টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

প্রজাতির জিনগত বৈচিত্র বেশি হলে-

A. অভিযোজন ক্ষমতা বেশি হয়
B. বিলুপ্তির আশংকা কমে যায় 
C. রোগব্যাধি কম হয়
D. সবগুলি ঠিক
সঠিক উত্তরঃ D. সবগুলি ঠিক
Explanation:

Another Explanation (5):

প্রজাতির জিনগত বৈচিত্র্য: একটি বিশদ আলোচনা 🧬

প্রজাতির জিনগত বৈচিত্র্য বেশি হলে কী কী সুবিধা হতে পারে, তা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো:

জিনগত বৈচিত্র্যের গুরুত্ব 🌟

  • অভিযোজন ক্ষমতা বৃদ্ধি: 🌍 পরিবর্তনশীল পরিবেশে টিকে থাকার জন্য প্রজাতিগুলোর অভিযোজন ক্ষমতা বাড়াতে জিনগত বৈচিত্র্যের বিকল্প নেই। বিভিন্ন জিনের উপস্থিতি নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: 💪 জিনগতভাবে বিভিন্ন সদস্যের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও ভিন্ন ভিন্ন হয়। ফলে কোনো রোগ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়লেও কিছু সদস্য বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থাকে।
  • বিবর্তনীয় সম্ভাবনা বৃদ্ধি: ⏳ জিনগত বৈচিত্র্য ভবিষ্যতে নতুন প্রজাতি তৈরির উপাদান সরবরাহ করে। এটি প্রজাতিকে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে সাহায্য করে।
  • পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো: 🌱 বিভিন্ন পরিবেশে টিকে থাকার জন্য জিনগত ভিন্নতা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, কোনো প্রজাতি ঠান্ডা বা গরম যে কোনো পরিস্থিতিতেই টিকে থাকতে পারে যদি তার মধ্যে জিনগত বৈচিত্র্য থাকে।

সুবিধাগুলোর তালিকা 📝

সুবিধা ব্যাখ্যা উদাহরণ
অভিযোজন ক্ষমতা পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে টিকে থাকার ক্ষমতা বাড়ে। 🌡️ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বাড়লে, জিনগতভাবে বৈচিত্র্যপূর্ণ প্রজাতি সহজেই টিকে থাকতে পারে।
রোগ প্রতিরোধ বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। 🛡️ কোনো একটি ভাইরাস আক্রমণ করলে, জিনগত বৈচিত্র্য থাকলে কিছু সদস্যের মধ্যে সেই ভাইরাস প্রতিরোধের জিন থাকতে পারে।
বিবর্তন নতুন প্রজাতি সৃষ্টির সুযোগ বাড়ে। 🐣 দীর্ঘ সময় ধরে জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি প্রজাতি নতুন বৈশিষ্ট্য অর্জন করে ভিন্ন প্রজাতিতে রূপান্তরিত হতে পারে।
খাদ্য সংকট মোকাবেলা বিভিন্ন ধরনের খাদ্যের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। 🍎🍌 একটি নির্দিষ্ট খাবার দুষ্প্রাপ্য হলে, জিনগত বৈচিত্র্য সম্পন্ন প্রজাতি বিকল্প খাদ্যের সাথে সহজে মানিয়ে নিতে পারে।

আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🤔

জিনগত বৈচিত্র্য বজায় রাখার জন্য প্রজাতি সংরক্ষণ এবং তাদের আবাসস্থল রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে অনেক প্রজাতির জিনগত বৈচিত্র্য হ্রাস পাচ্ছে, যা তাদের বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। 😥 তাই, জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আমাদের সকলের সচেতন হওয়া উচিত। 🤝

সংক্ষেপে: জিনগত বৈচিত্র্য বেশি মানেই প্রজাতিটির ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত। ✅

মনে রাখবেন : জিনগত বৈচিত্র্য হলো জীবন রক্ষার চাবিকাঠি। 🔑

Option A Explanation:
  • প্রাণীর বা উদ্ভিদের জিনগত বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পেলে:
  • বিভিন্ন ধরনের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য থাকায় তারা বিভিন্ন পরিবেশের পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন করতে সক্ষম হয়।
  • নতুন পরিবেশ বা পরিস্থিতির জন্য উপযুক্ত জেনেটিক বৈশিষ্ট্য দ্রুত বিবর্তনের মাধ্যমে অর্জিত হয়।
  • এতে করে প্রজাতি তাদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আরও বেশি উপযোগী হয়।
  • অর্থাৎ, জিনগত বৈচিত্র্য বেশি হলে, অভিযোজনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
Option B Explanation:
  • বৈচিত্র্য বৃদ্ধির ফলে: বিভিন্ন প্রজাতির জিনগত বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়।
  • অন্যায্য পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা: অধিক বৈচিত্র্য থাকলে প্রজাতি দ্রুত ও কার্যকরভাবে পরিবেশের পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে পারে।
  • বিলুপ্তির ঝুঁকি কমে যায়: কারণ বিভিন্ন জিনের উপস্থিতি প্রজনন ও পরিবেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষমতা বাড়ায়, ফলে প্রজাতি টিকে থাকতে সক্ষম হয়।
  • প্রজনন ও টিকে থাকার সম্ভাবনা বৃদ্ধি: বৈচিত্র্য থাকলে বিভিন্ন ধরনের রোগ ও পরিবেশগত চাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
Option C Explanation:
  • জিনগত বৈচিত্র্য বৃদ্ধি: প্রজাতির মধ্যে বিভিন্ন জেনের উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়।
  • প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতিতে সক্ষমতা: বিভিন্ন জেনের কারণে পরিবেশের পরিবর্তন অনুযায়ী অভিযোজনের সম্ভাবনা বাড়ে।
  • রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা: বিভিন্ন জেনের উপস্থিতির কারণে প্রতিটি ব্যক্তির রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বিভিন্ন হতে পারে।
  • রোগের ঝুঁকি কমানো: যদি একটি প্রজাতির কিছু সদস্য রোগে আক্রান্ত হয়, তবে অন্যান্য সদস্যের জেনেটিক বৈচিত্র্য থা??ায় পুরো প্রজাতি দ্রুত আক্রান্ত হয় না বা ছড়িয়ে পড়ে না।
  • উপসংহার: এই জেনেটিক বৈচিত্র্য রোগব্যাধি কমাতে সহায়ক হয় কারণ এটি প্রজাতিকে বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে অধিকতর রক্ষা করে।
Option D Explanation:
  • অভিযোজন ক্ষমতা বেশি হয়: প্রজাতির জিনগত বৈচিত্র্য বেশি হলে, বিভিন্ন প্রভাব বা পরিবেশের জন্য বিভিন্ন ধরণের জিনগত বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে, যা তাদের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম করে। এভাবে, তারা দ্রুত এবং কার্যকরভাবে পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।
  • বিলুপ্তির আশংকা কমে যায়: বৈচিত্র্য বেশি থাকলে, কিছু সদস্যের জন্য যদি একটি নির্দিষ্ট পরিবেশ বা পরিস্থিতি ক্ষতিকর হয়, তবে অন্য সদস্যরা তাতে সহ্য করতে পারে এবং বেঁচে থাকতে পারে। এর ফলে, প্রজাতির বিলুপ্তির সম্ভাবনা কমে যায়।
  • রোগব্যাধি কম হয়: জিনগত বৈচিত্র্য থাকলে, কিছু সদস্য হয়তো রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা রাখে, যা 전체 প্রজাতির জন্য সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এতে করে, একে অপরের ওপর রোগের প্রভাব কম পড়ে।