টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

হাইড্রোফিলিক পদার্থ হলো --

A. আঠা
B. প্রোটিন
C. জিলাটিন
D. সবগুলোই
সঠিক উত্তরঃ D. সবগুলোই
Explanation:
Another Explanation (5):

হাইড্রোফিলিক পদার্থ: একটি ব্যাখ্যা 💧

হাইড্রোফিলিক (Hydrophilic) শব্দটির অর্থ হলো "জল আকর্ষী"। যে সকল পদার্থ পানির প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং সহজে পানিতে দ্রবীভূত হতে পারে, তাদেরকে হাইড্রোফিলিক পদার্থ বলা হয়। ग्रीक শব্দ "হাইडर" (ὕδωρ) অর্থাৎ জল এবং "ফিলিয়া" (φιλία) অর্থাৎ বন্ধুত্ব বা আকর্ষণ থেকে এই শব্দের উৎপত্তি।

হাইড্রোফিলিক পদার্থের বৈশিষ্ট্যসমূহ 🤔

  • জলের প্রতি প্রবল আকর্ষণ 🌊
  • পানিতে দ্রবীভূত হওয়ার ক্ষমতা 🧪
  • সাধারণত পোলার বা আয়নিক যৌগ ➕➖
  • পৃষ্ঠটান কমাতে সাহায্য করে 🧼
  • ভেজা থাকতে পছন্দ করে 🌧️

কিছু পরিচিত হাইড্রোফিলিক পদার্থ Examples👇

  1. চিনি (Sugar): সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয়। 🍬
  2. লবণ (Salt): সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। 🧂
  3. গ্লুকোজ (Glucose): শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে। 💪
  4. অ্যালকোহল (Alcohol): ইথানল এবং মিথানল উভয়ই। 🍷
  5. কাগজ (Paper): সেলুলোজ থাকার কারণে পানি শোষণ করে। 📃
  6. তুলা (Cotton): পানি শোষণ করার ক্ষমতা আছে। 🐑

কেন কিছু পদার্থ হাইড্রোফিলিক হয়? 🧐

হাইড্রোফিলিক হওয়ার মূল কারণ হলো পদার্থের অণুগুলোর পোলারিটি। পানির অণু একটি পোলার অণু (H₂O), যেখানে অক্সিজেন পরমাণুর উপর আংশিক ঋণাত্মক চার্জ (δ-) এবং হাইড্রোজেন পরমাণুগুলোর উপর আংশিক ধনাত্মক চার্জ (δ+) থাকে। এই কারণে, পোলার বা আয়নিক যৌগগুলো পানির সাথে হাইড্রোজেন বন্ধন (Hydrogen bond) তৈরি করতে পারে, যা তাদের দ্রবীভূত হতে সাহায্য করে।

হাইড্রোফিলিক পদার্থের ব্যবহার 🚀

হাইড্রোফিলিক পদার্থের অসংখ্য ব্যবহার রয়েছে। নিচে কয়েকটি উল্লেখ করা হলো:

ক্ষেত্র ব্যবহার
পরিষ্কারক (Cleaning) সাবান এবং ডিটারজেন্ট তৈরিতে ব্যবহার করা হয়, যা ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। 🧽
ঔষধ (Medicine) বিভিন্ন ঔষধের দ্রবণ তৈরি এবং শরীরে ঔষধের শোষণে সাহায্য করে। 💊
কৃষি (Agriculture) মাটিতে জলের ধারণক্ষমতা বাড়াতে এবং উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান গ্রহণে সাহায্য করে। 🌾
কসমেটিকস (Cosmetics) ত্বকের যত্নে বিভিন্ন ক্রিম এবং লোশন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 💄
শিল্প (Industry) বিভিন্ন শিল্প কারখানায় দ্রবণ এবং বিক্রিয়া মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 🏭

"সবগুলোই" উত্তরটি কেন সঠিক? ✅

যদি প্রশ্নে কয়েকটি পদার্থের নাম উল্লেখ করে জানতে চাওয়া হয় কোনটি হাইড্রোফিলিক, এবং অপশনগুলোতে যদি এমন পদার্থ থাকে যেগুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে অথবা যেগুলোর পোলার বৈশিষ্ট্য আছে, তাহলে "সবগুলোই" উত্তরটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। কারণ হাইড্রোফিলিক পদার্থের সংখ্যা অনেক এবং এদের ব্যবহার ক্ষেত্রও ব্যাপক।

