লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
যখন দুই বা ততোধিক আলোক তরঙ্গ ???? একে অপরের উপর আপতিত হয়, তখন তাদের উপরিপাতনের ফলে আলোর তীব্রতার পরিবর্তন ঘটে। এই ঘটনাকে আলোর ব্যতিচার (Interference) বলা হয়।
| বিষয় | বর্ণনা |
|---|---|
| সুসংগত উৎস (Coherent Sources) | যে উৎসগুলো একই তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং ধ্রুবক দশা পার্থক্য বজায় রাখে। 🔗 |
| দশা পার্থক্য (Phase Difference) | দুটি তরঙ্গের মধ্যে দশার পার্থক্য, যা ব্যতিচারের ধরণ নির্ধারণ করে। 📐 |
| পথ পার্থক্য (Path Difference) | দুটি তরঙ্গ উৎসের দূরত্ব যা ব্যতিচারের জন্য দায়ী। 🛣️ |
ধরা যাক, দুটি তরঙ্গের বিস্তার যথাক্রমে A1 এবং A2 এবং তাদের মধ্যে দশা পার্থক্য φ। তাহলে উপরিপাতনের ফলে সৃষ্ট তরঙ্গের বিস্তার হবে:
A2 = A12 + A22 + 2A1A2cos(φ)
যদি cos(φ) = 1 হয় (গঠনমূলক ব্যতিচার), তবে বিস্তার সর্বোচ্চ হবে। ⬆️
যদি cos(φ) = -1 হয় (ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার), তবে বিস্তার সর্বনিম্ন হবে। ⬇️
আশা করি, এই আলোচনা থেকে আলোর ব্যতিচার সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 😊
```