেবে বিবেচনা করতে হয়।

আলোর ফোটন তত্ত্ব photon theory 🌈

  • আলো শক্তি যুক্ত ছোট ছোট প্যাকেট বা কণা দিয়ে তৈরি। এই প্যাকেটগুলোকে ফোটন বলা হয়।
  • প্রত্যেক ফোটনের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি (E) থাকে, যা আলোর কম্পাঙ্কের (f) সাথে সম্পর্কিত: E = hf (যেখানে h হলো প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক)।
  • আলোর তীব্রতা (intensity) বলতে বোঝায় প্রতি সেকেন্ডে আপতিত ফোটনের সংখ্যা।

আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা 🔬

  1. যখন একটি ফোটন ধাতব পৃষ্ঠের উপর আপতিত হয়, তখন এটি তার সমস্ত শক্তি একটি ইলেকট্রনকে দিয়ে দেয়।
  2. যদি ফোটনের শক্তি ধাতুর কার্য অপেক্ষকের (work function, ɸ) চেয়ে বেশি হয়, তবে ইলেকট্রন ধাতু থেকে নির্গত হতে পারবে।
  3. কার্য অপেক্ষক হলো সেই ন্যূনতম শক্তি, যা একটি ইলেকট্রনকে ধাতু থেকে মুক্ত করতে প্রয়োজন।
  4. নির্গত ইলেকট্রনের গতিশক্তি (kinetic energy, KE) হবে: KE = hf - ɸ

ফোটন তত্ত্বের সুবিধা 👍

  • আলোর তীব্রতা বাড়ালে নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যা বাড়ে, কিন্তু তাদের গতিশক্তি বাড়ে না। (তরঙ্গ তত্ত্বে এটা ব্যাখ্যা করা যায় না)
  • আলোর কম্পাঙ্ক বাড়ালে নির্গত ইলেকট্রনের গতিশক্তি বাড়ে।
  • একটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের নিচে কোনো ইলেকট্রন নির্গত হয় না, তা আলোর তীব্রতা যতই বেশি হোক না কেন। (তরঙ্গ তত্ত্বে এটা ব্যাখ্যা করা যায় না)
  • আলো আপতিত হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই (10-9 সেকেন্ডের মধ্যে) ইলেকট্রন নির্গত হয়।

পর্যালোচনা 👇

আলোক তড়িৎ ক্রিয়া প্রমাণ করে যে আলো একই সাথে তরঙ্গ এবং কণা ধর্ম প্রদর্শন করে। এই দ্বৈত প্রকৃতি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। 🤔

বিভিন্ন ধাতুর কার্য অপেক্ষক (Work Function) ⚙️

ধাতু কার্য অপেক্ষক (eV)
সোডিয়াম (Na) 2.75
পটাসিয়াম (K) 2.29
রূপা (Ag) 4.73
প্ল্যাটিনাম (Pt) 6.35

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আলোক তড়িৎ ক্রি???া বুঝতে সাহায্য করবে। 😊