আশা করি, হাইড্রোফিলিক পদার্থ সম্পর্কে আপনার একটি স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়েছে। 😊

Option A Explanation:
  • আঠা হলো একটি হাইড্রোফিলিক পদার্থ, কারণ এটি জলপ্রীতি সম্পন্ন।
  • এটি জলীয় পরিবেশে সহজে দ্রবীভূত হয় বা জলকে আকর্ষণ করে।
  • প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম উপাদান থেকে তৈরি হতে পারে, যেমন গ্লুটিন বা অ্যাক্রিলিক অ্যাসিড।
  • এটি বিভিন্ন শিল্পে, যেমন ধাতুবিদ্যা, কাগজ, এবং ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
  • প্রোটিন: প্রোটিন হলো জৈব যৌগ যা অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত। এটি জীবজগতের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা শরীরের গঠন, কোষের কার্যক্রম এবং বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • প্রোটিনগুলি শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সমর্থন করে, যেমন হরমোন তৈরী, এনজাইমের কার্যকলাপ, এবং অ্যান্টিবডি গঠন।
  • প্রোটিনের বিভিন্ন ধরণ রয়েছে, যেমন স্ট্রাকচারাল প্রোটিন, এনজাইম, হরমোন, এবং অ্যান্টিবডি।
  • প্রোটিনের উপাদানের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা শরীরের জন্য অপরিহার্য।
Option C Explanation:
  • জিলাটিন: জিলাটিন হলো একটি প্রোটিন সংশ্লেষ যা সাধারণত পশুর হাড়, ত্বক, এবং সংযোগকারী টিস্যু থেকে প্রস্তুত করা হয়।
  • হাইড্রোফিলিক বৈশিষ্ট্য: এটি জলপ্রীতি বা জলআবদ্ধতা সম্পন্ন, অর্থাৎ জলকে আকর্ষণ করে ও জল দ্রবণে সহজে পরিণত হয়।
  • ব্যবহার: খাদ্যপণ্য, ক্যাপসুল, এবং ফার্মাসিউটিক্যাল প্রোডাক্টে জল সম্পর্কিত গুণাবলী উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:

সবগুলোই

এই অপশনের মাধ্যমে বোঝানো হয় যে, কো2 (কার্বন ডাইঅক্সাইড) পাতায় প্রবেশের জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া একসঙ্গে কাজ করে। নিচে প্রতিটি প্রক্রিয়ার বর্ণনা দেওয়া হলো:

  • অসোসিস (Osmosis): এটি মূলত জলীয় তরলের জন্য একটি প্রক্রিয়া, যেখানে জল পরিমাণে পার্থক্য অনুযায়ী জল সরবরাহ বা প্রবাহ ঘটে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে অসোসিসের মাধ্যমে জল ও গ্যাসের মধ্যে সম্পর্ক থাকতে পারে।
  • ইমবাইবিশন (Imbibition): এটি গ্লুকোজ বা অন্য দ্রবণে জল শোষণের প্রক্রিয়া, যেখানে তরল পদার্থের সাথে শক্ত বা অজৈব পদার্থের সংস্পর্শে জল শোষিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় গ্যাসের প্রবেশের সুযোগ কম, তবে কিছু ক্ষেত্রে গ্যাসের সাথে সম্পর্ক থাকতে পারে।
  • ডিফিউশন (Diffusion): এটি একটি মূল প্রক্রিয়া যেখানে গ্যাস বা তরল পদার্থ স্বাভাবিকভাবে উচ্চ থেকে নিম্ন সংহতিতে বিস্তার লাভ করে। CO2 গ্যাসের পাতায় প্রবেশের জন্য ডিফিউশন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।

সারাংশে, CO2 বাতাস থেকে পাতায় প্রবেশের জন্য ডিফিউশন প্রধান প্রক্রিয়া হলেও, অন্যান্য প্রক্রিয়াগুলিও কিছু ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে, তাই সবগুলোই উপযুক্ত উত্তর।